বিশেষ প্রতিবেদক:
কক্সবাজার শহরের পশ্চিম বাহার ছড়া শীর্ষ মাদক কারবারি তার ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে পুরোদমে।
গতকাল রাতে তার সিন্ডিকেট সদস্য গুরা পুতিয়া প্রতিদিনের ন্যায় খরুলিয়ায় মাদকের আনতে গেলে গত ৯ এপ্রিল স্থানীয় জনতা তাকে ধৃত করে বিপুল সংখ্যক ফেনসিডিলসহ কক্সবাজার সদর থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করে। শহরের পশ্চিম বাহার ছড়ার মোহাম্মদ আলমের পুত্র।
তবে গুরা পুতিয়াকে শরীরে থাকা ফেনসিডিলসহ আটক করলেও তাকে বহণকারী সিএনসিটি দুই শতাধিক ফেনসিডিলসহ পালিয়ে আসতে সক্ষম হয় বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। পরে ফেনসিডিলগুলো যথাযথভাবে মাদক সম্রাট রেরামত আলীর কাছে হস্তান্তর করে সিএনজি চালক। তবে মাদক বহনকারী গুরা পুতিয়া আটক হলেও প্রকৃত মাদক কারবারি কেরামত আলী ধরাছোঁয়ার বাইরে থাকায় নানা প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে স্থানীয়দের মাঝে।

কেরামতের বাড়ি মাদকের মিনি বার হিসেবে পরিচিত কক্সবাজারের সকলের কাছে। তার অবৈধ মাদকের বারে নিয়মিত মাদকসেবন করতে আসা যাওয়া করেন ছাত্র, যুবক থেকে শুরু করে বিভিন্ন পেশাজীবি মানুষ। হোটেল শৈবালের সামনের মডেল রোড়সহ তার বাড়িতে প্রকাশ্যে মাদক বিকিকিনির হাট বসে। এমন কি তার বারে নিয়মিত আসাযাওয়া করা জনৈক আইনজীবী এবং এর আগে আরও একজন জনপ্রতিনিধির অকাল মৃত্যু হয়েছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।
টাকার বিনিময়ে এলাকার অনেকের বাড়িতে মাদকদ্রব্য রাখে এ মাদক কারবারি। আবার কথিত অনেক প্রভাবশালীকেও নিয়মিত আর্থিক সহযোগিতা দেওয়া হয়। তাই তাদের মাদক ব্যবসার বিরুদ্ধে কেউ কথা বলতে সাহস পাননা বলেও স্থানীয়দের অভিযোগ।
বিভিন্ন স্থানে ছোট-বড় মাদক কারবারি ক্রস ফায়ারে নিহত হওয়ার ঘটনা ঘটলেও রহস্যজনকভাবে বরাবরের মতোই প্রকাশ্যে মাদকের রমরমা বাণিজ্য চালিয়ে যাচ্ছে শীর্ষ এ মাদক কারবারি এবং তার সিন্ডিকেট সদস্যরা।
কক্সবাজার সদর মডেল থানার অপারেশন অফিসার মাসুম খান গুরা পুতিয়াকে মাদকসহ আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, কেরামত আলীর বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •