মুহাম্মদ আবু সিদ্দিক ওসমানী :

টেকনাফ উপজেলার নয়াপাড়া কেরুনতলী ট্রানজিট পয়েন্টকে করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে ব্যবহারের জন্য সেটিকে প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারান্টাইনে রূপান্তর করা হয়েছে। সেজন্য ট্রানজিট পয়েন্টের আগের গৃহটিকে প্রয়োজনীয় সংস্কার, মেরামত, বেড সহ আনুসাঙ্গিক মালামাল, আসবাবপত্র ও চিকিৎসা সামগ্রী দিয়ে একটি পরিপূর্ণ প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারান্টাইন হিসাবে প্রস্তুত করা হয়েছে। টেকনাফ এলাকার কোন রোহিঙ্গা শরনার্থীকে কোয়ারান্টাইনে থাকার প্রয়োজনীয়তা দেখা দিলেই তাদের সেখানে রাখা হবে।

কক্সবাজারের অতিরিক্ত শরনার্থী ত্রান ও প্রত্যাবাসন কমিশনার (উপসচিব) মোহাম্মদ সামছু দ্দৌজা সিবিএন-কে এতথ্য জানান।
এটি হবে রোহিঙ্গা শরনার্থীদের জন্য দ্বিতীয় প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারান্টাইন। তার আগে উখিয়া উপজেলার রাবারবাগান ট্রানজিট পয়েন্টকে করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে প্রথম প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারান্টাইনে রূপান্তর করা হয়।

আরআরআরসি অফিসের মুখপাত্র মোহাম্মদ সামছু দ্দৌজা আরো বলেন, কক্সবাজার জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক পুরো জেলাকে লকডাউন (Lockdown) ঘোষনার পর থেকেই ৩৪ টি রোহিঙ্গা শরনার্থী ক্যাম্পে লকডাউন নীতি বলবৎ করা হয়েছে। রোহিঙ্গা শরনার্থী ক্যাম্প সমুহ এখন সম্পূর্ণ লকডাউন (Lockdown) এর আওতায় রয়েছে।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •