সংবাদদাতা :

রাতের আঁধারে ৪৩০টি পরিবারে খাদ্যশস্য পাঠিয়েছে কক্সবাজার সদরের ইসলামাবাদ ইউনিয়নাধীন ইউছুপেরখীল গ্রামের তরুন প্রজন্ম। সৌদি প্রবাসী এবং গ্রামের বিত্তবানদের পক্ষ থেকে বিশেষ উপহার হিসেবে গ্রামের অসচ্ছল ও কর্মহীন পরিবারে তা পাঠানো হয়েছে। ৮ এপ্রিল রাতে স্বেচ্ছাসেবীরা সুশৃংঙ্খলভাবে ঘরে ঘরে তা পৌঁছে দিয়ে গ্রামবাসীকে ঘরে থাকার অনুরোধ জানান।

উদ্যোগটির মূল সমন্বয়ক ওই গ্রামের ব্যারিস্টার নুরুল আজিম। জানতে চাইলে তিনি বলেন, শৈশব-কৈশর কাটানো গ্রামে সবাই ঘুরেফিরে আমাদেরই স্বজন। তাদেরকে ত্রাণ দিয়ে বিব্রত করার ধৃষ্টতা আমাদের নেই। এগুলো পাঠানো হয়েছে গ্রামবাসীর প্রতি গ্রামেরই কিছু চিত্তবান মানুষের ভালবাসার নিদর্শন হিসেবে। যাতে তারা ঘরে থেকে করোনা দুর্যোগে সরকারী নির্দেশনা মেনে চলতে পারেন।

স্বজনদের ঘরে বিশেষ উপহার পাঠানো কার্যক্রমে সমন্বয়ক হিসেবে কাজ করেছেন শফিউল, মিজান, শাহজাহান, রোবেল ও তাজুল। ব্যবস্থাপনায় ছিলেন শিক্ষক নূরুল ইসলাম, সানা উল্লাহ ও জসিম ‍উদ্দিন। জানতে চাইলে শিক্ষক নূরুল ইসলাম জানান, গ্রামের মুরব্বীদের পরামর্শ ও সহযোগিতায় স্বজনদের তালিকা হয়। প্রতি প্যাকেটে চাল, ডাল, ময়দা, পেঁয়াজ, সয়াবিন তেল, সাবান ও প্যারাসিটামল দিয়ে ১৪ কেজি খাদ্যশস্যের প্যাকেট সাজিয়ে তা স্বজনদের ঘরে ঘরে পৌঁছে দেয়া হয়। সরকারের পাশাপাশি এভাবে প্রত্যেক গ্রামের বিত্তবান মানুষ নিজেদের গ্রামে মানবিকতায় এগিয়ে এলে সচেতনতার যুদ্ধে গ্রামবাসী ভাল থাকবেন।

উদ্যোগে সার্বিক সহযোগিতা ও দেখভাল করেছেন ইসলামাবাদ ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান জাফর আলম, সাবেক এমইউপি রশিদ আহমদ, মৌলানা নূরুল ইসলাম, এমইউপি দিদারুল ইসলাম, সাবেক এমইউপি ফরিদুল আলম, সৌদি প্রবাসী নুরুল হক, জাফর আলম, মুহাম্মদ ঈদ্রিস, আবুল কালাম, আনোয়ার জাহেদ, মনছুর আলম, শামশুল আলম, শাহাব উদ্দিন, আবুল কাশেম সওদাগর, তহসিলদার ছৈয়দ নুর, মুহাম্মদ আজিম, আশেক মাহমুদ, এসআই শাহজাহান, নুরুল আবছার, রেজাউল করিম, ফরিদুল আলম মাইজ্জা, জিয়াউল হক, মুহাম্মদ হোসন জনি, মুহাম্মদ আমিন, আলহাজ্ব বেলাল আহমদ, শাহাব উদ্দিন, শামশুদ্দিন, শাহজাহান মুনতাসীর, মেজবাহ উদ্দিন, মোসলেম উদ্দিন খাঁন, মুহাম্মদ জাকারিয়া, মিজানুর রহমান সওদাগর, হুমায়ুন কবির শহিদু, এমডি আনচারুল করিম, লুৎফুর রহমান, কাওসার, এনাম হুজুর, মিন্টু, কামরুল, শাহাব উদ্দিন, হাফেজ বজলুর রহমান, ঈমাম হোসাইন এবং সিরাজুল মোস্তফাসহ অনেক চিত্তবান স্বজন।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •