ছাত্রলীগ এতিম,ছাত্রলীগের অনেক সন্তান এতিম,ছাত্রলীগের অনেক সন্তান দিনে এনে দিনে খায়, ছাত্রলীগ রাজপথ কে আহার মনে করে,ছাত্রলীগ নিজে না খেয়ে অন্য কে খাওয়ায়,খেটে খাওয়া মানুষ কে খাওয়ায়,প্রত্যেকটি দূর্যোগ মোকাবেলায় দেশের দুর্দিনে ছাত্রলীগ সর্বপ্রথম এগিয়ে আসে অথচ ছাত্রলীগ করা এতিম সন্তানরা খেয়েছে কিনা সে খবর কেউ রাখে না।

ছাত্রলীগ করা সন্তানরা কি ঠিক মতো খেতে পারছে এ দুর্দিনে ?
ছাত্রলীগ করা সব সন্তান কি ধনী?
ছাত্রলীগ করা সন্তান কি গরীব নেই?
ছাত্রলীগ করা সন্তানদের সবার মা-বাবা আছে ?
ছাত্রলীগ করা সন্তানদের জন্য কোন সাহায্য সহযোগিতা আসে??

খুব কষ্ট লাগে একজন ছাত্রলীগ করা ছেলে যখন বলে ভাই বাসায় কিছু নেই,খাবার নেই,কিছু টাকা ধার হবে?!
লজ্জায় খাবার চাইতে পারছে না সেই,এমন শত শত গরিব ছাত্রলীগ নেতা কর্মীর হা হা কার শব্দ কে শোনে..

যে কিনা দিন রাত না খেয়ে রাজপথে ছিল,বাবার বকুনি খেলেও রাজপথের মিছিল মিস করেনি,বাবা মায়ের পকেটের টাকা চুরি করে হলেও রাজপথে অংশ গ্রহণ করেছে সেই ছাত্রলীগ আজ দুর্দিনে না খেয়ে দিন কাটাচ্ছে।
ছাত্রলীগ’রা কারো কাছে সাহায্যও চাইতে পারে না। এবং সাহায্যের জন্য লাইনে ধরতেও পারে না,নিজে না খেয়ে,নিজের পরিবার কে খাবার তুলে না দিয়ে গরিব দুখী মানুষ কে খাবার বিলি করছে এ দুর্দিনে।সেটাই ছাত্রলীগ

আমি একজন কক্সবাজার জেলা ছাত্রলীগের কর্মী হিসেবে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের প্রিয় দুই অভিভাবক সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় ভাই ও সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য দাদা কে অনুরোধ করবো বাংলাদেশের প্রতিটি জেলায় করোনা তহবিল গঠন করা হোক ছাত্রলীগ করা গরিব নেতা কর্মীদের জন্য।
বাংলাদেশে অনেক ছাত্রলীগ করা গরীব সন্তান আছে, অনেক এতিম ভাই বোন আছে,যার মা-বাবা দু’টাকা কামায় করে সন্তান কে লেখাপড়া করায়,ছাত্রলীগ করায়।বাংলাদেশের আনাচে কানাচে হাজারো গরিব মেধাবী ছাত্রনেতা আছে যারা রাজপথে দিন রাত কাটায় মিছিলে-স্লোগানে,রাজপথ কে সুসংগঠিত করে যাদের ছাড়া রাজপথ শূন্য।
প্রিয় অভিভাবক আজ তারা এ দুর্দিনে অসহায়,লজ্জায় কারো কাছে হাত পেতে কিছু চাইতে পারছে না।তাদের মা বাবা ঠিক মতো খেতে পারছে না।আপনারা একটু খোঁজ নিয়ে দেখুন,গরিব ছাত্রলীগের আজ কি অবস্থা

করোনায় সংগঠিত গরিব ছাত্রলীগ নেতা কর্মীদের খাদ্য অভাবের খবর বাংলাদেশ ছাত্রলীগের প্রিয় দুই অভিভাবকদ্বয়ের কাছে পৌছাবে কিনা আমি জানি না

তবে আমার প্রাণ প্রিয় দুই অভিভাবক কক্সবাজার জেলা ছাত্রলীগের কর্ণধার সভাপতি ইশতিয়াক আহমেদ জয় ভাই ও সাধারণ সম্পাদক (ভারপ্রাপ্ত) মোরশেদ হোসাইন তানিম ভাই কে অনুরোধ করবো কক্সবাজার জেলা ছাত্রলীগ’র “করোনা তহবিল” গঠন করার জন্য।
জেলা থেকে শুরু করে ওয়ার্ড পর্যন্ত প্রতিটি গরীব ছাত্রলীগ নেতা কর্মীদের বাসায় খাদ্য সামগ্রী পৌঁছে দেওয়ার জন্য।
দেখবেন “করোনা তহবিল”গঠন করা হলে শত শত বিত্তবানরা সহযোগিতা করবে।

আপনারা দেখিয়ে দিন দুর্দিনে আমাদের পাশে অতীতের ন্যায় বর্তমানও আছেন।
আপনারা বিগত কয়েক দিনে ব্যক্তিগতভাবে হাজারো গরিব খেটে খাওয়া মানুষ কে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেছেন এবং একই ধারাবাহিকতা বজায় থাকুক সেই প্রত্যাশা কিন্তু লিডার একটু খোঁজ নিয়ে দেখুন শত শত গরীব নেতা কর্মী ঠিক মতো খেতে পারছে না।
পরিবার কে খাওয়াতে পারছে না।
এটা ছাত্রলীগের জন্য ব্যর্থতা নয় কি??

আপনাদের সহৃদয় কামনা করছি বিষয়টি বিবেচনা করার জন্য।

আবুল মনছুর
সাবেক সহ-সভাপতি
বাংলাদেশ ছাত্রলীগ
কক্সবাজার সরকারি কলেজ শাখা

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •