গত ২৮ ফেব্রুয়ারী দৈনিক সকালের কক্সবাজার পত্রিকার প্রথম পৃষ্ঠায় মহেশখালী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক জাফর আলমের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের তীব্র প্রতিবাদ শিরোনামটি আমাদের দৃষ্টিগোচর হয়েছে।
সংবাদে প্রতিবাদকারী হিসেবে আমাদের নাম ব্যবহার করা হয়েছে। অথচ উক্ত প্রতিবাদ ও সংবাদ সম্পর্কে আমরা অবগত নই। যেটি আমাদের নাম ব্যবহার করে অপপ্রচারের শামিল।
আমরা দৃঢ়তার সাথে ঘোষণা করছি, বর্তমান সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা অত্যন্ত দৃঢ়তা, দক্ষতা ও সফলতার সাথে দেশ পরিচালনা করছেন। তারই ধারাবাহিকতায় দল গোছানোর ক্ষেত্রে দলের ভিতরে শুদ্ধি অভিযান চলছে। প্রধানমন্ত্রীর হাতকে শক্তিশালী করতে তৃণমূলের কাউন্সিলরদের সরাসরি ভোটে ওয়ার্ড সভাপতি, সম্পাদক নির্বাচিত হচ্ছে। ব্যক্তিগত কোন বিষয় দলীয় ইস্যুতে পরিণত করা, কোন পক্ষকে অপমান বা ঘায়েল করা অথবা কোন ব্যক্তি বা পক্ষের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানো রাজনৈতিক শিষ্টাচার বহির্ভূত। উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদকের বিরুদ্ধে কেউ নিউজ করলে বা অপপ্রচার চালালে সেটি উপজেলা নেতৃবৃন্দ বিবেচনা করবেন। কিস্তু আমাদের নাম ব্যবহার করে কেউ ফায়দা লুটতে চাওয়া শাক দিয়ে মাছ ঢাকার শামিল।
আমরা সতর্কতার সাথে আরও পরিলক্ষিত করছি যে, গত ২৪ ফেব্রুয়ারী একই পত্রিকায় ‘স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা তাণ্ডব থেকে রেহাই পাচ্ছে না’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদটিও আমাদের দৃষ্টিগোচর হয়েছে। মূলতঃ হোয়ানক মৌজার আর এস-৫০ খতিয়ানের জমি নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ চলে আসছিল, যা বর্তমান আদালতে বিচারাধীন। যা দুই পক্ষের সম্পূর্ণ একান্ত ব্যক্তিগত বিষয়। এখানে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের কোনো সম্পৃক্ততা থাকার বিষয় নাই। তাই ২৮ ফেব্রুয়ারি দৈনিক সকালের কক্সবাজার পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের বক্তব্য আমাদের বক্তব্য নয়। আমরা তা প্রত্যাহারসহ প্রতিবাদের তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

প্রতিবাদকারী
১. আসান উল্লাহ বাচ্চু, সাংগঠনিক সম্পাদক, মহেশখালী উপজেলা আওয়ামী লীগ
২. মোঃ আব্দুল গফুর, সাধারণ সম্পাদক, ৬ নং ওয়ার্ড, হোয়ানক ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ
৩. মোঃ জাহাঙ্গীর আলম, সাধারণ সম্পাদক ২ নং ওয়ার্ড, হোয়ানক ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •