সিবিএন ডেস্ক :

নাইট উপাধিপ্রাপ্ত স্যার ফজলে হাসান আবেদকে বাঙালি জাতির অহংকার হিসাবে আখ্যায়িত করে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্ণর ও বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ড. আতিউর রহমান বলেন, দারিদ্র্য বিমোচনে তার ভূমিকা দেশের মানুষ চিরকৃতজ্ঞচিত্তে স্মরণ করবে। বিশ্বেও তিনি মডেল।

বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) শাহবাগের কেন্দ্রীয় পাবলিক লাইব্রেরীর ভিআইপি লাউঞ্জে স্বাধীনতা সংসদ আয়োজিত “প্রান্তজনের আর্থ সামাজিক ও শিক্ষা বিস্তার এবং একজন স্যার ফজলে হাসান আবেদ”-শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, স্যার ফজলে হাসান আবেদ বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে এক অবিস্মরণীয় অবদান রেখেছেন। বিভিন্ন গ্রামীণ উন্নয়নের ক্ষেত্রে, বিশেষ করে নারীদের উন্নয়ন; দরিদ্র মানুষের উন্নয়ন ও শিক্ষার ক্ষেত্রে যে ভূমিকা পালন করেছেন, মানুষ তা মনে রাখবে।

তিনি আরো বলেন, স্যার ফজলে হাসান আবেদ ছিলেন বিশ্বের বিরল স্বপ্নদ্রষ্টাদের অন্যতম। তার প্রবল দূরদর্শী নেতৃত্বগুণ ছিল। দারিদ্র্য বিমোচনসহ এ দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে তার অবদান অপরিসীম। তিনি নীতিতে অটল থেকে নীরবে দেশের সেবা করে গেছেন।

সাউথ উষ্ট ইউনিভার্সিটির উপদেষ্টা ও সাবেক ভিসি অধ্যাপক ড. আ ন ম মেশকাত উদ্দিন বলেন, স্যার ফজলে হাসান আবেদ ছিলেন বাংলাদেশের উন্নয়নের পালাবদলের অন্যতম পথদ্রষ্টা। বাংলাদেশের নারী-পুরুষের সমতা প্রতিষ্ঠা ও ধনী-দরিদ্র বৈষম্য নিরসনের সামাজিক আন্দোলনের তার অবদান অপূরণীয়।

তিনি বলেন, স্যার ফজলে হাসান আবেদ অসাধারণ দায়িত্ববোধ ও নিরলস শ্রমের এক অবিস্মরণীয় ও অনুকরণীয় ব্যক্তিত্ব। দেশ ও দেশের বাইরে দরিদ্রবান্ধব বেসরকারি উন্নয়নে তিনি ছিলেন অন্যতম প্রাণপুরুষ। স্যার ফজলে হাসান আবেদ ছিলেন শ্রেষ্ঠতম সামাজিক উদ্ভাবকদের একজন।

সংগঠনের উপদেষ্টা ও উন্নয়ন কর্মী বীর মুক্তিযোদ্ধা কে.এস.এন.এম জহুরুল ইসলাম খানের সভাপতিত্বে ও মো. মঞ্জুর হোসেন ঈসা’র সঞ্চালনায় আলোচনায় অংশগ্রহন করেন ব্র্যাকের সাবেক পরিচালক সুখেন্দ্র কুমার সরকার, ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধক্ষ এস এন কৈরী, সংগঠনের মহাসচিব সাহেদ আহমেদ প্রমুখ।

উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ন্যাপ মহাসচিব এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়া, শেরে বাংলা গবেষনা পরিষদের মহাসচিব আর কে রিপন, হামিদা খাতুন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান লেখক হামিদা খানম, সংগঠনের নাদিয়া জাহান সুলতানা মুন, সাংবাদিক সালামা আক্তার।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •