মুহাম্মদ আবু সিদ্দিক ওসমানী :

আগামী সপ্তাহ খানেকের মধ্যে কক্সবাজার মেডিকেল কলেজে করোনা ভাইরাস (COVID-19) জীবাণু টেস্ট ল্যাব স্থাপন করা হবে ইনশাআল্লাহ। বর্তমানে দেশে ঢাকাস্থ আইইডিসিআর ছাড়া আর কোথাও করোনা ভাইরাস (COVID-19) জীবাণু টেস্ট ল্যাব নেই। বিষয়টি কক্সবাজারের সিভিল সার্জন ডা. মাহবুবুর রহমান সিবিএন-কে জানিয়েছেন।

উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের বরাত দিয়ে তিনি আরো জানান, সরকার জরুরী ভিত্তিতে দেশে আরো ৮ টি করোনা ভাইরাস (COVID-19) জীবাণু টেস্ট ল্যাব স্থাপন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তারমধ্যে বিভাগীয় শহর গুলো এবং অগ্রাধিকার ভিত্তিতে কক্সবাজারে একটি ল্যাব স্থাপন করা হবে। প্রায় ১২ লক্ষ রোহিঙ্গা শরনার্থী, রোহিঙ্গা ক্যাম্প ও মহেশখালীর মেগা প্রকল্প গুলোতে বিদেশি নাগরিকদের অবস্থান, প্রায় ২৩ লক্ষ কক্সবাজারের নাগরিকদের স্বাস্থ্য সুরক্ষার কথা বিবেচনা করে সরকার কক্সবাজারে করোনা ভাইরাস (COVID-19) জীবাণু টেস্ট ল্যাব স্থাপন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সিভিল সার্জন ডা. মাহবুবুর রহমান বলেন, তাঁকে উর্ধ্বতন কতৃপক্ষ জানিয়েছেন, করোনা ভাইরাস (COVID-19) জীবাণু টেস্ট ল্যাব করার সকল যন্ত্রপাতি বিদেশ থেকে ইতিমধ্যে ঢাকায় পৌঁছেছে। কক্সবাজারের ল্যাবটি কক্সবাজার মেডিকেল কলেজের বর্তমান পিসিআর ল্যাবে স্থাপনের পুরোদমে প্রস্তুতি চলছে। ল্যাব চালানোর জন্য প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত অভিজ্ঞ টেকনিশিয়ানও স্টেনবাই রাখা হয়েছে। কক্সবাজারের ল্যাবটি স্থাপনের আগ পর্যন্ত কক্সবাজারের রোগীদের করোনা ভাইরাস (COVID-19) জীবাণু পরীক্ষার জন্য ঢাকার আইইডিসিআর ল্যাবে পাঠানো হবে।

সিভিল সার্জন ডা. মাহবুবুর রহমান বলেন, ২৩ মার্চ পর্যন্ত ২১৪ জনকে করোনা ভাইরাস (COVID-19) প্রতিরোধে হোম কোয়ারান্টাইনে রাখা হয়েছে। কেউ হোম কোয়ারান্টাইন না মানলে তাদের কঠোর আইনের আওতায় আনা হবে। আগামী ২৬ মার্চ থেকে হোম কোয়ারান্টাইন অমান্যকারীদের সরকারিভাবে স্থাপিত প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারান্টাইনে নিয়ে যাওয়া হবে।

তিনি সিবিএন-কে আরো বলেন, চিকিৎসক, নার্স, স্টাফ সহ সংশ্লিষ্ট সকলের জন্য পর্যাপ্ত পিপিই (পারসোনাল প্রটেক্টিভ ইকুইপমেন্ট) ড্রেস এর ব্যবস্থা রয়েছে। আরো পিপিই (ড্রেস) প্রেরণের জন্য স্বাস্থ্য বিভাগের সদর দপ্তরে ইতিমধ্যে চাহিদাপত্রও পাঠানো হয়েছে বলে তিনি জানান।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •