সংবাদ বিজ্ঞপ্তি
করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে ও মানবিক বিপর্যয় কাটিয়ে উঠতে কক্সবাজারে দিনরাত কাজ করছে ছাত্রলীগ। সংগঠনের বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা নানাভাবে মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করছে।

হ্যান্ড স্যানিটাইজার তৈরি, জীবানুনাশক স্প্রে, মাস্ক বিতরণ, খাদ্য সামগ্রী বিতরণ, মাইকিং ও সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রশংসায় ভাসছে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা।

এরইমাঝে কক্সবাজার জেলা ছাত্রলীগের উপ-দপ্তর সম্পাদক মইন উদ্দীন ঘোষণা দিয়েছেন গণমানুষের পাশাপাশি সংগঠনের সাবেক ও বর্তমান অসচ্ছল নেতাকর্মীদের জন্যেও কাজ করবে ছাত্রলীগ।

তাদের জন্যে একটি তহবিল ইতোমধ্যে গঠন করা হয়েছে। খুব দ্রুত অসচ্ছল নেতাকর্মীদের ঘরে ঘরে গিয়ে খাদ্য সামগ্রী পৌছে দেয়া হবে।

তহবিলে ছাত্রলীগের সাবেক ও বর্তমান নেতৃবৃন্দ অর্থ সহায়তা করছেন বলে জানিয়েছেন ছাত্রনেতা মইন উদ্দীন।

১ এপ্রিল বুধবার রাতে তিনি এ সংক্রান্ত একটি ফেইসবুক স্ট্যাটাস দেন। তার ফেইসবুক স্ট্যাটাসটি হুবহু তুলে ধরা হলো….
“করোনা পরিস্থিতি মোকাবেলা করতে সারাদেশে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা নিজেদের সবটুকু নিয়ে মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে।

দেশের যেকোন মানবিক বিপর্যয়ে সবার আগে মানুষের সহায়তায় ছাত্রলীগ কাজ করে।

কিন্তু, এই সংগঠনের নেতাকর্মীরা কেমন আছে ?
কে রেখেছে তার খোঁজ ?

কক্সবাজার জেলার যেকোন স্তরে ছাত্রলীগের কোন নেতাকর্মী যদি করোনার মানবিক পরিস্থিতি সামলাতে না পারেন।

কারো পরিবার যদি আর্থিকভাবে কষ্টে পড়ে যায় আমরা মানবিক সহায়তা করবো।

আমরা সবাই সবার জন্যে, ছাত্রলীগ একটি ঐক্যবদ্ধ পরিবার।

করোনার মানবিক পরিস্থিতি কাটিয়ে না ওঠা পর্যন্ত ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা সাধারণ মানুষের জন্যে দিনরাত পরিশ্রম করবে এটাই আমাদের দলীয় শপথ।

তবে, ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের জন্য সামান্য কিছু করাটা আওয়ামী পরিবারের স্বাবলম্বী সদস্যদের দায়িত্বের মধ্যে পড়ে।

কক্সবাজার জেলার যেকোন পর্যায়ের ছাত্রলীগের কোন নেতাকর্মী সঙ্কটে পড়লে যোগাযোগ করবেন। আপনার পরিচয় প্রকাশ করা হবেনা।

এছাড়াও কোন ইউনিটের কেও সঙ্কটে থাকলে স্ব স্ব ইউনিটের সভাপতি/সাধারণ সম্পাদকের মাধ্যমে যোগাযোগ করতে পারবেন।

সাবেক ছাত্রনেতা, আওয়ামী পরিবারে কোন সদস্য কিংবা ছাত্রলীগের বর্তমান নেতৃবৃন্দ আমাদের ফান্ডে সহায়তা করতে পারবেন।

যোগাযোগ:
মইন উদ্দীন, উপ-দপ্তর সম্পাদক,
কক্সবাজার জেলা ছাত্রলীগ।
01611-171272, 01843-171272

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •