গত ১৯ ফেব্রুয়ারি দৈনিক কক্সবাজার পত্রিকায় ‘মাঝিরঘাটের ইয়াবা লুটকারী মিজান ও মুজিব সিন্ডিকেট লাপাত্তা’ প্রকাশিত সংবাদের একাংশ তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানাচ্ছি আমি মিজান। সংবাদে যেখানে মিজানের নাম উল্লেখ করা হয়েছে সেই অংশটি সত্য নয়। আমি মিজান এসবে কোনো সময়ের জন্য জড়িত ছিলাম না; আগামীতেও থাকবো না। কারা কি করেছে সেটা আমি জানি না; তবে আমি নিশ্চিত এসবে আমি কোনো জড়িত নয়। ইয়াবাত দূরের কথা কোনো অপরাধের সাথে আমি কোনো সময়ের জন্যও জড়িত ছিলাম না। একটি মহল তিলকে তাল বানিয়ে আমাকে বেকায়দায় পেলানোর চেষ্টা করছে এবং ঘটনাটি ভিন্নভাবে উপস্থাপনা করে যাচ্ছে সাংবাদিক ভাইয়ের কাছে।
প্রকাশিত সংবাদে আমি মিজানের নাম জড়িয়ে দেয়ায় আমি এবং আমার পরিবার সত্যিই বিস্মিত ও মর্মাহত। সংবাদে নাম জড়িয়ে প্রকাশিত অংশটুকু সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন, উদ্দেশ্যপ্রনোদিত ও শাক দিয়ে মাছ ঢাকার চেষ্টা মাত্র।
মিজানের দাবী, আমি দীর্ঘদিন ধরে টমটমের গ্যারেজের ব্যবসা করে আসছি। মাঝিরঘাট এলাকায় আমার নিজস্ব টমটমের গ্যারেজ রয়েছে। এই গ্যারেজে মাসে কয়েক লাখ টাকা আয় হয়। যে আয় দিয়ে আমি ও আমার পরিবার সুন্দরভাবে জীবন যাপন করছি এবং করতে পারি। এতে অবৈধ আয় আমার কোনো প্রয়োজন পড়ে না। প্রশাসন অনুসন্ধান করলে বুঝতে পারবে আমার গ্যারেজের আয়ের বিষয়টা। আমি সবসময় আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। আইন মেনেই আমি কাজ করি। কিন্তু কয়েকদিন ধরে আমার নামে মিথ্যা সংবাদ প্রকাশিত হচ্ছে বিভিন্ন গণমাধ্যমে। যা সত্যিই দু:খজনক। যে সংবাদে আমার নাম প্রকাশ হয়েছে এর কোনো ভিত্তি বা সত্যতা নেই। এসব বিষয়ে আমি জানিও না। কারণ আমি আমার মায়ের অসুস্থতা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে ঢাকায় অবস্থান করছি। নিয়মিত মাকে নিয়ে ঢাকায় যেতে হয় আমার। এখনো আমি মাকে নিয়ে ঢাকার একটি হাসপাতালে আছি। এমন সময় আমার বিরুদ্ধে মনগড়া মিথ্যা সংবাদ সত্যিই দু:খজনক। যা আমার চলার পথে এক ধরণের কাটা। এমন দুর্নাম নিয়ে আমি কোনো সময় সমাজে বসবাস করিনি। আগামীতেও বসবাস করবো না। বৈধভাবে ব্যবসা করে আমি জীবনের হাল ধরেছি। বিভিন্ন গণমাধ্যমে আমার বিষয়ে অনেক কিছু মন্তব্য বা সংবাদ উপস্থাপনা করা হয়েছে। যার বিন্দুমাত্রও আমি অবগত নয়। প্রকাশিত সংবাদও আমি দেখিনি। আমার পরিবার ও এলাকার লোকজন সংবাদের বিষয়টি আমাকে জানিয়েছে। যা শুনে আমি আসলেই মর্মাহত। তাছাড়া সংবাদে ছিনতাইকারী হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। বিষয়টি আরো ব্যতিত করেছে আমাকে। এককথায় বলতে চাই, এমন অপরাধে আমি আসলেই জড়িত নয়। কেন জানি বার বার আমার নাম ব্যবহার করা হচ্ছে তাও বুঝতেছিনা। আমিও চাই লুটের ঘটনা যদি সত্য হয় আসল অপরাধী আইনের আওতায় আসুক। যাতে অহেতু আমার মতো মানুষ হয়রানির শিকার না হয়।
আমি মিজান আরো বলতে চাই, আমাদের পরিবারের একটি সুনাম আছে কক্সবাজারে। সবাই আমাদের চেনে জানেন। আমাদের রয়েছে বৈধ ব্যবসাও। যদি প্রশাসন সহযোগিতা চাই আমি করবো। তাই বলে মানুষকে নিয়ে মনগড়া ইচ্ছাকৃতভাবে যেনতেন সংবাদ প্রকাশ করা ভালো লক্ষণ নয়। উদ্দেশ্যপ্রনোদিতভাবে একটি চক্র পত্রিকার মাধ্যমে চরিত্র হরনের চেষ্টা করেছে আমার ও আমার পরিবারের।
আমি দৃঢ়ভাবে বলতে চাই যে, আমি একজন মিজানের বিরুদ্ধে অপপ্রচার ছড়িয়ে মূল ঘটনাকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করে মূল ষড়যন্ত্রকারীকে আড়াল করার অপচেষ্টা করা হচ্ছে বলে মনে করছি। এবিষয়ে আইনশৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীসহ কাউকে এমন সাজানো অপপ্রচার নিয়ে বিভ্রান্ত না হওয়ার অনুরোধ জানাচ্ছি।

প্রতিবাদকারী..
মিজান।
টেকপাড়া, পৌরসভা, কক্সবাজার।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •