সংবাদদাতা:
মামলা থেকে নাম বাদ দিতে ওসি এবং আইসিকে টাকা দেওয়ার কথা বলে ১ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়ন কমিউনিটি পুলিশের সাধারণ সম্পাদক শফিকুল আলম ও তার ছেলে পাভেলের বিরুদ্ধে টেকনাফ থানায় অভযিোগ করেছেন একই এলাকার পারভীন আক্তার নামের এক গৃহবধু।

তিনি উল্লেখ করেছেন, তার স্বামী ফয়সালের নামে টেকনাফ থানায় মামলা রয়েছে, কমিউনিটি পুলিশিং হ্নীলা ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে ওইসব মামলা থেকে বাদ দেয়া যাবে। তাই এক লক্ষ টাকা দরকার। বাদীনিও সরল বিশ্বাসে নগদ এক লক্ষ টাকা প্রদান করেন। যা ভিডিওতে রেকর্ড রয়েছে। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, গত ১০এপ্রিল দুপুরে আমার (স্বামীর) ঘরে এসে অভিযুক্ত শফিক আরও ৪লক্ষ টাকা দরকার বলে দাবী করেন। তারা চলে যাবার পর আমরা হোয়াইক্যং ফাঁড়িতে গিয়ে বিষয়টি অবহিত করি। ফাঁড়ি থেকে আসতে একটু বিলম্ব হওয়ায় কমিউনিটি পুলিশিং সদস্য ওই শফিকুল আলম পুলিশের পোষাক পরিহিত ৪-৫জনকে এনে আমার ৫ভরি স্বর্ণলঙ্কার, নগদ টাকা ও মোবাইল ফোন নিয়ে গেছে। পরদিন সকালে শফিকের কাছে লুটে নেয়া মালামাল ফেরত চাইলে পুলিশ নিয়ে গেছে তাদের কাছ থেকে নিয়ে আনার কথা জানায়।

এলাকাবাসীর মতে কমিউনিটি পুলিশিংয়ের ধমক দেখিয়ে ওই শফিকুল স্থানীয় একাধিক ব্যক্তিকে হয়রানি করেছে । টাকা নেয়ার ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, কমিউনিটি পুলিশিং সদস্য শফিকুল নগদ টাকা গুণে নিচ্ছেন। ভিডিও ফুটেজে প্রমাণ থাকা সত্বেও পুলিশের দোহাই দিয়ে পার পেয়ে যাবার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন ওই কমিউনিটি পুলিশিং নেতা। তিনি হ্নীলা এলাকার বিত্তশালী একাধিক লোকজনের কাছ থেকে মামলার ধমক দিয়ে টাকা আদায় করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। ভূক্তভোগী গৃহবধূ পারভীন আক্তার এ ব্যাপারে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে সঠিক বিচার পেতে জেলা পুলিশ সুপারসহ উর্ধতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •