এম ফেরদৌস উখিয়া:
করোনা মহামারী আকার ধারন করেছে ইতোমধ্যেই বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে পড়া এ প্রানঘাতি ভাইরাস নিয়ে দেশের অর্থনৈতিক, সামাজিক, রাজনৈতিক, পর্যটক,জনসমাগম থেকে বিরত থাকার নির্দেশনা দিয়ে যাচ্ছে প্রতিটি দেশের স্থানীয় স্বাস্থবিভাগ ।

এরই ধারাবাহিকতায় আমাদের বাংলাদেশেও অনেকটা ছড়িয়ে যাচ্ছে এই করোনা,যার কারণে সরকার এই মহামারী ঠেকাতে কঠোর সিদ্ধান্ত গ্রহন করেন। সরকারী বেসরকারী সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ৩১ মার্চ পর্যন্ত বন্ধ ঘোষনা করেন। প্রত্যেক পর্যটন এলাকাকে নিষেধাজ্ঞা দিয়ে গন সমাভেশ-সভা না করার জন্য সরকারী নির্দেশনা জারি করেন।

এদিকে সরকার কঠোরভাবে করোনা ঠেকাতে সারা দেশে পদক্ষেপ নিলেও এখনো উখিয়া-টেকনাফের রোহিঙ্গা ভিত্তিক এলাকায় করোনা মোকাবিলার কোন সু-ব্যবস্থা গ্রহণ করা হইনি বলে দাবি উটে । সব থেকে করোনার ঝুকিতে রয়েছে রোহিঙ্গা ক্যাম্প কারণ করোনা প্রধানত ছোঁয়াছে রোগ এ রোগ জনবহুল এলাকায় বেশিরভাগ সৃষ্টি হচ্ছে এর পরিপ্রেক্ষিতে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বসবাস করে ১২ লক্ষের বেশি মানুষ গাদাগদি করে জীবন যাপন করে যাচ্ছে।

রোহিঙ্গাদের পার্শ্ববর্তী এলাকা বাসীর ভয়ে এখন চরমে তাদের এই মহামারী থেকে বাচাতে না পারলে সবচাইতে বেশি ঝুঁকিতে থাকবে বলে মনে করেন স্থানীরা।

উখিয়া টেকনাফে প্রতিদিন অগনিত বিদেশী এনজিওর কর্মী যাতায়ত করে যাচ্ছে ক্যাম্প ছাড়া তারা উখিয়ার হাটবাজারে খোলামেলা ভাবে চায়ের দোকান, দামি রেষ্টুরেন্টে সবখানে গিয়ে জনগনের সাথে মিশে বেড়াচ্ছে।

সরকারের এত পদক্ষেপ গ্রহণ করলেও রোহিঙ্গা ক্যাম্পে কর্মরত বিদেশী এনজিও ভিত্তিক কার্যক্রম বন্ধ হচ্ছে না বলে জানায় স্থানীরা।আতংকে দিনযাপন করে যাচ্ছে রোহিঙ্গাভিত্তিক পার্শ্ববর্তী এলাকার মানুষ।

অন্যদিকে,রোহিঙ্গা ক্যাম্পে সকল শিক্ষা লার্নিং সেন্টার বন্ধ ঘোষনা করলেও অনেক ক্যাম্পে প্রতিনিয়তে গনজমায়তে এনজিওর পরিচালনায় এ প্রতিষ্ঠান গুলো চলমান অব্যহত রয়েছে বলে জানান স্থানীয় যুবক ইমরান।

তথ্য সুত্রে জানা যায়, রোহিঙ্গা ক্যাম্পে নেটওয়ার্ক সমস্যার প্রভাবে করুনা নিয়ে সঠিক তথ্য জানেন বলে দাবি করেন উখিয়া টেকনাফের জনগন।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •