সংবাদদাতা
রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বেপরোয়া হয়ে উঠেছে দালাল রশিদ। মায়ানমার থেকে অনুপ্রবেশকারী এই রশিদের বিভিন্ন সন্ত্রাসী কর্মকান্ডে রোহিঙ্গা শিবিরের স্বাভাবিক পরিবেশ বিষিয়ে উঠেছে বলে জানা গেছে। মাদক ও মানব পাচার, ভয়ভীতি দেখিয়ে সাধারন রোহিঙ্গাদের কাছ থেকে টাকা আদায় ও নির্যাতন করে বলে জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।
প্রাপ্ত তথ্যে প্রকাশ, রশিদ দীর্ঘদিন যাবৎ টেকনাফের ডাকাত নূরুল আলমের সহযোগী হিসাবে কাজ করে। বিগত ৮ মাস আগে ডাকাত নূরুল আলম র‌্যাবের সাথে বন্দুকযুদ্ধে নিহত হলে ডাকাত রশিদ গা ঢাকা দিয়ে লম্বাশিয়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আশ্রয় নেয়।
পরে লম্বাশিয়া এসে বিভিন্ন অপরাধে জড়িয়ে পড়ে সে। সাধারন রোহিঙ্গাদের থেকে টাকা আদায়, মাদক ও মানব পাচার এবং তার আরো বহুবিধ সন্ত্রাসী কাজের ফলে রোহিঙ্গা শিবিরের স্বাভাবিক পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে। তার এসব কর্মকান্ডে বাধা দিলে কিছুদিন আগেও আইয়ুব নামক এক রোহিঙ্গাকে বেধড়ক মারধর করে রশিদ।
রোহিঙ্গা বিধবা জাহানারা জানান, দালাল রশিদের এসব অপকর্মের প্রতিবাদ করলে বিভিন্নভাবে হয়রানি করে। অনেক সময় সোর্সের মাধ্যমে আইন শৃংখলা বাহিনীকে মিথ্যা তথ্য দিয়ে বিভ্রান্ত করার মাধ্যমেও রোহিঙ্গাদের হয়রানী করে আসছে রশিদ।
রোহিঙ্গা মাঝি আবদুল মজিদ জানান, বিভিন্ন সময় আইন শৃংখলা বাহিনীর সোর্স হিসাবেও নিজকে জাহির করে এ রশিদ। তার রকমারী অপকর্মের কারনে ক্যাম্পের স্বাভাবিক পরিবেশ বিঘ্নিত হচ্ছে বলে জানিয়েছেন সাধারন রোহিঙ্গারা।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •