আবুল কালাম ,চট্টগ্রাম :

চট্টগ্রামের ১১ নং দক্ষিণ কাট্টলী ওয়ার্ডে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত কাউন্সিলর প্রার্থী ইসমাইল হোসেন ও আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী প্রার্থী বর্তমান কাউন্সিলর মোরশেদ আক্তার চৌধুরীর কর্মী-সমর্থকদের মাঝে প্রতিপক্ষের হামলায় নিহত যুবলীগ কর্মী আনোয়ার জহির তানভির (৪২) খুনের ঘটনায় ২১ জনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) সকালের দিকে নিহত তানভিরের ভাই তৌফিক জহির বাদি হয়ে নগরীর পাহাড়তলী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

এদিকে বুধবার ১৮ মার্চ গভীর রাতে অভিযান চালিয়ে ঘটনার সাথে জড়িত দুইজনকে গ্রেফতার করেছে পাহাড়তলী থানা পুলিশ।

এসময় মামলার ২ নং আসামি নেছারের ঘর থেকে ঘটনায় ব্যবহৃত একটি ছুরি উদ্ধার করে পুলিশ।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন- মো. সোহেল (৩৮) এবং মোশাররফ হোসেন প্রকাশ জনি (৩৩)। তারা দুজন কাজির দিঘি এবং বনিক পাড়ার। এর মধ্যে সোহেল মামলার ১ নম্বর আসামি এবং জনি ৩ নম্বর আসামি।

মামলা এবং গ্রেফতারের বিষয়ে পাহাড়তলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাইনুর রহমান। বলেন, গ্রেফতার দুজনই তানভির হত্যার সময় ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিল। বাকিদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে। আশা করি দ্রুত সবাইকে গ্রেফতারে সক্ষম হবো।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও পাহাড়তলী থানার উপ-পরিদর্শক পলাশ চন্দ্র ঘোষ বলেন, ঘটনার পর থেকেই সংশ্লিষ্ট এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয় এবং জড়িত দুইজনকে গ্রেফতার করা হয়। মামলার ২ নম্বর আসামি নেছারের কাছ থেকে ঘটনায় ব্যবহৃত ছুরিটি উদ্ধার করা হয়। তবে সে পলাতক রয়েছে। সে এবং অন্যদের গ্রেফতারে অভিযান চলমান থাকবে।

মোরশেদের অনুসারীরা বলছেন, ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি ও আওয়ামী লীগ মনোনীত কাউন্সিলর প্রার্থী মোহাম্মদ ইসমাইলের অনুসারীরাই তানভিরকে কুপিয়ে হত্যা করেছে।

মামলার বাদী ও তানভিরের ভাই তৌফিক জহির জানান, ঘটনার সাথে জড়িত আসামিদের দ্রুত গ্রেফতার করে বিচার নিশ্চিতে সহযোগিতা চান।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •