আবুল কাশেম,কুতুবদিয়া :

বৃহস্পতিবার সকাল থেকে ইউএনও জিয়াউল হক মীরের দিকনির্দেশনায় উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভুমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো: হেলাল চৌধুরীর নেতৃত্বে নৌ ও পুলিশ বাহিনীর সদস্যরা মাঠে নজরদারি শুরু করেছেন।

করোনাভাইরাস প্রতিরোধে কুতুবদিয়া উপজেলা প্রশাসন সব ধরনের সার্বিক প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে গ্রহণ করা হয়েছে সকল প্রকার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা। বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে দ্বীপের অভ্যন্তরিণ ও বাহ্যিক সকল প্রকার যোগাযোগ ব্যবস্থা।

নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যবাহী যানবাহন ছাড়া অন্য সকল প্রকার যানবাহন চলাচল বন্ধ করা হয়েছে। বিভিন্ন জনগুরুত্বপূর্ণ জায়গায় বসানো হয়েছে ৩০টি হ্যান্ড স্যানিটাইজার ট্যাংক। দ্বীপের গরীব-অসহায় মানুষদের বাড়িতে বাড়িতে বিতরণ করা হয়েছে মাস্ক। অতী দরিদ্র পরিবারের জন্য সরকারিভাবে সাহায্য আসলে তা সঠিকভাবে বিতরণের জন্যও যাবতীয় পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।

বিদেশ ফেরত প্রবাসীদের হোম কোয়ারেন্টাইন নিশ্চিত করা হয়েছে। পাশাপাশি প্রস্তুত রাখা হয়েছে প্রাতিষ্টানিক কোয়ারেন্টাইন। কোয়ারেন্টিনে থাকা ব্যক্তিদের প্রতি রাখা হয়েছে সার্বিক নজরদারি।

সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত ও সরকারি নির্দেশনা বাস্তবায়ন করতে মাঠে রয়েছে কন্টিজেন্ট কমান্ডার আশিকুর রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর সদস্যরা। সাথে রয়েছে বাংলাদেশ পুলিশ কুতুবদিয়া থানার সদস্যরা।

শনিবার (২৮মার্চ) স্থানীয় সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জিয়াউল হক মীর। এসময় উপস্থিত ছিলেন সহকারী কমিশনা (ভূমি) মোহাম্মদ হেলাল চৌধুরী, নৌবাহিনীর কন্টিজেন্ট কমান্ডার আশিকুর রহমান ও এসআই মোসলেম উদ্দিন বাবলু।

এদিকে প্রশাসনের এ্যাকশন শুরু হওয়ার পর কোলাহক পূর্ণ দ্বীপের রাস্তা-ঘাট হয়ে গেছে জনশূণ্য।

একমাত্র ফার্মেসী ছাড়া বাকী সকল প্রকার দোকানপাট বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। অন্যান্য নিত্য প্রয়োজনীয় সেবা সামগ্রীর দোকানকে বেঁধে দেওয়া হয়েছে নির্দিষ্ট সময় সূচি।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জিয়াউল হক মীর বলেন, প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত নিত্য প্রয়োজনীয় (মুদির দোকান,তেল-গ্যাসের দোকান,কাঁচাবাজার,বিকাশ-ফ্লাক্সিলোড ইত্যাদি) দোকান খোলা থাকবে। মাছের বাজার খোলা থাকবে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা পর্যন্ত। নির্দেশ অমান্য করলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এ সময়ের মধ্যে দ্বীপের সাধরণকে প্রয়োজনীয় বাজার সেরে নেওয়ার অনুরোধ করা হয়েছে।

দুইজনকে একসাথে দেখলেই পেঠানো হচ্ছে। পাঠানো হচ্ছে বাড়িতে। ঘরে অবস্থান করার জন্য বাধ্য করা হচ্ছে। প্রয়োজন ছাড়া ঘরের বাইরে না আসার জন্য মাইকিং করা হচ্ছে। র জন্য মাঠে রয়েছে স্থানীয় প্রশাসনের সাথে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর সদস্যরা। এখন প্রয়োজন সকলের সহযোগিতা।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •