মুহাম্মদ আবু সিদ্দিক ওসমানী :

কক্সবাজার জেলায় হোম কোয়ারান্টাইন ও প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারান্টাইনে থাকা ৫০৩ জনের মধ্যে ৪১৬ জন কোয়ারান্টাইন মুক্ত হয়েছেন। হোম ও প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারান্টাইন থেকে মুক্ত হওয়া করো কাছে করোনা ভাইরাস এর লক্ষণ পাওয়া যায়নি। নারায়ণগঞ্জ থেকে তাবলীগ জামায়াতে যোগ দিয়ে আসা টেকনাফের সাবরাং ইউনিয়নের শামলাপুর এলাকার ১১ জন যুবককে সোমবার ৬ এপ্রিল রাত্রে ইনানী প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারান্টাইনে রাখা হয়েছে। তিনি আরো জানান, যেহেতু করোনা সংক্রমণ এলাকা হিসাবে নারায়ণগঞ্জকে গুরুত্বপূর্ণ ক্লাস্টার হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে, তাই করোনা ভাইরাস ঝুঁকির কথা বিবেচনা করে তাবলীগ জামায়াত মেহনত করে আসা তাদের বাধ্যতামূলক প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনে পাঠানো হয়েছে। এ সময় তাদেরকে পর্যবেক্ষণে রাখা হবে। কারো শারীরিক সমস্যা দেখা দিলে, সে অনুযায়ী চিকিৎসার ব্যবস্থা নেয়া হবে। আর সুস্থভাবে কোয়ারেন্টাইন শেষ হলে তারা বাড়ি ফিরে যাবে।

এছাড়া রোহিঙ্গা শরনার্থী ক্যাম্পে সিইসি’র তত্বাবধানে কোয়ারান্টাইনে থাকা ৫ ভারতীয় নাগরিকের মধ্যে ২ জনের কোয়ারান্টাইন পিরিয়ড শেষ হয়েছে। কক্সবাজারের সিভিল সার্জন ও করোনা ভাইরাস প্রতিরোধ সংক্রান্ত জেলা কমিটির সদস্য সচিব ডা. মাহবুবুর রহমান সিবিএন-কে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

সিভিল সার্জন আরো জানান, আগামী ২ দিনের মধ্যে এখনো হোম কোয়ারান্টাইনে থাকা ৮৭ জনের অধিকাংশের কোয়ারান্টাইন পিরিয়ড শেষ হবে।

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধ সংক্রান্ত জেলা কমিটির সদস্য সচিব ডা. মাহবুবুর রহমান বলেন, পিপিই (পারসোনাল প্রটেকশন ইকুইপমেন্ট) সহ করোনা ভাইরাস চিকিৎসা সামগ্রীর কোন সংকট কক্সবাজারে নেই।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •