প্রেস বিজ্ঞপ্তি:

কক্সবাজার শহরের বাসটার্মিনালস্থ শক্তি মোটরস শো-রুমে লুটপাট ও দখল করে রাখার বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা না নেয়া উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ কক্সবাজার শহর শাখার নেতৃবৃন্দ। তিনদিন পেরিয়ে গেলেও সশস্ত্র ভাড়াটে লোকজন নিয়ে আবদুল করিম সিকদার কর্তৃক এই জঘন্য ও বেআইনী ঘটনার কোনো ব্যবস্থা নেয়নি সংশ্লিষ্ট প্রশাসন। এই ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদও জানিয়েছে হয়েছে পূজা উদযাপন পরিষদের এক বিবৃতিতে।

বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ কক্সবাজার শহর শাখার সভাপতি বেন্টু দাশ ও সাধারণ সম্পাদক মিটুন কান্তি দে বলেছেন, শক্তি মোটরস শো-রুমের মালিক উজ্জ্বল সেন একজন শহীদ মুক্তিযোদ্ধার সন্তান এবং ব্যক্তিগতভাবে সরল, সজ্জন, আইন মান্যকারী এবং সমাজের সুশীল শ্রেণির প্রতিনিধি। তার সরলতা ও সংখ্যালঘু হওয়ার সুযোগকে অপব্যবহার করে জমির মালিক আবদুল করিম সিকদার সম্পূর্ণ বেআইনীভাবে সশস্ত্র লোকজন নিয়ে সন্ত্রাসী কায়দায় শক্তি মোটরস শো-রুমে হামলা করে নগদ টাকা ও মালামাল লুট করে শো-রুমটি দখল করে রেখেছে।

আমরা অবগত হয়েছি, আবদুল করিম সিকদার থেকে অনৈতিক সুবিধা নিয়ে প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট লোকজন এই জঘণ্য ঘটনা সংঘটনকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছে না। এতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দৃষ্টান্ত স্থাপনকারী বাংলাদেশে একজন শহীদ মুক্তিযোদ্ধার সন্তান শুধু সংখ্যালঘু হওয়ার কারণে বিচার পাচ্ছে না বলে প্রতীয়মান হচ্ছে। এটা সাংবিধানিক অধিকারকেও ক্ষুন্ন করছে।

অন্যদিকে আবদুল করিম সিকদার একজন প্রতারক। ইতোপূর্বে প্রতারণা মামলায় তার সাজাও হয়েছিলো। বর্তমানে এই আবদুল করিম সিকদার নানাভাবে প্রতারণামূলক জঘন্য কর্মকান্ডের সাথে জড়িত রয়েছে। এমন একজন ব্যক্তির পক্ষ নিয়ে একজন শহীদ মুক্তিযোদ্ধার সন্তানের উপর হওয়া ব্যবসায়িক নির্যাতনের বিচার না পাওয়া সত্যিই দুঃখজনক। আমরা উজ্জ্বল সেনের উপর হওয়ার এই জুলুমের দ্রুত ব্যবস্থা দাবি করছি। তা না হলে এই জুলুমের বিচার পাওয়ার জন্য আমরা রাজপথে আন্দোলনে নামবো।

প্রসঙ্গত,গত শুক্রবার গভীর রাতে বকেয়া ভাড়ার মিথ্যা দাবি করে জমির মালিক আবদুল করিম সিকদার সশস্ত্র ভাড়াটে লোকজন নিয়ে বিশিষ্ট ব্যবসায়ী উজ্জ্বল সেনের মালিকানাধীন শক্তি মোটরস শো-রুমের হামলা চালিয়ে ৩০/৩২ লাখ টাকাসহ অন্তত ৮০লাখ টাকার মালামাল লুট করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন শক্তি মোটরসের মালিক উজ্জ্বল সেন।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •