হারুনর রশিদ,মহেশখালী:

মহেশখালীর ঐতিহ্যবাহী শ্রী শ্রী আদিনাথ মন্দিরের শীব চতুদশর্ী পূঁজা ও মেলা শুরু হতে যাচ্ছে শুক্রবার ২১শে ফেব্রুয়ারি।
ককসবাজার জেলার মহেশখালী উপজেলার প্রাচীনতম ঐতিহ্যবাহী আদিনাথ মন্দিরের পূজা ও মেলা শুরু হচ্ছে শুক্রবার বিকাল ৫টা থেকে। পূর্ণাথীদের দর্শণ চলবে ২দিন এবং মেলা চলবে ১০দিন। পূঁজা ২১ শে ফেব্রুয়ারি বিকাল ৫টার সময় শুরু হয়ে ২২শে ফেব্রুয়ারি রাত-৭টায় শেষ হবে। আর মেলা চলবে ১০দিন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আদিনাথ মন্দিরে তত্ত্বাবধায়ক দুলাল কান্তি দে।

পূজা ও মেলা পরিচালনা কমিটির সূত্রে জানাগেছে প্রতিবছরের ন্যায় এবারও বিপূল সংখ্যক দর্শক ও পূণার্থীর সমাগম ঘটবে। পূর্ণাথীরা যাতে নিরবিগ্নে দর্শন করতে পারেমতো সব ধরনের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
পূজাঁ ও মেলা এলাকা পরিদর্শন করেছেন মহেশখালী উপজেলার নিবার্হী অফিসার মো: জামিরুল ইসলাম, পরিদর্শন কালে তিনি বলেন- কোন রকমের মাদক,জোয়া,অশ্লীল নাচগান,অসামাজিক কার্যকলাপ যেন মেলা এলাকায় না চলে। এধরনের কোন বিষয় চলছে এমন খবর পেলে সাথে সাথে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি। মন্দিরে আসা যাওয়ার পথ সুগম করতে নদী ও সড়ক পথে কঠুর নজর দারী রাখা হয়েছে। যাতে মন্দিরে আগত কোন লোক জন হয়রানীর শিকার না হয়।
মহেশখালী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) প্রভাষ চন্দ্র ধর জানান শ্রী শ্রী আদিনাথ মন্দিরে পূজা ও মেলায় দেশের বাহির থেকে যেমন ভারত,নেপাল,মালদ্বীপ ও ভুটান সহ পৃথীবির বিভিন্ন দেশ থেকে হিন্দুধর্মের লোকজন এই মন্দিরে বছরে এক বার দর্শনের জন্য আসেন। আগত দর্শনাথীরে জন্য পুজা ও মেলা এলাকার আইন শৃংখলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে রাখতে এক জন নিবাহী ম্যাজিস্ট্রেট,অর্ধশতাধীক পুলিশ, গ্রাম পুলিশ ও মন্দির পরিচালনা কমিটির অসংখ্য ভলান্টিয়ার মোতায়েনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। আশা করি বিগত বছরগুলোর মতো সুষ্টু সুন্দর পরিবেশে দর্শনাথীরা পূজা উৎযাপন করতে পারবে এবং মেলার সুন্র্দয্য উপভোগ করতে পারবে।
ছোট মহেশখালী ইউপির চেয়ারম্যান জিহাদ বিন আলী জানান-প্রতি বছর এই মৌসুমে একবার আদিনাথ মেলা চলে আসছে প্রাচীন কাল থেকে। এই আদিনাথ মেলায় মুসলিম,হিন্দু ও বৌদ্ধদের এক ধরনে মিলন মেলায় পরিণত হয়। সনাতন যোগের মানুষের মৌখিন খাবার হিসিবে পরিচিত আছে গুড়/মিড়ার জিলাপি। এই আধুনিক যোগের হরেক রকমের আয়েশী খাবার তৈরী হলেও মহেশখালীর মানুষের মাঝে এখনো রয়েগেছে সেই প্রাচীনতম সময়ের জিলাপিসহ বিভিন্ন রকমারী খাবারের সমাহার। চেয়ারম্যান আরো জানান- বাংলাদেশের যে কোন প্রান্ত থেকে ককসবাজার জেলা শহরে এসে – ককসবাজার ৬নং জেটিঘাট হয়ে নদী পথে মহেশখালীর ঘোরকঘাটা জেটি ও আদিনাথ জেটি হয়ে আদিনাথ মন্দিরে আসা যায়। এছাড়াও সড়ক পথে চকরিয়া উপজেলার বদরখালী -মহেশখালী সেতু দিয়ে জনতাবাজার -ঘোরকঘাটা সড়ক হয়ে আদিনাথ মন্দিরে সহসাইয় গাড়ী যোগে আসা যায়।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •