আসসালামু আলাইকুম।
গত ১৩/০৪/২০২০ ইং তারিখে কক্সবাজার কন্ঠ অনলাইন নামে একটি পত্রিকায় প্রকাশিত দুষ্কৃতিকারী, অবৈধ অস্ত্রধারী,বখাটে, এলাকার চিহ্নিত সন্ত্রাসী হিসেবে আমার নাম লিপিবদ্ধ করে মিথ্যা সংবাদ পরিবেশন ও থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন মর্মে ফেইসবুকে বিজ্ঞপ্তি টি আমার দৃষ্টিগোচর হয়েছে। আমি লক ডাউন ও হোম কোয়ারেন্টাইনের কারণে ঘরে আছি। এমতাবস্থায় উক্ত সংবাদ ও বিজ্ঞপ্তি পেয়ে আমি অত্যন্ত মর্মাহত ও দুঃখিত। কারণ আমি কক্সবাজার সিটি কলেজের একজন সম্মান চতুর্থ বর্ষের ছাত্র।এলাকায়, কক্সবাজার শহরে ও আমার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আমার যথেষ্ট সুনাম আছে। আমার পরিবারের মা-বাবা, ভাই -বোন সবাই সুশিক্ষিত এবং পরিচিত এবং আমার জীবনে কোনো দিন খারাপ এবং অন্যায় কাজে নিজেকে জড়িত করি নাই। না হয় এই বিষয় নিয়ে এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের নিকট থেকে আমার বিষয়ে জেনে নিতে পারবেন। উক্ত সংবাদ সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও বানোয়াট।

শুধু মাত্র আমাকে এবং পরিবারের ভাবমূর্তি নষ্ট করার জন্য আমাকে জড়ানো হয়েছে। সংবাদ পরিবেশনকারী মহিলা একজন জনপ্রতিনিধি ও (৭,৮,ও ৯) মহিলা কাউন্সিলর জনাবা জাহেদা আক্তার। আমি বৈদ্যঘোনা এলাকার বাসিন্দা। মনে হয়, তিনি কোন কুচক্রী মহলের প্ররোচনায়  আমার নামে এই অভিযোগ দায়ের করেছেন যা বোধগম্য নয়।

এই সংবাদের দ্বারা আমার ব্যক্তিগত, পারিবারিক ও প্রাতিষ্ঠানিক সম্মান ক্ষুন্ন হয়েছে বলে আমি মনে করি। কোন সুস্থ মস্তিষ্কের মানুষের দ্বারা এরূপ বানোয়াট অভিযোগ দায়ের করা সম্ভব নয়।এই অভিযোগ ও পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ করে তিনি আমার মানহানি করেছেন। আশা করি তিনি মিথ্যা,বানোয়াট ও উদ্যেশ্য প্রণোদিত সংবাদ প্রকাশের জন্য সন্তোষজনক জবাব দিবেন।

অন্যথায় আমি আমার পরিবার ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে সাথে নিয়ে উক্ত মানহানিকর সংবাদ পরিবেশনের জন্য এবং কুরুচিপূর্ণ শব্দগুলো ব্যবহারের জন্য এলাকার জনগণের গণসাক্ষর নিয়ে উপযুক্ত আদালতে মানহানির মামলা করতে বাধ্য হব এবং উপযুক্ত জবাব দিব।

ইতি,
আনাস মাহমুদ
০৮ নং ওয়ার্ড, বৈদ্যঘোনা,
কক্সবাজার পৌরসভা।
ছাত্র, অনার্স চতুর্থ বর্ষ,অর্থনীতি বিভাগ,কক্সবাজার সিটি কলেজ।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •