বার্তা পরিবেশক :

মাদক-ইয়াবা নয়, পর্যটন শহরের নামীদামী হোটেলের রেস্টুরেন্টে মাছ সরবরাহ করে জীবিকা নির্বাহ করে আসছি। আমি হালাল টাকায় চলি। অথচ আমার বিরুদ্ধে গণমাধ্যমে অপপ্রচার চালানো হয়েছে। শুক্রবার বিকাল ৩টায় কক্সবাজার প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে উপরোক্ত কথাগুলো বলেন ভুক্তভোগি আমির।
তিনি বলেন, জাতির দর্পন সংবাদপত্র হচ্ছে গণতন্ত্র র্চচার অন্যতম হাতিয়ার। তারই অংশ বিশেষ হিসেবে তথ্য বহুল সংবাদ প্রকাশ করায় হচ্ছে এক দায়িত্বশীল সংবাদকর্মীর কাজ। আমি আজ সেই দায়িত্বশীলতার অংশ থেকে বঞ্চিত হয়ে তথ্য সন্ত্রাসের শিকার হয়েছি। এতে আমি ও আমার পরিবার মানষিক ক্ষতিগ্রস্ত ও সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন হয়েছি।
তিনি অভিযোগ করে বলেন, কক্সবাজারের স্থানীয় ও চট্টগ্রামের আঞ্চলিক দৈনিক পত্রিকা এবং কয়েকটি অনলাইন মিডিয়াতে আমার বিরুদ্ধে তথ্য বিবর্জিত সংবাদ পরিবেশন করা হয়েছে।
উক্ত সংবাদগুলোতে আমাকে নিয়ে যে সব কল্প কাহিনী সাজানো হয়েছে আমি তার কোনটির সাথে জড়িত নই। আমি একজন মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তান ও একজন মৎস্য ব্যবসায়ী। পর্যটন শহরের নামী-দামী রেস্টুরেন্ট গুলোতে আমি ও আমার বাবা একসাথে বিভিন্ন্ প্রকার মাছ সরবারহ করে জীবীক নির্বাহ করে আসছি। একটি স্বার্থেন্বেষী মহল তাদের ফয়দা লুটাতে আমার বিরুদ্ধে উঠেপড়ে লেগেছে। ওই স্বার্থেন্বেষি মহল জাতির বিবেক সাংবাদিক ভাইদের মিথ্যা তথ্য দিয়ে টাকার বিনিময়ে আমার বিরুদ্ধে তথ্য বিবর্জিত সংবাদ পরিবেশন করিয়াছে।
পরিশেষে আমি বলতে চাই, আমি ইয়াবা ব্যবসার সাথে সম্পৃক্ত থাকতাম তাহলে আমার বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট প্রশাসন অবশ্যই আইনানুগ ব্যবস্থা নিত। আমার নাম অন্য কারবারিদের মতো তালিকাভুক্ত হতো। তাই জোর গলায় বলতে চাই আমি ও আমার পরিবারের রক্তনালীতে কোন হারাম উপার্জন প্রবেশ করে নাই। পরিশেষে বলতে চাই ষড়যন্ত্রকারীদের ওই সব তথ্য বিবর্জিত সংবাদের বিরুদ্ধে জোর প্রতিবাদ জানাচ্ছি এবং ভবিষ্যতে সংবাদপত্রের বস্তুনিষ্ঠতা তুলে ধরার আহ্বান জানাচ্ছি।

  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •  
  •  
  •