ইমরান আল মাহমুদ,উখিয়াঃ
কক্সবাজার জেলার রোহিঙ্গা অধ্যুষিত উখিয়া-টেকনাফের বিভিন্ন রোহিঙ্গা ক্যাম্পে কর্মরত রয়েছে হাজার হাজার চাকুরীজীবী। এসব চাকুরীজীবীদের অধিকাংশই বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলার বাসিন্দা। তারা কক্সবাজারের বিভিন্ন জায়গায় বাসা ভাড়া নিয়ে থাকেন।সম্প্রতি বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়া করোনা ভাইরাসের ফলে উন্নত দেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে জরুরী অবস্থা জারি করা হয়েছে।
এমন করুণ অবস্থায় বাংলাদেশের মাদারীপুরের শিবচর উপজেলা লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে।রাজশাহী থেকে বাস চলাচলও বন্ধ রাখা হয়েছে।তাছাড়া বিভিন্ন স্কুল কলেজ, মাদ্রাসাসহ সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান,পর্যটন কেন্দ্র, হোটেল মোটেল , সভা সমাবেশ,রাজনৈতিক, সামাজিক,সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানও বন্ধ ঘোষণা করেছে সরকার।সব মিলিয়ে এক ভয়াবহ পরিস্থিতিতির সম্মুখীন বাংলাদেশ।উদ্বেগ উৎকন্ঠায় দিন কাটছে সবার।
তবে এমন ভয়াবহ অবস্থায় কক্সবাজারের বিভিন্ন জায়গায় বাসা ভাড়া নিয়ে অবস্থান করা দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের লোকজনের চলাফেরা নিয়ে সন্দেহের সৃষ্টি করেছে স্থানীয়দের।কক্সবাজারের বিভিন্ন উপজেলার বাজারে,শপিংমলে তাদের উন্মুক্ত চলাফেরা অব্যাহত থাকায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে স্থানীয়রা ।তাদের নিজ গ্রামে যাওয়া আসা আর পুনরায় ভাড়া বাসায় অবস্থান করার ফলে করোনা ভাইরাস সংক্রমণের আশংকা রয়েছে।রোহিঙ্গা ক্যাম্প থাকায় কক্সবাজারের বিভিন্ন এলাকায় দেশি-বিদেশী লোকজনের আসা যাওয়াও বেড়ে গেছে।ফলে তাদের উন্মুক্ত চলাফেরাতে ভাইরাস সংক্রমণ হতে পারে বলে মনে করে স্থানীয়রা।স্থানীয়দের মতে,রোহিঙ্গা ক্যাম্পে সাহায্য সহযোগিতা প্রদানকারী বিভিন্ন এনজিও সংস্থায় কর্মরত দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের চাকুরিজীবীরা কর্মস্থলে বিদেশিদের সংস্পর্শে থাকে।তবে বাংলাদেশে ছড়িয়ে পড়া এই ভাইরাসের ফলে লকডাউন করা উপজেলা ও ঝুকিপূর্ণ জেলার অনেক বাসিন্দা কক্সবাজারের বিভিন্ন উপজেলা বিশেষ করে কক্সবাজার,রামু, উখিয়া ও টেকনাফের বিভিন্ন স্থানে ভাড়া বাসায় অবস্থান করছে।
তাই ইতিমধ্যে রোহিঙ্গা ক্যাম্প লকডাউনসহ ক্যাম্পে কর্মরত এসব চাকুরিজীবীদের কোয়ারেন্টাইনে অবস্থান নিশ্চিতের দাবি জানান স্থানীয়রা।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •