বুধবার (৪মার্চ) দৈনিক সমুদ্রকন্ঠ পত্রিকায় “ইয়াবা হোটেল বয় থেকে হোটেল মালিক বনে যান ট্যুরিস্ট কমিউনিটি পুলিশিং সভাপতি মুকিম খান” শীর্ষক সংবাদটি আমাদের দৃষ্টিগোচর হয়েছে। উক্ত শিরোনামে সংবাদটি সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্য প্রণোদিত। শুধু মাত্র আমাদের মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মুকিম খাঁনসহ পর্যটন শিল্পে বিকাশে যারা উদ্যেক্তা রয়েছি আমাদের সুনাম ও ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করার লক্ষে একটি পক্ষের অপপ্রয়াস। এছাড়া ইয়াবার বিষয়টি বর্তমানে স্পর্শকাতর হওয়াতে শুধুমাত্র রংছিটানো মিথ্যা নিউজের মাধ্যমে পাঠক আকৃষ্ট ও হলুদ সাংবাদিকতার আশ্রয় নেওয়া মাত্র।
প্রকৃত ঘটনা সম্র্পকে আমাদের বক্তব্য হলো, আমরা যে জেলা থেকে আসি না কেন, আমাদের পরিচয় আমরা বাংলাদেশি। এ দেশের যে কোন মানুষ যে কোন জেলায় গিয়ে ব্যবসা বাণিজ্য করার সব নাগরিকের অধিকার রয়েছে। এরই ধারবাহিকতায় আমাদের সমিতির সাধারণ সম্পাদক মুকিম খাঁন প্রায় ২০ বছর ধরে কক্সবাজার পর্যটন খাতের বিকাশে সুনামের সাথে ব্যবসা বাণিজ্য করে আসছে। আমরা এ এলাকার স্থায়ী ও প্রতিষ্ঠিত পর্যটন ব্যবসায়ী হয়েও তাকে সমিতির সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত করেছি। এছাড়াও তিনি স্কুল মাদ্রাসা থেকে শুরু করে ভিবিন্ন প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বেও রয়েছে। এছাড়া ইয়াবা নিয়ে র‍্যাব এর হাতে আটক হয়েছে বলে উল্লেখ করেছে এটিও একটি মিথ্যা সংবাদ। সে সময় হোটেলে থাকা এক বোর্ডারের সাথে এ ঘটনা ঘটেছিল। ওখানে মুকিমের কোন সম্পৃক্ততা ছিলো না। পাশাপাশি দীর্ঘ দিন আন্র্Íজাতিক মানের সংগঠন “এপেক্স ক্লাব” এরও দীর্ঘ দিন সভাপতির দায়িতেও্ব ছিলো সে। এছাড়া বর্তমানে রেইন ভিউ নামের যে হোটেলটি রয়েছে তিনি এটির পরিচালক। এ হোটেলটির মালিকানায় একজন সাবেক ডিআইজিসহ আরো কয়েকজন পার্টনার রয়েছে। এছাড়া তিনি একজন সম্ব্রান্ত পরিবারে ছেলে। তার বাবা একজন বাংলাদেশের বিখ্যাত মৌলানা ও ডাক্তার ছিলেন। যদি সমাজে একজন মানুষের কতুটুকু গ্রহণ যোগ্যতা থাকলে তাকে এসব সংগঠনের নেতেৃত্বে ও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বে মনোনিত করা যায়, প্রিয় পাঠক এটার বিবেচনা আপনাদের। এছাড়া “টুরিস্ট কমিউনিটি পুলিশ” কাউকে কি দায়িত্বে রাখবে সেটা পুলিশের উর্ধ্বতন কতর্ৃপক্ষের বিষয়। এছাড়া ওখানে যদি কারো বিরুদ্ধে দেশ ও সমাজ বিরোধী কোন অভিযোগ থাকলে তাকে বাদ দিবে পুলিশ। প্রয়োজনে কমিটি বাতিল করবেও পুলিশ। কিন্তু প্রশ্ন হলো উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে আমাদের সমিতির সাধারণ সম্পাদকের ব্যাপারে ডাহা মিথ্যা সংবাদ পরিবেশন করে মানুষের সামাজিক ও ব্যক্তি চরিত্র হনন করা নয় কি? এভাবে যদি হলুদ সাংাবাদিকথা চর্চা হয় তাহলে একদিকে যেমন এ মহান পেশার প্রতি মানুষের আস্তা ও সম্মান দিন দিন উঠে যাবে তেমনি এতে এতে রাষ্ট ও দেশ-সমাজের ক্ষতি বয়ে আনতে পারে যে কোন সময়।

এব্যাপারে আমি মুকিম খাঁনের বক্তব্য– পুলিশের পাশাপাশি ট্যুরিস্ট এর নিরাপত্তা ও সেবা প্রদানের জন্য “টুরিস্ট কমিউনিটি পুলিশ”। এ কমিটিতে কাউকে দায়িত্বে রাখবে না রাখবে সেটা পুলিশের উর্ধ্বতন কর্তর্ৃপক্ষের বিষয়। কমিটিতে স্থান পাওয়া কারো ব্যাপারে কোন অভিযোগ থাকলে তাকে অবশ্যয় হবষ্কিার করবে। সেটা আমি হলেও আমাকেও। প্রয়োজনে পুরো কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করবে এবং তা করছেও। কিন্তু সম্পূর্ণ উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে আমার ব্যাপারে ভূয়া ও মিথ্যা প্রতিবেদন করেছে। যেটা সম্পূর্ণ আইন বর্হিভূত ও হলুন সাংবাদিকতার পর্যায়। আমরা এ মিথ্যা সংবাদের তিব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে করা সংবাদের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনসহ কাউকে ভিভ্রান্ত না হওয়ার অনোরোধ জানাচ্ছি। পাশাপাশি সাংবাদিক ভাইদের প্রতি সুষ্ট বিচার প্রার্থনা করছি। অন্যতাই এ মিথ্যা সংবাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণে আমরা বাধ্য হবো।

প্রতিবাদকারী
খসরু চৌধুরী ও সদস্য বৃন্দ
কলাতলি মেরিনড্রাইভ হোটেল রিসোর্ট মালিক সমিতি

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •