•  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •  

কালেরকন্ঠ : করোনাভাইরাস মোকাবেলা করতে সরকারি সিদ্ধান্তে চট্টগ্রাম উত্তর জেলার জন্য প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিন করতে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়কে (চবি) বেছে নেওয়া হয়েছে। সেজন্য নির্ধারণ করা হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্মাণাধীন বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হলকে। ইতোমধ্যে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের অনুরোধে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কোয়ারেন্টিনের জন্য হলটি ছেড়ে দিতে সম্মতও হয়েছে।

আজ মঙ্গলবার বিকেলে কালের কণ্ঠকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন চবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. শিরীণ আখতার। সরকারের উচ্চ পর্যায়ের আদেশে আপাদকালীন সময়ের জন্য এমন সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে জানান তিনি। উপাচার্য বলেন, বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হলটি ক্যাম্পাসের এক পাশে অবস্থিত। আমরা কয়েকটি শর্তে প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিন করতে রাজি হয়েছি। জেলা প্রশাসন থেকে জানানো হয়েছে এটির সার্বিক তত্ত্বাবধান করবে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। তবে আমরা বলেছি প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিন সময় যাতে কোনো ব্যক্তির আত্মীয়-স্বজন ক্যাম্পাসে প্রবেশ করতে না পারে। এখানে শুধু বিদেশ ফেরতদের ১৪ দিন রাখা হবে। এছাড়া কেউ আক্রান্ত হলে দ্রুত এখান থেকে সরিয়ে ফেলতে হবে। একইসঙ্গে আপদকালীন সময়ের পরে সেনাবাহিনী পুরো হল স্যানিটাইজ করবে।

এদিকে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে এমন কোয়ারেন্টাইনের ফলে বিশ্ববিদ্যালয়ে বসবাসকারী শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ঝুঁকিতে পড়বেন বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা। তারা বলছেন, শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হলের দক্ষিণে পাশে ১০০ গজের মধ্যে কয়েকশত কর্মচারীর পরিবার বাস করে। এছাড়া ২০০ গজ পূর্বেই শিক্ষকদের আবাসিক কলোনি। তাই সবার আগে এখানে যারা বসবাস করে তাদের স্বাস্থ্য ঝুঁকির দিকটি বিবেচনায় রাখা উচিত ছিল।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. শিরীণ আখতার বলেন, যেহেতু সরকারি সিদ্ধান্ত তাই সাধারণ জনগণের জন্য ডিন ও সিন্ডিকেট সদস্যদের সঙ্গে আলোচনা আমরা রাজি হয়েছি। প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইন করা হলেও কোনো স্বাস্থ্যঝুঁকি নেই।


  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •  
 cbn