বার্তা পরিবেশক:

উখিয়া উপজেলার পালংখালী ইউনিয়নের পাহাড়ি এলাকা পশ্চিম থ্যাইংখালীতে কোটি টাকা ব্যয় করে সরকার সামাজিক বনায়ন সৃজন করেছেন।বনায়ন রক্ষা ও দরিদ্র জনগোষ্টীকে স্বাবলম্বী করার স্বার্থে নিজ-নিজ এলাকার লোকজনের মাঝে যাচাই-বাচাই করে চুক্তির মাধ্যমে কতৃপক্ষ বনায়নের অংশিদারিত্ব বন্টন করেদেন দেখভাল করার জন্য।একটি প্রভাবশালী দখলবাজ চক্র রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীদের ব্যবহার করে বনায়নের লক্ষ-লক্ষ টাকা মূল্যের চারাগাছ কেটে সাবাড় করে ফেলছে এমন কি ব্যক্তি মালিকানাধীন বাগানের গাছ কেটে ফেলছে ও খামাড়- বাড়ী পুড়িয়ে দেয়ার অভিযোগ পাওয়াগেছে।

স্থানীয় মুরব্বী প্রবীন আওয়ামী লীগ নেতা শেখ হাবিবুর রহমান সাংবাদিকদের জানিযেছেন রোহিঙ্গা জামাই মমতাজ মিয়া বালুখালী ১৯ নং ক্যাম্পের হেডমাঝি মুজিবুল্লাহর নেতৃত্বে রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীদের ব্যবহার করে সরকারের কোটি টাকা ব্যয়ের মাধ্যমে সৃজিত বনভূমির চারাগাছ কেটে ভুমি দখলে নিয়ে বাড়ী নির্মাণ করেছেন এবং পাকা দালান নিমান করার জন্য ইট মওজুদ করে রাখা হয়েছে অভিযোগ উঠেছে। হেডমাঝি রোহিঙ্গা মুজিবুল্লার নেতৃত্বে রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীরা সরকারের সৃজিত সামাজিক বনায়ন দখলকরে ফায়দা লুঠার প্রচেষ্টা চালাচ্ছে।গত ৯ ফেব্রুয়ারী রাতে শেখ হাবিবুর রহমানের সামাজিক বনায়নের জমি দখল করার অপচেষ্টা করেছে।

সূত্রে জানা গেছে ওই সিন্ডিকেট ভূমি দখলে নিয়ে সাধারণ রোহিঙ্গাদের প্লট আকারে বিক্রি করে টাকা কামাই করার কু-মানসে ভূমি দখলের অপচেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে।শেখ হাবিবুর রহমান অভিযোগ করেন পশ্চিম থাইংখালী কোনাপাড়া এলাকার মৃত সৈয়দ আহমদের পুত্র রোহিঙ্গা জামাই মমতাজ মিয়ার ইন্ধনে ১৯ নং ক্যাম্পের হেড মাঝি মুজিবুল্লার নেতৃত্বে রোহিঙ্গাসন্ত্রাসীদের নিয়ে দখলবাজি করার সময় বাঁধা দেওয়া ও তার নামীয় সৃজিত সামাজিক বনায়ন রক্ষায় তাদের প্রতিরোধের চেষ্টা করায় তার পুত্র মো.রাসেল মিথ্যা মামলার আসামী হয়েছে।

স্থানীয়রা জানান, ১৯ নং ক্যাম্প এবং পাশের ১৩ ক্যাম্পের বেশ কিছু সন্ত্রাসী নিয়ে ১৯ নং ক্যাম্পের হেডমাঝি মুজিবুল্লাহর নেতৃত্বে একটি বিশাল রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী গোষ্ঠী ওই এলাকা দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। তারা অপহরণ, সামাজিক বনায়নের গাছ কেটে পাচার, স্থানীদের গরু লুটসহ বিভিন্ন অপকর্ম করে বেড়াচ্ছে। তাদের কাছে বিপুল আগ্নেয়াস্ত্র রয়েছে। ১৯ নং ক্যাম্পের হেডমাঝি মুজিবুল্লাহর স্থানীয় কিছু অসাধু লোকজনের যোগসাজসে স্থানীয়দের জমি দখল করে তা বিক্রি করছে সাধারণ রোহিঙ্গাদের।এমন কি হেডমাঝি মুজিবুল্লার বিরুদ্ধে সিআইসির নাম ভাঙ্গিয়ে টাকা আদায় করার ও অভিযো রয়েছে।

রোহিঙ্গা মুজিবুল্লাহ কে ইন্ধনদাতা মমতাজ মিয়া ও তার ভাই দানুমিয়ার বিরুদ্ধে সি আর মামলা নং ১৭/১৬(উখিয়া)সহ একাধিক মামলা রয়েছে বলে জানাগেছে। আইনের উর্দ্ধে কেউ নহে,অপরাধ সংঘঠিত করে অতীতে কেউ ছাড় পাইনি আইনের হাত থেকে।এ ধারাবাহিকতায় ১৯ নং ক্যাম্পের হেডমাঝি মুজিবুল্লাহর বিরুদ্ধে সরেজমিনে তদন্ত করে তাকে এবংতার আশ্রয়-পশ্রয় ও ইন্ধনদাতাদের কে আইনের আওতায় এনে শাস্তির ব্যবস্থা গ্রহন করার জন্য প্রশাসনের প্রতি দাবী জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা ও এলাকার সচেতন মহল।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •