মুহাম্মদ আবু সিদ্দিক ওসমানী :

কক্সবাজার জেলায় এখনো করোনা ভাইরাস জীবাণুবাহী কোনো মানুষ সনাক্ত হয়নি। জেলার সার্বিক পরিস্থিতি সম্পূর্ণ স্বাভাবিক রয়েছে। উদ্বিগ্ন ও আতংকিত হওয়ার কোন কারণ নেই। কক্সবাজার জেলা প্রশাসন ও জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ করোনা ভাইরাস রোগী সনাক্ত হলে তাদের চিকিৎসায় প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নিয়েছে। সংশ্লিষ্ট বিভাগকে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় রাখা হয়েছে। বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্ত, টেকনাফ স্থলবন্দর, কক্সবাজার বিমানবন্দরেও প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ কার্যকর রয়েছে। উখিয়া-টেকনাফের রোহিঙ্গা শরনার্থী ক্যাম্পগুলোতেও সেখানে কর্মরত আইএনজিও ও এনজিও সমুহের সহায়তায় করোনা ভাইরাস বিষয়ে সব ধরনের প্রাক প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে। জেলা প্রশাসকের কার্যালয় ও সিভিল সার্জন অফিসে জরুরি নিয়ন্ত্রণ কক্ষ খোলা হয়েছে। করোনা ভাইরাস জীবাণু আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসায় রামু ও চকরিয়াতে ৫০ শয্যা করে ১ শ’ শয্যার হাসপাতাল প্রস্তুত করে রাখা হয়েছে।

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধ সংক্রান্ত কক্সবাজার জেলায় কি কি পদক্ষেপ নিয়েছেন-এমন প্রশ্নের জবাবে কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মোঃ কামাল হোসেন সিবিএন-কে এসব তথ্য জানান।

তিনি বলেন, এ অবস্থায় করোনা ভাইরাস নিয়ে কোন ব্যক্তি বা মহল অহেতুক গুজব ছড়ালে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মোঃ কামাল হোসেন। তিনি কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের পেইজবুক পেইজে প্রদত্ত এক বার্তায় গুজবে কান না দিয়ে করোনা ভাইরাস সম্পর্কে সকলকে সচেতন হওয়ার জন্য অনুরোধ জানিয়েছেন।

নিন্মে জেলা প্রশাসনের পেইজবুক পেইজে প্রদত্ত গণসচেতনতামূলক বার্তাটি হুবহু তুলে ধরা হলো :

“করোনা নিয়ে গুজব নয়। গুজব ছড়ালে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
গুজবে কান না দিয়ে সচেতন হোন।”

জেলা প্রশাসক মোঃ কামাল হোসেন সিবিএন-কে আরো বলেন, করোনা ভাইরাস প্রতিরোধ সংক্রান্ত জেলা ও উপজেলা কমিটি সমুহ সক্রিয়ভাবে নিয়মিত কাজ করছে। বিশেষজ্ঞদের উদ্বৃতি দিয়ে জেলা প্রশাসক মোঃ কামাল হোসেন বলেন, তাপমাত্রা ক্রমান্বয়ে বাড়তে থাকায় কক্সবাজার সহ সারাদেশে করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার আশংকা আর খুব একটা নেই। এছাড়া স্বাস্থ্য বিভাগের সদর দপ্তর থেকেও করোনা ভাইরাস সংক্রান্ত ২৪ ঘন্টা খোঁজ খবর রাখা হচ্ছে এবং নিয়মিত বিশেষজ্ঞদের দিক নির্দেশনা ও করণীয় জেলায় পাঠানো হচ্ছে।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •