বার্তা পরিবেশক:
রামুর ধোয়াপালং এ আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে জমি দখলের পায়তারা চালাচ্ছে স্থানীয় মৃত আবদুর রহমানের পুত্র নুরুল আমিন গং। ফলে যে কোন সময় জবর দখল নিয়ে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের আশংকা করছেন স্থানীয়রা।
জানাযায়, রামুর গোয়ালিয়াপালং এর আলহাজ ওসমানগনি সিকদারের পুত্র মোহাম্মদ শাহেদুজ্জামান বাহাদুর গং এর খরিদসুত্রে প্রাপ্ত ধোয়াপালং মৌজার বিএস ৪২৬ নং খতিয়ানের ৮.৬১৪০ একর জমি দখলের জন্য বিভিন্ন সময় নুরুল আমিন গং পায়তার চালিয়ে আসছিল। বিভিন্ন মিথ্যা ফেরবী কাগজপত্র সৃজন করে আদালতের শরনাপন্ন হয় উক্ত নুরুল আমিন গং। কিন্তু আদালত উক্ত অপর ১৯/২০০৬ মামলাটি আদালতে প্রদত্ত কাগজপত্রে স্বত্ব প্রমান করতে না পারায় রামু সহকারি জজ আদালত ২০১৯ সালের ৩১ অক্টোবর মামলা জরিমানাসহ খারিজ করেন এবং চক্রের বিরুদ্ধে মিথ্যা কাগজ সৃজনের দায়ে উল্টো ফোজদারি কার্যবিধির ৪৬৫,৪৬৮,২০৫ ধারামতে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালত সদর কক্সবাজারে সিআর মামলা নং ১৬৭৭/১৯ দায়ের করেন। মামলার তার বিরুদ্ধে ওয়ারেন্ট ইস্যু করা হয়। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে নুরুল আমিন গং আরো বেপরোয়া হয়ে জায়গা দখলের চেষ্টা চালায়। এ সংক্রান্ত ঘটনায় শাহেদুজ্জামান বাহাদুর গং ৫ ফেব্রয়ারি রামু থানায় অভিযোগ দায়ের করলে বিষয়টি তদন্তের জন্য হিমছড়িরপুলিশ ফাডির ইনচার্জকে দায়িত্ব দেন। তদন্ত কর্মকতার্ তাদেরকে প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টসহ হাজির হতে নির্দেশ দিলে তারা উপস্থিত না হয়ে পুনরায় জায়গা দখলের পায়তারা করছে। তাদের হাত থেকে জায়গা রক্ষায় কক্সবাজার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে মামলা নং ২২০/২০২০ মামলা দায়ের করেন। উক্ত মামলার শুনানী শেষে ১০ ফেব্রুয়ারি নিষেধাজ্ঞার আবেদন করলে আদালত সকল কাগজপত্র পর্যালোচনা করে নুরুল আলমগং এর বিরুদ্ধে ১৪৪ ধারা জারি করেন এবং জমিতে প্রবেশের বারিত আদেশ দেন। পাশাপাশি রামু থানার ইনচার্জকে শান্তি রক্ষা এবং রামু সহকারি কমিশনার ভুমিকে ২২ মার্চের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ প্রদান করেন। আদালতের নির্দেশ অমান্য করে নুরুল আমিন গং পানির শ্যালো মেশিন বসিয়ে বিরোধীয় জমিতে সেচ প্রদান করছে যাতে রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী ভাড়া করে সশ্বসত্র পাহারা দিচ্ছে উক্ত বিরোধীয় জমি। এমতাবস্থায় আদালতের আদেশকে অমান্যকারি সন্ত্রাসী গং নুরুল আমিনের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের দাবি জানিয়েছেন জমির মালিক শাহেদুজ্জামান গং। অন্যতায় বিরোধীয় জমির দখল দারিত্ব নিয়ে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের আশংকা রয়েছে। এ ব্যাপারে প্রসাশনের হস্তক্ষেপ জরুরি।

  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •  
  •  
  •