এহসান আল কুতুবীঃ
করোনা ভাইরাস সংক্রমণ ঠেকাতে সরকারী নির্দেশনা মতে জুমার নামাজে ১০ জনের বেশী মুসল্লি হয় নি।

কক্সবাজার শহরের বদর মোকাম জামে মসজিদ, কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ, বায়তুর রহমান জামে মসজিদ, লালদীঘী জামে মসজিদ, ফায়ার সার্ভিস জামে মসজিদ, ঝাউতলা জামে মসজিদ, বাজারঘাটা জামে মসজিদসহ প্রায় সব জামে মসজিদে ১০ জন বা তারও কম সংখ্যক মুসল্লি জুমা’র নামাজ আদায় করেছেন মুসল্লীরা।

মসজিদসমূহে নামাজের ক্ষেত্রে সরকারী নির্দেশনা মানা হচ্ছে কিনা, তা দেখতে সেনা বাহিনী, পুলিশসহ বিভিন্ন আইন শৃঙ্খলা বাহিনী নজরদারি করছে। রয়েছে জেলা প্রশাসনের মোবাইল টিম।

প্রতিদিন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করতে মুসল্লীদের যে ভীড় দেখা যায়, তার মতোও কোনো মুসল্লীর ভীড় ছিলোনা আজকের জুমায়।

সরকারী নির্দেশনা মোতাবেক মুসল্লীদের ভিড় এড়াতে কঠোর অবস্থানে ছিলো মসজিদ কমিটির নেতৃবৃন্দ। এ সময় আগত মুসল্লীদের বাড়িতে নামাজ আদায় করার জন্য মাইকিং করে পরামর্শ দেন।

এ ব্যাপারে বদর মোকাম মসজিদ কমিটির সাধারণ সম্পাদক আবদুল হান্নান সাউদ বলেন, ইসলামিক ফাউণ্ডেশন যেহেতু করোনা ভাইরাস সংক্রমন থেকে বাঁচতে মসজিদে মুসল্লীদের সমাগম এড়াতে নির্দেশনা দিয়েছেন। সেহেতু আমরাও সবাইকে সচেতন থাকার পাশাপাশি বাড়িতে নামাজ আদায় করার জন্য পরামর্শ দিয়েছি।

সরকারের এই নির্দেশনা শরীয়ত সম্মত উল্লেখ করে মসজিদের পেশ ইমাম ও খতিব মাওলানা আবদুল খালেক নিজামী বলেন, পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ ৫ জন ও জুমা’র নামাজে ১০ জন মুসল্লী নিয়ে নামাজ আদায়ের ব্যাপারে উলামায়ে কেরামদের ফতোয়া রয়েছে। এটি পুরোপুরি শরিয়ত সম্মত। এ বিষয়ে কাউকে বিভ্রান্ত না হয়ে সব ধরনের গুজব থেকে দূরে থাকার অনুরোধ জানাচ্ছি।

তিনি বলেন, সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা, বেশি বেশি হাত ধোয়ার জন্য সরকার যে নির্দেশনা দিয়েছেন, তা সবাইকে মেনে চলার পাশাপাশি সচেতন থাকতে হবে।

তিনি আরও বলেন, আমাদের জন্য এটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময়, পরিবার পরিজন নিয়ে বাড়িতে থেকে বেশি বেশি নফল ইবাদত করা ও আল্লাহর কাছে গুনাহ মাফ চাওয়ার।

তিনি সবাইকে তওবা এস্তেগফার করারও আহবান জানান।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •