এম.জিয়াবুল হক,চকরিয়া :

আওয়ামীলীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষে কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলা ও পৌরসভার প্রতিটি জনপদে করোনা ভাইরাস সংক্রমণে আশঙ্কায় ঘরবন্দি থাকা গরীব মানুষের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণের উদ্যোগ নিয়েছেন চকরিয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ ফজলুল করিম সাঈদী।

কর্মসুচির অংশহিসেবে শনিবার চকরিয়া উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি আলহাজ ফজলুল করিম সাঈদী তাঁর ব্যক্তিগত তহবিল থেকে উপজেলার প্রায় ৩০০ গরীব ও অচ্ছল পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেছেন।

জানা গেছে, করোনা ভাইরাসের প্রভাবের কারণে সরকারি নির্দেশে কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার ১৮টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা এলাকায় ঘরবন্দি হয়ে থাকায় বেশি বেকায়দায় পড়েছেন শ্রমজীবী মানুষগুলো। কাঁচামাল ও মুদির দোকান ছাড়া পৌরশহরের বাণিজ্যিক কেন্দ্র চিরিঙ্গার শতাধিক বিপনী বিতানসহ উপজেলার প্রত্যন্ত জনপদের দোকান-পাটগুলোও বন্ধ রয়েছে গত তিনদিন ধরে। এই অবস্থায় একেবারে ফাঁকা হয়ে গেছে সড়কগুলো। বন্ধ হয়ে গেছে দিনমজুর, রিক্সাচালক, ইজিবাইক টমটম চালকসহ হতদরিদ্র মানুষগুলোর রুটি-রুজির ব্যবস্থা।

মুলত করোনা ভাইরাসের এই পরিস্থিতিতে কর্মহীন হয়ে বাড়িতে বন্দি হয়ে পড়া মানুষ যাতে খাবার নিয়ে কোন সংকটে না পড়েন সেজন্য এখন থেকে প্রতিদিন ৩০০ পরিবারের কাছে নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রী হিসেবে তিন কেজি চাল, দুই কেজি আটা ও এক কেজি করে মসুর ডাল বিতরণের উদ্যেগ নিয়েছেন উপজেলা চেয়ারম্যান ফজলুল করিম সাঈদী।

চকরিয়া উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ফজলুল করিম সাঈদী তাঁর ব্যক্তিগত তহবিল থেকে ত্রাণ সহায়তা হিসেবে প্রতিদিন উপজেলার ৩০০ পরিবারকে এই সামগ্রী পৌঁছে দেওয়ার কাজ শুরু হয়েছে শনিবার থেকে।

চকরিয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সহসভাপতি আলহাজ ফজলুল করিম সাঈদী বলেন, সরকারি নির্দেশনা মোতাবেক আওয়ামীলীগ সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষথেকে শনিবার থেকে প্রতিদিন ৩০০ পরিবারকে খাদ্যসামগ্রী বাড়ি বাড়ি পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে।

আগেরদিন শুক্রবার প্রায় ৫শ জনকে মাস্ক এবং সাবান বিতরণ করা হয়। করোনা সংকটে যতদিন পর্যন্ত পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে না ততদিন পর্যন্ত প্রতিদিন ৩০০ পরিবারকে খাদ্য সহায়তা দেওয়া হবে আমার ব্যক্তিগত পক্ষ থেকে।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •