নাইক্ষ্যংছড়ি প্রতিনিধিঃ
প্রাণঘাতী করুনা ভাইরাস নিরোধে জনস্বার্থে রামু উপজেলার কচ্ছপিয়া ইউনিয়নের গর্জনিয়া বাজারের পশুর হাট বন্ধে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নির্দেশ অমান্য করলো বাজারের ইজারাদাররা। এ বিষয়টি নিয়ে ককসবাজার জেলা প্রশাসকের নির্দেশ পালনে গত কাল(২৩ র্মাচ) সোমবার দুপুরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা প্রণয় চাকমা উপজেলার বৃহৎ গর্জনিয়া বাজারে সরেজমিন গিয়ে এ নির্দেশ দিলেও তা মানেননি এসব ইজারাদাররা। ফলে এ নিয়ে এলাকায় সমালোচনার ঝড় বইছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান,ককসবাজারের বড় হাট-বাজার গুলোর মধ্যে রামু উপজেলার গর্জনিয়া বাজার একটি। সম্প্রতি নভেল করোনা ভাইরাস থেকে দেশের মানুষকে বাচাঁতে সরকার নানামূখী পদক্ষেপ গ্রহন করেন। এর মধ্যে হাট-বাজারে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রন,পশুর হাট বন্ধ,জনসমাগম না করা ও অপ্রয়োজনে বাড়ি থেকে বাইরে ঘুরাঘোরী না করা অন্যতম। এরই প্রেক্ষিতে ককসবাজার জেলা প্রশাসক গত ২ দিন আগে
জেলার সকল পশুর হাট বন্ধ ঘোষনা করেন। আর রামু উপজেলা নির্বাহী অফিসার প্রণয় চাকমা তারই ধারাবাহিকতায় গর্জনিয়া বাজারে এসে ইজারাদারকে ডেকে পশুর হাট বন্ধের নির্দেশ দেন সবার সামনে।
এ সময় গোয়েন্দা সংস্থার লোকজন ও বেশ ক’জন গনমাধ্যম র্কমিও ছিলো। গতকাল সোমবার দুপুরে
তিনি ইজারাদার শাহ আলমকে পশুর হাট বন্ধে কঠোরভাবে নির্দেশ দিলেও ইউএনও রামু ঘোষনা দিয়ে ত্যাগ করার সাথে সাথে এ বাজারের সব-ইজারাদাররা তা পালনের পরির্বতে উল্টো বাজার চালু করে দেন।
আর তারা স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা হওয়ায় এসব অমান্য করে ব্যবসা করে আসছেন প্রকাশ্যে।
সচেতন একাধিক ভোক্তা ফরিদুল আলম,ছৈয়দ আলম ও মো: শফিউল আলম বলেন,করোনা ভাইরাস থেকে এখানকার মানুষকে বাচাতেঁ সরকারের যাবতীয় কৌশল মাঠে মারা যাবে কিছু আইন অমান্যকারীদের কারণে। যে গর্জনিয়া বাজারে মিয়ানমারের হাস-মুরগী,গরু-ছাগল বিক্রির আশংকা রয়েছে। আর তার উপর ডিসি স্যারের নির্দেশনাও আছে। কিন্ত চোরে কী কখনো শুনে র্ধমের কাহিনী !
অবস্থা । সরকার,ডিসি-ইউএনও’র নির্দেশ মানেনি এ নেতারা।
এ বিষয়ে ইজারদের সাথে জানতে চাইলে তারা মূখ খুলতে না হলেও এ বিষয়ে ইজারাদার শাহ আলম থেকে জানতে চাইলে তিনি কোন প্রকার সৎউত্তোর দেন নি।
রামু উপজেলা নির্বাহী অফিসার প্রনয় চাকমা বলেন,তাদের বারবার বলার পরও তারা কথা শুনে নি।
এতো মেনে নেয়া যায় না। দেখা যাক কী করা যায়।
উল্লেখ্য গতকাল সোমবার উপজেলা নির্বাহী অফিসার প্রনয় চাকমা গর্জনিয়া বাজারে নানা বিষয়
অভিযান চালিয়ে সিরাজ ও আবু সুফিয়ান নামের ২ মূদী দোকানীকে ৮ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করেন। আর এ অভিযানের ভয়ে বেশ কিছু অসাধু ব্যবসায়ী পালিয়েছে দোকান-পাট বন্ধ করে।
তারা অভিযানের খবর আগে-ভারে পাওয়ার কারণে পালানোর সুযোগ পায় তারা।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •