মুরাদ মাহমুদ চৌধুরী :

কক্সবাজার শহরের সাধারণ শিক্ষার্থীদের রীতিমতো ঠকিয়ে যাচ্ছে লাইব্রেরি ব্যবসায়ীরা। বইয়ের বিক্রয়মূল্য রাখা হচ্ছে মনগড়া। অথচ শহরের বাইরে অন্যান্য লাইব্রেরিগুলোতে প্রতিটি বইয়ে নির্দিষ্ট হারে ডিসকাউন্ট দেওয়া হলেও পাচ্ছে না পানবাজার রোডস্থ লাইব্রেরিগুলো হতে।

মঙ্গলবার বিকালে শহরের রক্ষিত মার্কেট ও মোহাম্মদী লাইব্রেরিতে কক্সবাজার কেজি স্কুলের নবম শ্রেণির ব্যবসায় শাখার শিক্ষার্থী মোঃ সাজ্জাদ এমন হয়রানির শিকার হয় বলে জানান তিনি এবং তার শিক্ষক মোঃ ওমর ফারূক ।

এই ব্যাপারে সরকারী কলেজের আরেক শিক্ষার্থী মোঃ মহিউদ্দিন জানান, “কক্সবাজারের লাইব্রেরিগুলো অধিক লাভ করার জন্য বইয়ে এখন কোনো ডিসকাউন্ট দেন না তারা।”
তিনি আরো জানান, “কেবল কক্সবাজারের লাইব্রেরিগুলো ছাড়া চট্টগ্রাম সহ সব জায়গায় ১৫-১৭% করে ডিসকাউন্ট দেওয়া হচ্ছে।”

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক বিদ্যালয় শিক্ষক জানান, “শহরের লাইব্রেরিগুলো এখন সিন্ডিকেট করে বইয়ের ডিসকাউন্ট দিচ্ছে না এবং সাধারণ শিক্ষার্থীদের ঠকাচ্ছে। কারণ লাইব্রেরি মালিকরা ও জানে শিক্ষার্থীরা বই কিনতে বাধ্য। সেই সুযোগকে কাজে লাগাচ্ছে তারা।”

রীতিমতো এমন হয়রানির স্বীকার হচ্ছে অর্থসংকটে পড়া সাধারণ শিক্ষার্থীরা এবং যাদের চড়া দামে বই কেনার সামর্থ্য নাই তারাই খুব সমস্যায় ভুগছে বলে জানান লাইব্রেরির সামনে বই কিনতে আসা কলেজের এক ঝাক শিক্ষার্থীরা। তারা আরো জানান, “এমন অবস্থা করলে অসাধু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে আমরা শিক্ষার্থীরা প্রতিবাদ আন্দোলন করবো।”

এই ব্যাপারে রক্ষিত মার্কেটের এক লাইব্রেরি মালিকের সাথে মোবাইলে কথা বলতে চাইলে তিনি অসম্মতি প্রকাশ করেছেন।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •