শাহী কামরান:

কক্সবাজারের জনপ্রিয় পত্রিকা দৈনিক সমুদ্র কণ্ঠের সম্পাদক মঈনুল হাসান পলাশের সাথে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের অসৌজন্য মূলক আচরণ ও পেশাগত কাজে বাধা দেয়া সহ সাংবাদিকদের বিষয়ে অশালীন মন্তব্য করার অভিযোগ উঠেছে।
অধ্যাপক মঈনুল হাসান পলাশ তার ফেসবুক ওয়ালে  ৪ এপ্রিল ভারাক্রান্ত মনে ঘটনার বর্ণনা করেন। তার ফেসবুক ওয়ালে শেয়ার করার পর কক্সবাজার সাংবাদিক মহলে শুরু হয় প্রতিবাদ। ক্ষিপ্ত হয়ে উঠেন সাধারন জনগনও।
পাঠকের সুবিধার্থে নিম্নে ঘটনার বর্ণনা ও কয়েকটা মন্তব্য হুবহু তুলে ধরা হলো।

আজ দুপুরে বেশ বিব্রতকর পরিস্থিতির শিকার হলাম।
দুপুর ১টা ৫ মিনিটে ঝাউতলার রেডিয়েন্ট ফিশ ওয়ার্ল্ড এর সামনে জেলা প্রশাসনের টহল টিম আমাকে মোটরসাইকেল চালিয়ে আসবার সময় আটকালো।
আমার মোটরসাইকেলের সামনে হেডলাইটের কাভারে দৈনিক সমুদ্রকন্ঠের স্টিকার লাগানো ছিলো।
তারপরও দায়িত্বরত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে নিজের পরিচয় দিলাম,আমি একজন সাংবাদিক ও পত্রিকার সম্পাদক।
কিন্তু নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তাতে কোনো পাত্তাই দিলেন না। আমার মোটরসাইকেলের সাথে একটা বাজারের ব্যাগও ছিলো। তিনি শাসালেন ব্যাগ নিয়ে ঘুরছি কেনো।
এনিয়ে তার সাথে তর্ক করলাম। এক পর্যায়ে তার সহযোগী কর্মকর্তারা, পুলিশের সিপাই, গাড়ির ড্রাইভাররা আমাকে ঘিরে ধরলো।
আমি বললাম আমার সাথে বস্তা থাকুক, সাংবাদিক/সম্পাদক হিসেবে তো বাইরে পর্যবেক্ষণ করতে পারি। কোনো সাংবাদিকদের বিচরণে তো সরকার কোনো বিধিনিষেধ আরোপ করে নি।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অসৌজন্যমূলকভাবে বললেন আপনার মতো সম্পাদক অলিতে গলিতে আছে।
আমি তখন বিষয়টি জানাতে ১টা ১০ মিনিটে কক্সবাজারের মাননীয় জেলা প্রশাসক জনাব মোঃ কামাল হোসেনের সরকারি মোবাইল নাম্বারে দু’বার ফোন করে তার ফোন বিজি পেলাম।
ইতিমধ্যে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের গাড়ীর চালক এসে আমার মোটর সাইকেলের চাবি কেড়ে নিয়ে গেলো। পাশ থেকে একজন বললো,একে ধরে অফিসে নিয়ে আসেন!
সাথে সাথেই এক পুলিশ বললো,একে হ্যান্ডকাফ লাগাও….
আমি একা। চারপাশে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট,তার সহযোগী, হাফ ডজন পুলিশ, ২০/২২ টা প্রশাসনের গাড়ি….
অবশেষে হতাশ হয়ে বললাম, আমি কি যেতে পারবো?
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বললেন, অনুরোধ করে বলেন।
আমি বললাম, চাবি দিতে বলেন।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বললেন,দিতে বলেন মানে কি? অনুরোধ করেন!
আমি অনুরোধ করলাম তার ভাষায়। তিনি দয়াপরবশ হয়ে চাবি ফেরত দিতে বললেন।
এখন কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের কাছে আমার প্রশ্ন,একটি পত্রিকার সম্পাদক হিসেবে এই পরিস্থিতিতে বাইরে পেশাগতভাবে বিচরণ করার ওপর বিধিনিষেধ আছে কিনা?
আমি পেশাগত পরিচয় দিলে,আমার সাথে কোনো ব্যাগ বা অন্যকিছু রাখার উপর কোনো বিধিনিষেধ আছে কি না?

উক্ত পোস্টে ২৩০ জনের মন্তব্য জমা পড়েছে বেশীরভাগই নিন্দার। তার মধ্যে কয়েকটা হুবহু তুলে ধরা হল।
ইন্ডিপেনডেন্ট টেলিভিশন কক্সবাজার প্রতিনিধি Toufiq Lipu লিখেছেন, আমাকেও আটকালো সন্ধ্যার আগে। কাঁধে ফুল বিহীন কনস্টেবলের যে ক্ষমতা দেখলাম। বাপরে বাপ।
করোনার চেয়ে ভয়ংকর।

Momtaz Uddin Bahari ক্ষোভসহ লিখেছেন, দলকানা ম্যাজিস্ট্রেট !
মানসিক চাপে আছেন সম্ভবত!
টাকার গরম বেড়ে গেলেও কোন কোন অফিসার এমন আচরণ করেন!
তদন্ত করা জরুরি।

সাংবাদিক Russel Chowdhury প্রতিবাদে লিখেন, কক্সবাজারে নাজিম উদ্দিন কর্মজীবনে শুরুতে এ রকমই দাম্ভিক ছিলেন, তার পরিণতি আমরা দেখেছি, ইনিও দেখছি নাজিম উদ্দিনের উত্তরসূরি। তার মনে রাখা উচিত, সাগরপাড়ের মানুষের অভিশাপ বড় নির্মম হয়। দিন শেষে ইজ্জত নিয়ে কেউ ফিরতে পারেন না। বাইরে গিয়েও ইজ্জত পান না??

Abu Naser Helal Uddin এর মন্তব্য হলো- ম্যাজিষ্ট্রেট সাহেব কারো ব্যক্তিত্ত্বকে যেমন আঘাত করতে পারেন না তেমনি তাঁর সাথে কেউ অন্যায্যভাবে ভাব নিতেও পারবেন না।এটা শ্রেফ ভুলবোঝাবুঝি বলেই মনে হয়।সবাইকে বিনয়ী আচরণ করার আহবান জানাই। জয় হউক জনতার।জেলা প্রসাশক মহোদয় ম্যজিষ্ট্রেট গনকে আরো দায়িত্বশীল আচরণের দিকনির্দেশনা দিবেন আশা করি যেন আমাদের সমাজের বিশিষ্ট সাংবাদিকগনকে তাঁদের পেশাগত দায়িত্ব পালনের সময় উপযুক্ত সম্মান প্রদান করেন।

সাংবাদিক Imam Khair কমেন্ট করেন, ক্ষোভের সাথে তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি।
সংবাদকর্মী এমনকি সম্পাদক পরিচয় পাওয়ার পরও এমন আচরণ কোনোভাবেই মার্জনীয় নয়।
প্রশাসনের সুনাম ক্ষুন্ন করতে এরকম কয়েকজন কর্মকর্তা যথেষ্ট।

Mohammad Nurul Islam কক্সবাজারের সিনিয়র সাংবাদিক। তার মন্তব্য, এটা মেনে নেওয়া যায় না। সম্মিলিতভাবে জেলা প্রশাসকের কাছে বিষয়টি উত্থাপন করা উচিত। বার বার ঘুঘু তুমি খেয়ে যাবে ধান, এটা হতে দেওয়া উচিত নয়। আমি ব্যক্তিগতভাবে এর নিন্দা জানাচ্ছি এবং একই সাথে প্রশাসনের কাছে এর বিহীত করার জন্য দাবী জানাচ্ছি।

শেখ ভাইজান তীব্র প্রতিবাদস্বরূপ লিখেছেন, একইভাবে আজ আরও কয়েকজন পেশাদার সাংবাদিকের সাথে এমন অসৌজন্যমূলক আচরণের অভিযোগ উঠেছে। এ পরিস্থিতিতে এমন ঘটনা বাংলাদেশ অথবা বিশ্বের কোথাও ঘটছে কি না তা আমার জানা নেই। তবে কক্সবাজারে এমন ঘটনায় সাংবাদিকরা তাদের পেশাগত দায়িত্ব পালনে বাধাগ্রস্ত হচ্ছেন।
আমি তীব্র নিন্দা এবং প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

Shouab Sayed রামুর সাংবাদিকবৃন্দ এ ঘটনার তীব্র নিন্দা এবং ধৃষ্টতাপূর্ণ আচরণের জন্য কথিত ম্যাজিষ্ট্রেট এর বিরুদ্ধে তদন্ত পূর্বক আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জোর দাবি জানিয়েছে

Md Arfan Hossain দুঃখজনক, মনে হয় ম্যাজিস্ট্রেট সাহেব সম্পাদকের অর্থটা বুঝেনি এছাড়া নব্য নাজিমের ভুমিকা রাখতে চেয়েছিলো।
সাংবাদিকদের এভাবে হেনস্থা করার জন্যে তীব্র নিন্দা জানাই।

Faruk Ahmed Journalist বার বার সাংবাদিক নাজেহাল হবে এটা খুবই দুঃখ জনক । আর কয়েক দিন পর আমরা এ পেশার লোক পরিচয় দিতেও ভয় পাব। এ সব মোগল সম্রাটের বিরুদ্ধে সাংবাদিক সমাজকে ঐক্য বদ্ধ হওয়া হতে হবে

Sikder Ukhiya আজকালের অধিকাংশ বিসিএস ক্যাডাররা মানসিক রোগীর মত অনেকটা।নিয়োগের সময় মনে হয় বংশ দেখেনা।নিন্দা জানাই

Atikur Rahman Manik লিখেছেন-কক্সবাজারে ফের নব্য নাজিম !!
কক্সবাজারের সংবাদপত্র এজেন্ট “খবর বিতান” এ গিয়েও গতকাল বিকালে শাসিয়ে এসেছে উক্ত টীম।
দায়িত্বরত নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট এসময় ধমক দিয়ে ছবি তোলে ও দোকান বন্ধ করে দেয়।
পত্রিকার দোকান বন্ধ না রাখলে নাকি জেল-জরিমানাসহ আরো অনেক কিছুই করা হবে !!
আজ আবার আপনার উপর সওয়ার !
বিষয়টি জেলা প্রশাসককে জানালে ভাল হয়।
দায়ী ম্যাজিষ্ট্রেটকে জবাবদিহিতার আওতায় আনা হোক।

M R Mahbub কক্সবাজারে রয়ে যাওয়া নাজিমদের প্রেতাত্মা। চিহ্নিত করে প্রতিবাদের ঐক্যবদ্ধ আওয়াজ তোলা জরুরী। না হয় কক্সবাজারের সংবাদসেবীরা ছোট হয়ে যাবে। আস্কারা পাবে নাজিমের উত্তরসূরিরাই। তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি।

এম জসিম উদ্দিন সরি
এসব ন্যক্কারজনক ঘটনার জন্য আসলে আমরাই দায়ী। আমরা আমাদের মাঝে বিভাজন সৃষ্টি করে রেখেছি। সেই সুযোগ প্রশাসনের কিছু কিছু কর্তা বাবুরা নেওয়ার চেষ্টা করে।
তবে দুঃখটাই এখানে সাংবাদিক বা প্রকাশ্য পরিচয় দেওয়ার পরও এমন ব্যবহার করে তখন বিব্রত না হয়ে উপায় কি…
আপনার মত সম্পাদক অলিতে-গলিতে আছে এমন বক্তব্যের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

Badarul Alam সাংবাদিক বাদ দিয়ে একজন পলাশ স্যারের অগুনিত শিক্ষার্থী রয়েছে যারা বিসিএস পাশ করে দেশকে এগিয়ে নিতে কাজ করছে। আইডেন্টিটি জেনেও একজন ম্যাজিস্ট্রেটের এহেন আচরণ সরকারের ভালো উদ্দেশ্যকে নস্যাৎ করার শামিল। আমি এ কর্মকর্তার ব্যাপারে সন্দিহান যে নৈতিক শিক্ষা আদৌও পেয়েছেন কিনা। বিষয়টি ডিসি মহোদয়কে খতিয়ে দেখার অনুরোধ জানাচ্ছি।

Iqbal Bahar Chy তার পরিচয় উম্মোচন করতে হবে। সে নিশ্চই নাজিম মার্কা রাষ্ট্রের কর্মচারী। তীব্র নিন্দা জানাই, আর এ বিষয়ে মাননীয় জেলা প্রশাসক মহোদয়কে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবী জানাচ্ছি।

Jasim Uddin শহরের অলিগলিতে অবাদে সাধারণ মানুষের বিচরণ।বাধাগ্রস্ত শুধু সাংবাদিক,আর রোগীর বহনকারী টমটম। অথচ বিনা কারনে শত শত বাইক ও টমটম নিয়ে মানুষ ঘুরে বেড়াচ্ছে। সকালে দেখলাম কলাতলীতে গোপনে পতিতারা তাদের কার্যালয়ে আনাগোনা করছে ।এসব খবর কি তাহারা রাখেন?

Abu Siddique Osmani তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি।
এজন্য স্থানীয় গণমাধ্যম কর্মীদের অনৈক্যই অনেকাংশে দায়ী। সম্মিলিত উদ্যোগে গঠনমূলকভাবে প্রতিবাদ জানানো উচিত।

শাহিদ মোস্তফা লিখেন –নাজিম উদ্দিনের বংশোদ্ভূত হতে পারে। এরা কক্সবাজারের সম্মান ক্ষুন্ন করতে এসেছে।
নিন্দাজনক। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বিভাগীয় কমিশনার ও কক্সবাজার জেলা প্রশাসক মহোদয়ের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

Kutub Uddin পৃথিবীর এতো দেশ ভ্রমণ করলাম সব দেশে সরকারি অফিসাররা তাদের নাগরিকদের স্যার বলে সম্মোধন করে, কিন্তু বাংলাদেশে সরকারি অফিসারদের স্যার না বললে তাদের মানসম্মান থাকে না।

M Sayem Dalim প্রিয় নেত্রী আপনার কাছে বিনয়ী মিনতি। এই বিষয়ে দেখবেন। জনগণ আজ চারদিকে নিষ্প্রাণ হাহাকার। তিনি একজন সম্মানীত কলেজ শিক্ষক, স্হানীয় পত্রিকার সম্পাদক ও সাংবাদিক এবং সাবেক ছাত্রলীগ নেতা। তারাই যদি এই অবস্হার সম্মুখীন হয় সাধারণ মানুষ তো শংকিত হওয়াটাই স্বাভাবিক। দুঃখজনক। খুবই দুঃকজনক। সাংবাদিক মহল সবাই এক হোন। একতার কোন বিকল্প নেই।

কাব্য সৌরভ কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের কাছে আপনার করা প্রশ্নের উত্তর চাই, নাজিম মার্কা দ্বিতীয় কোনো ব্যক্তি চাই না আমরা। বিধিনিষেধের বিষয়ে জানতে চাওয়া প্রশ্নের উত্তর না দিলে আপনি অনুরোধ, বিনয় প্রাপ্য ব্যক্তির পরিচয় উন্মোচন করুন।

ছোটন কান্তি নাথ তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করছি। একইসঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণকারী কর্মকর্তাকে মানুষের সাথে কিভাবে শুদ্ধাচার করতে হয় সেই কৌশল শিখিয়ে মাঠে দায়িত্ব পালন করতে পাঠানোর দাবি জানাচ্ছি জেলা প্রশাসনের প্রতি।

Md Absar Kabir Akash নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা মনে করে দেশটা তাদের বাপ-দাদার সম্পত্তি। নিজেদের ইচ্ছে মত সব করে যাচ্ছে । সাংবাদিকদের সাথে বেয়াদবি করার কারনে ঐ রকম নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের কি হচ্ছে তা চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দেওয়া উচিৎ।

শনিবার বিকেলে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এর নেতৃত্বে থাকা পুলিশ সদস্যরা শহরের ঝাউতলা জায়গায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করাকালীন দৈনিক সমুদ্র কণ্ঠের সম্পাদক পলাশের সাথে অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন। পেশাগত দায়িত্বপালনে সেখানে গেলে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আকষ্মিক ভাবে তার উপর ক্ষিপ্ত হয়ে উঠেন। সাংবাদিকদের বিষয়ে অশালীন ও আপত্তিকর মন্তব্যসহ তাকে নানাভাবে হেনস্তা করেন।

এদিকে সমুদ্র কণ্ঠের সম্পাদক মঈনুল হাসানের পলাশের সাথে অসৌজন্যমূলক আচরণের প্রতিবাদে ইতিমধ্যে বিভিন্ন পত্রিকার সাংবাদিক ও সাংবাদিক সংগঠনের পক্ষ থেকে ক্ষোভ প্রকাশ করা হয়েছে এবং সাংবাদিকের সঙ্গে অসৌজন্যমুলক আচরণকারী ম্যাজিস্ট্রেটের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করে তার অপসারণ দাবি করা হয়েছে।

এসব বিষয় নিয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট’র সাথে কথা বললে তিনি উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সাথে কথা বলে তার বক্তব্য উপস্থাপন করবেন বলে জানান।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •