শাহেদ মিজান, সিবিএন:
করোনার ভয়ে সৌদি আরব সহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে মসজিদ বন্ধ ও মুসল্লী সীমিত করা হয়েছে। এমনকি মক্কা-মদিনাও বদ্ধ রাখা হয়েছে। বাংলাদেশও করোনার প্রভাব বেশ গুরুতর হয়েছে। তবে বাংলাদেশে এখনো মসজিদ বন্ধ বা মসজিদে মুসল্লী সীমিত করার কোনো নির্দেশ দেয়া হয়নি।
জনসমাগম হওয়ায় বিভিন্ন দেশে মসজিদে না যেতে বারণ রাখা হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে
মসজিদে প্রবেশে ভয় দেখা দিলেও কক্সবাজারে মসজিদে মুসল্লীদের উপস্থিতি আরো বেড়েছে। কক্সবাজারসহ জেলার বিভিন্ন স্থানে সব মসজিদে নিয়মিত মুসল্লীর পাশাপাশি নতুনভাবে অনিয়মিত লোকজন মসজিদে যাচ্ছে।
বিভিন্ন স্থানে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ফজরসহ সব ওয়াক্তে মসজিদগুলোতে মুসল্লীদের উপস্থিতি বেড়েছে। দিনে দিনে উপস্থিতির সংখ্যা বেড়ে চলছে।

এদিকে আলেমরা বলছেন, সকল বিপদে আল্লাহুই শেষ ভরসা। করোনার এই মহামারিতে আল্লাহই মানুষকে রক্ষা করতে পারে। তাই মসজিদ বিমুখ নয়; মসজিদে গিয়েই নিয়মিত পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের সাথে তওবা-ইস্তিগপার করে আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করতে হবে।

কক্সবাজার শহরের কয়েকটি মসজিদে গিয়ে দেখা গেছে, প্রতি ওয়াক্তে মসজিদগুলোতে মুসল্লীদের উপস্থিতি বেশ বেড়েছে। বৃদ্ধদের পাশাপাশি যুবক ও মধ্যবয়সীদের সংখ্যা অধিক বেড়েছে।

বদর মোকাম মসজিদের সহকারী হাফেজ মাওলানা এমদাদ উল্লাহ বলেন, করোনা ভাইরাস পুরো পৃথিবীকে কাবু করে দিয়েছে। এই মহামারি পরিস্থিতিতে আল্লাহর কাছে পানা চাইতে হবে। সুদ, কালোবাজারি, মোনাফাখুরীসহ সকল অপকর্ম থেকে নিজেকে মুক্ত রাখতে হবে। গোনাহের জন্য আল্লাহর কাছে তওবা করতে হবে। ফরজ ইবাদতের পাশাপাশি নফল ইবাদতও করতে হবে।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •