প্রেস বিজ্ঞপ্তি :

গত ১৪ ও ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২০ ইং কয়েকটি অনলাইন নিউজ পোর্টাল ও কয়েকটি স্থানীয় পত্রিকায় ‘আদর্শ শিক্ষালয়ে সভাপতির অনাদর্শিক কান্ড’ এবং ‘এক যুগ ধরে সভাপতি, তিনিই সব’ শীর্ষক সংবাদটি আমাদের দৃষ্টিগোচর হয়েছে। উক্ত সংবাদে প্রকাশিত তথ্য-উপাত্ত সমূহ সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভূয়া, বানোয়াট ও উদ্দেশ্য প্রণোদিত। অদ্য অনুষ্ঠিত বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সভা ও বিদ্যালয়ের স্টাফ কাউন্সিলের সভায় উক্ত সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা প্রস্তাব পাস হয়েছে। আমাদের জানা মতে, ১৯৮৬ সালে শিক্ষাদীক্ষায় অনগ্রসর বৃহত্তর ঈদগাঁওকে আলোকিত করার মানসিকতা নিয়ে ঈদগাঁও মাইজ পাড়ার বিশিষ্ট দানবীর মরহুম আব্দুস শুকুরের সুযোগ্য সন্তান আলহাজ্ব কামরুল হক চৌধুরী নিজের পৈতৃক সম্পত্তির নিজ নামীয় অংশনামামুলে ঈদগাওঁ বাসষ্টেশন সংলগ্ন আবাদী জমিতে নিজ উদ্যোগে ঈদগাঁও শিশু শিক্ষা নিকেতন নামে একটি প্রতিষ্টান গড়ে তুলেন। বর্তমানে যা ঈদগাহ আদর্শ শিক্ষা নিকেতন নামে কক্সবাজার জেলার একটি স্বনামধন্য প্রতিষ্টান হিসেবে সমধিক পরিচিত। অথচ তিল তিল করে গড়ে তুলা সেই প্রতিষ্টানের অর্জিত সুনাম ক্ষুন্ন করতে ডাঃ মোহাম্মদ আলম গং দীর্ঘদিন যাবৎ বিভিন্ন ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে। তাই প্রকৃত সত্য তুলে ধরার উদ্দেশ্যে বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটি ও শিক্ষক-কর্মচারীরা এ সংবাদ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন।

লিখিত বক্তব্যে ম্যানেজিং কমিটির সদস্য নূরুল ইসলাম জানান, প্রকাশিত সংবাদে বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটি গঠন নিয়ে যে অনিয়মের কথা উল্লেখ করা হয়েছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা। প্রকৃত সত্য হচ্ছে, বিগত সময়ে সরকারী বিধি মোতাবেক বিদ্যালয়ের সকল ম্যানেজিং কমিটি গঠিত হয়েছে। যাদের অক্লান্ত পরিশ্রম ও আন্তরিক তদারকিতে বিদ্যালয়টি এতদাঞ্চলে অনন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পরিনত হয়েছে। সংবাদে বিদ্যালয়ের উন্নয়ন কর্মকান্ডে কোটি টাকা ব্যয়ের যে কথাটি উল্লেখ করা হয়েছে, তা অসত্য ও বানোয়াট। প্রকৃতপক্ষে ম্যানেজিং কমিটির সার্বিক তদারকিতে উন্নয়ন কমিটির মাধ্যমে বিদ্যালয়ের প্রতিটি উন্নয়ন কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়েছে। তাতে কোন ধরনের দূর্নীতি ও অনিয়ম হয়নি। তাই আমরা এর তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

কমিটির সদস্য শামীম শহীদ বলেন, সংবাদে শিক্ষক নিয়োগ সম্পর্কে যে অনিয়মের কথা বলা হয়েছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট। প্রকৃত পক্ষে প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে অদ্যাবধি সকল শিক্ষক নিয়োগ সরকারী নির্দেশনা মেনে বিধি মোতাবেক করা হয়েছে। এ ছাড়া ডা. মোহাম্মদ আলমকে প্রতিষ্ঠাতা দাবী করে সংবাদে যে আষাঢ়ে গল্প সাজানো হয়েছে, তাও সম্পূর্ণ মিথ্যা। বিদ্যালয়ের রেকর্ডপত্র পর্যালোচনা করে আমরা জানতে পেরেছি, সংবাদে উল্লেখিত যুবক জুনায়েদ কবিরের পিতা ডা. মোহাম্মদ আলম কোনভাবেই বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন না। প্রকৃতপক্ষে তিনি সে সময় শিক্ষানুরাগী সদস্য ছিলেন। বিদ্যালয় সভাপতি আলহাজ্ব কামরুল হক চৌধুরী জানান, ডা. মোহাম্মদ আলমের ব্যক্তিগত স্বার্থ চরিতার্থ করার জন্য তার বখাটে ও বেকার সন্তান, মাদকাসক্ত জুনায়েদ আমাদের স্বনামধন্য বিদ্যালয় ও সভাপতির ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করার কুমানসে বিভিন্ন ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে। তারই সূত্র ধরে সাংবাদিক ভাইদের মিথ্যা তথ্য দিয়ে সে উক্ত সংবাদ পরিবেশন করিয়েছে। এতে বিদ্যালয়ের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হয়েছে। তাই প্রকাশিত সংবাদটি বিবেকবর্জিত, মিথ্যা, বানোয়াট ও উদ্দেশ্য প্রণোদিত বলে আমরা উক্ত সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি। ভবিষ্যতে একটি স্বনামধন্য বিদালয় সম্পর্কে অসত্য তথ্য নির্ভর সংবাদ পরিবেশন করা থেকে বিরত থাকার জন্য সাংবাদিক ভাইদের প্রতি আহবান জানাচ্ছি। পাশাপাশি প্রকাশিত সংবাদে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনসহ কাউকে বিভ্রান্ত না হওয়ার অনুরোধ জানাচ্ছি।

ম্যানেজিং কমিটি ও শিক্ষক কর্মচারীদের পক্ষে সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন – আলহাজ্ব কামরুল হক চৌধুরী, আবদুস ছালাম বাবুল, সেলিনা আকতার, নুরুল ইসলাম, শামীম শহীদ, আবদুল করিম, ইরান বাহার, মোঃ ফেরদাউস, নুরুল আমিন হেলালী, মোঃ রেজাউল করিম, শাহীমা বেগম, মুহাম্মদ শহিদুল হক, আবচার উদ্দিন, বিকাশ প্রণয় দে, নূরুল ইসলাম, সোলতান আহমদ, মোঃ রেজাউল করিম, চিত্রা পাল, মাহমুদুল হক, সাহাব উদ্দিন মোঃ সোলাইমান, রানু পাল প্রমুখ।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •