সিবিএন ডেস্ক:

চট্টগ্রামের বাঁশখালী থেকে কুতুবদিয়া দরবারে শরীফের ওরশে যাওয়ার পথে একজন নিহত হয়েছে। বুধবার (১৯ ফেব্রুয়ারী) সকাল ৯ টায় কাথরিয়া ইউনিয়নের দক্ষিণ বাগমারা চুনতী বাজার ব্রীজ থেকে দরবার শরীফের উদ্দ্যোশে রওনা হলে বোটটি ১শ গজ দক্ষিনে বেদখলীর টেক এলাকায় পৌঁছলে এ দুর্ঘটনা ঘটে। এতে ফিশিং বোটটিতে থাকা কাথরিয়া দক্ষিন বাগমারা এলাকার ছমিয়া বাপের বাড়ী মৃত রৌশনুজ্জানের পুত্র ওমান প্রবাসী মোঃ আক্কাছ (২৮) এর মৃত্যু হয়।
আহত হয় অন্তত প্রায় ৩০ জন, এতে নিঁখোজ হয় কাথরিয়া দক্ষিণ বাগমারা ১ নং ওয়ার্ডের আইদ্দারখীল এলাকার আমান উল্লাহর পুত্র মোঃ মিনহাজ (৯)। সে কে.বি কিন্ডার গার্ডেন স্কুলের ৩ য় শ্রেনীর ছাত্র।

এ দিকে আহতদের স্থানীয় জেলেরা উদ্ধার করে তাদের কে বাঁশখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে সে আক্কাছের মৃত্যু হয় বলে জানা যায়।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কুতুবদিয়া দরবার শরীফের ওরশে যাওয়ার জন্য চুনতী বাজার থেকে স্থানীয় মৃত মোঃ ইউসুপ এর পুত্র মোঃ জাহিদুল ইসলাম নিজের ফিশিং বোটটি নিজে চালিয়ে একটু রওনা হলে বোটটি উল্টে যায়।

নিহত আক্কাছের ভাগিনা মোঃসাগর,চাচাতো ভাই নুর উদ্দীন,মোঃ মাইমুন জানান,নিহত আক্কাছ ওমান প্রবাসী। তার এক পুত্র সন্তান রয়েছে। আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারী সে আবারো ওমান ফিরে যাওয়ার জন্য কথা রয়েছিল।

নিঁখোজ মিনহাজের বাবা আমান উল্লাহ জানান,আমরা চুনতী বাজার থেকে কুতুবদিয়া দরবারে ওরশে যাওয়ার জন্য চুনতী বাজারের ব্রীজ থেকে ছেলে কে নিয়ে রওনা হই। প্রতি মধ্যে ফিশিং বোটটি
১শ গজ যেতেই বোট টি ডুবে যায়,এতে আমার ছেলে নিঁখোজ হয়ে যায়। এখন ও ছেলেকে পাচ্ছি না।

বাঁশখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরী বিভাগে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডাঃ ইসতায়াক খালেদ জানান,আক্কাছকে হাসপাতালে আনার আগেই তার মৃত্যু হয়েছে।

বাঁশখালী ফায়ার সার্ভিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা লিটন বৈষ্ণব জানান, খবর পেয়ে আমি সহ ফায়ার সার্ভিসের একটি টিম দ্রুত ঘটনাস্থলের দিকে রওয়ানা হই। আমরা নিঁখোজ ছেলেটিকে উদ্ধার করার জন্য চট্টগ্রাম শহর থেকে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি একটি টিম ইতিমধ্যে বাঁশখালীর দিকে রওনা হয়েছে।

বাঁশখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোমেনা আক্তার জানান, ফিশিং বোটে ডুবে একজন নিহত হওয়ার খবর পেয়ে উদ্ধার কাজ চালাতে ঘটনা স্থলে থানা পুলিশ এবং ফায়ার সার্ভিসের টিম রয়েছে।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •