বার্তা পরিবেশক:
কক্সবাজার শহরের বিডিআর ক্যাম্পস্থ এক সংখ্যালুঘু পরিবারের ব্যক্তিমালিকানাধীন জমি জোরপূর্বক দখলের অভিযোগ উঠেছে বাংলাদেশ সাব মেরিন কেবল কোম্পানী লিমিটেড এর কক্সবাজার জোনাল সাব মেরিন কেবল ল্যান্ডিং ষ্টেশনের বিরুদ্ধে। নিজেদের খতিয়ানভুক্ত জমি না হলেও সম্প্রতি সময়ে দখল প্রক্রিয়া ও স্থাপনা নির্মান করেই যাচ্ছে কর্মকর্তা। এই জমি নিয়ে আদালতে বিচারাধীন রয়েছে।
বিভিন্ন কাগজপত্র পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, কক্সবাজার ঝিলংজা মৌজার ৯৬৮৬ খতিয়ানের ৬২২৩,৬২২৪, ৬২২৫ ও ৬২২৯ দাগের পাঁচ দশমিক চার দুই শুন্য শুন্য একর জমি নামজারি হয় কক্সবাজার ঝিলংজা সাব মেরিন কেবল ল্যান্ডিং স্টেশনের নামে। জমি নামজারি হওয়ার পর পুরো জমি বাউন্ডারি করে নেন সাব মেরিন কেবল স্টেশন। কিন্ত সম্প্রতি সময়ে নারায়ন মল্লিক নামে একব্যক্তির অপর দাগ নং ৬২৩৭ এর জমি দখলপূর্বক স্থাপনা নির্মাণ করে যাচ্ছে সাব মেরিন স্টেশনের কর্মকর্তারা। তাদের দখল প্রক্রিয়া বন্ধ করতে না পেরেই আদালতের আশ্রয় নেন নারায়ন মল্লিক। বর্তমানে আদালতে জমিটির বিষয় নিয়ে বিচারাধীন রয়েছে। আদালতে বিচারাধীন থাকার পরও সেখানে স্থাপনা নির্মাণ চলছে। এমনকি আদালত থেকে কারণ দর্শানো নোটিশও প্রদান করা হয়েছে। কোনো প্রকার আইনের তোয়াক্কা না করেই দখল প্রক্রিয়ার পাশাপাশি স্থাপন নির্মাণ অব্যাহত রেখেছে ঝিলংজা সাব মেরিন কেবল ল্যান্ডিং স্টেশনের কর্মকর্তা ও বহিরাগত সন্ত্রাসীরা।
ভুক্তভোগি নারায়ন মল্লিক বলেন, সাব মেরিন কেবলের যে পরিমাণ জমি রয়েছে সেটা তারা তৎকালীন পুরো জমি বাউন্ডারি দিয়ে দিয়েছে বহু বছর আগেই। তাদের নামে সে জমি নামজারি খতিয়ানও হয়েছে। কিন্তু রহস্যজনকভাবে তাদের বাউন্ডারীর বাইরে এসে আমার ব্যক্তি মারিকানাধীন ওরা দখল করে নিচ্ছে। নামজারিতে সবকিছু উল্লেখ আছে। তাদের দাগ নং এবং আমার জমির দাগ নং আলাদা। কোনো কিছুই ছাড়া তারা কেমনে আমার জমির উপর স্থাপনা নির্মাণ শুরু করে। উভয়ের দাগ নাম্বারও আলাদা। যদি একই দাগের জমি হলে একটা বিষয় ছিল। জোরপূর্বক বহিরাগত সন্ত্রাসী দিয়ে আমার দাগে এসে আমার জমি দখল করে নেন।
নারায়ন আরো বলেন, দিনের মতো পরিস্কার জায়গা আমার। আয়নার মতো পরিস্কার উভয় পক্ষের কাগজপত্র। তারা কেমনে পারে ব্যক্তি মালিকানাধীন জমি দখল করতে। তাও আবার বহিরাগত সন্ত্রাসী দিয়ে। আগেত এমন করেনি কোনো কর্মকর্তা। সম্প্রতি একজন কর্মকর্তা যোগদান করেই আমার জমি দখল করে স্থাপনা নির্মাণ করছে। এটা ক্ষমতা অপব্যবহার করে জোরপূর্বক দখল। আদালতের আদেশও মানছে না তারা। এতে আমি অসহায় হয়ে পড়েছি। প্রকাশ্যে বাধা দেওয়ার সাহসও পাচ্ছি না। এবিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছি দ্রুত সময়ে।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •