ফাইল ছবি

শাহেদ মিজান, সিবিএন:

মহেশখালীর কুতুবজোম ইউনিয়নের ঘটিভাঙা ঘাটে নোঙর করেছে নারায়ণগঞ্জ ফেরত এক লবণের বোট। আজ দুপুরের দিকে বোটটি ঘাটে ভিড়ে। স্থানীয়রা বিষয়টি স্থানীয় চেয়ারম্যান ও প্রশাসনকে জানায়। খবর পেয়ে বোট অবরুদ্ধ করে রেখেছে চৌকিদাররা। তবে বোটটি অবরুদ্ধ করার  আগেই বোটের মাঝি লোকালয়ে উঠে গেছে। এ ঘটনার খবরে স্থানীয়দের মাঝে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। এই নিয়ে বেশ তৎপর হয়েছে স্থানীয় প্রশাসন।

কুতুবজোমে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোশারফ হোসেন খোকন এই তথ্য জানিয়েছেন।

চেয়ারম্যান মোশারফ হোসেন খোকন জানান, ওই বোটে মাঝি এবং ছয়জন মাল্লা রয়েছে। বোট এবং মাঝি-মাল্লারা সবাই কুতুবদিয়ার। তবে তারা নিয়মিত ভাড়ায় লবণ পরিবহন করে নারায়ণগঞ্জসহ অন্যান্য এলাকায় নিয়ে যায়। আজ শনিবার দুুপুরের দিকে ভাড়ার লবণ বোঝাই করতে কুতুবজোমের ঘটিভাঙা ঘাটে ভিড়ে। বোট ভিড়তেই বোটের মাঝি লোকালয়ে উঠে গেছে বলে জানা গেছে। বোটটি বড়মহেশখালীর আবদুল গফুর নামের এক লবণ ব্যবসায়ী ভাড়ায় এনেছেন বলে শুনেছেন চেয়ারম্যান মোশারফ হোসেন খোকন।
এদিকে স্থানীয় লোকজন দাবি করেছেন, বোটের মাল্লারা অসুস্থ। এদের কেউ বমিও করছে। স্থানীয় কয়েকজন লোক তা দেখেছেন। ওই বোট লবণ বিক্রি করে নারায়ণগঞ্জ থেকে এসেছে বলে স্থানীয় দাবি করছেন। তাই মাল্লারা অসুস্থ হয়েছে বলেও দাবি তাদের।
স্থানীয় স্বাস্থ্যকর্মী জাহাঙ্গীর আলম জানান, খবর পেয়ে তিনি এবং স্থানীয় মেম্বার ও চৌকিদার ঘটনাস্থলে গেছেন। তিনি বোটে থাকা ছয় মাল্লাকে পর্যবেক্ষণ করেছেন এবং তাদেরকে নানাভাবে জিজ্ঞেস করেছেন। মাল্লারা কেউ অসুস্থ নয় বলে দাবি করেছেন। তবে তারা লবণ পরিবহণ শেষে নারায়ণগঞ্জ থেকে ফিরেছেন বলে স্বীকার করেছেন।
মহেশখালী থানার পুলিশের উদ্ধৃতি দিয়ে স্বাস্থ্যকর্মী জাহাঙ্গীর আলম আরো জানান, তারা কেউ যেহেতু মহেশখালীর নয় তাই মাঝি-মাল্লাসহ বোটটি তাড়াটে নির্দেশ দিয়েছে থানা পুলিশ। রাতের জোয়ারেই তাদেরকে ফিরিয়ে দেয়ার অপেক্ষায় রাখা হয়েছে। স্থানীয় মেম্বারের নেতৃত্বে চৌকিদারসহ স্থানীয় লোকজন তাদেরকে পাহারা দিয়ে রেখেছেন।
এ ব্যাপারে মহেশখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রভাষ চন্দ্র ধর জানান, মাঝি-মাল্লাসহ ওই বোটটি ফিরিয়ে দেয়া হবে। আজ রাতেই তাদেরকে ফিরিয়ে দেয়া হবে।
উল্লেখ্য, দেশে ঢাকার পর নারায়ণগঞ্জেই বেশি লোক করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। আক্রান্তের সংখ্যা অর্ধশত ছাড়িয়েছে ওই জেলায়।
  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •