ঈদগাঁও সংবাদদাতাঃ

কক্সবাজার সদরের ইসলামপুরের জনপ্রিয় শ্রমিক নেতা আনোয়ার সাদাত খোকনকে গ্রেপ্তার করেছে ঈদগাঁও পুলিশ। ৫ ফেব্রুয়ারী বিকালে ইসলামপুর বাজার থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। খোকন ইসলামপুর ইউনিয়নের ধর্মের ছড়া এলাকার সাবেক মেম্বার শাহজালালের ছেলে। তাকে গ্রেপ্তারের প্রতিবাদে সড়ক অবরোধ করেছে লবন মিলের কর্মরত ২/৩ হাজার শ্রমিক। ফলে চট্টগ্রাম কক্সবাজার মহাসড়কে দীর্ঘ ২ ঘন্টা যানবাহন চলাচল বন্ধ ছিল৷ পুলিশ সূত্রে জানা যায়, জনপ্রিয় শ্রমিক নেতা আনোয়ার সাদাত খোকনের বিরুদ্ধে একটি মামলার ওয়ারেন্ট ছিল। এ দিন পুলিশ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তার অফিস থেকে গ্রেপ্তার করে নিয়ে আসে। সংবাদটি ছড়িয়ে পড়লে ষড়যন্ত্র মুলক ভাবে গ্রেপ্তার করেছে সন্দেহ করে লবন মিলে কর্মরত ২/৩ হাজার শ্রমিক মিল কারখানা বন্ধ রেখে বিক্ষুব্ধ হয়ে পড়ে। এক পর্যায়ে তারা বিক্ষোভ মিছিল সহকারে ঈদগাঁও তদন্ত কেন্দ্রে এসে তাদের নেতা খোকনের মুক্তি দাবী করে সড়ক অবরোধ করে রাখেন।এ সময় লবণ মিল মালিক এবং শ্রমিক নেতারা পুলিশের কাছে জানতে চান কেন তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে? জবাবে পুলিশ ওয়ারেন্ট মুলে গ্রেপ্তারের কথা জানালে বিক্ষোভ এবং আন্দোলন তুলে নিয়ে ওয়ারেন্ট কপি দেখাতে বলেন,পুলিশও ওয়ারেন্ট কপি দেখায় বিক্ষোভকারীদের। তারপরও সড়ক থেকে সরে না যাওয়ায় ধাওয়া করতে বাধ্য হন পুলিশ। ঈদগাঁও পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ মোঃ আসাদুজ্জামান সকালের কক্সবাজারকে জানান, পুরাতন একটি ডাকাতি মামলায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। প্রতিবাদে অপরাপর শ্রমিকরা বিক্ষোভ এবং সড়ক অবরোধ করে রাখলে ছত্রভঙ্গ করে দেওয়া হয়। এই মামলার ওয়ারেন্ট মুলে শ্রমিক নেতা খোকনকে আদালতে সোপর্দ করা হবে। অপর দিকে শ্রমিক বান্ধব আনোয়ার সাদাত খোকনের বিরুদ্ধে প্রতিপক্ষের ইন্দনে নতুন কোন হয়রানি ও ষড়যন্ত্র মুলক মামলা দিচ্ছে কিনা সন্দেহ পোষণ করেন তার পরিবার ও অন্যন্যা শ্রমিকরা।ওয়ারেন্ট মামলা ছাড়া অন্যকোন নতুন মামলার আসামী করলে আন্দোলন সংগ্রামের মাধ্যমে ষড়যন্ত্রের জবাব দেওয়া হবে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন।তারা পুুুলিশ প্রশাসনের প্রতি এবং আইনের প্রতি সর্বোচ্চ সম্মান রেখে বলেন, এক সময় খোকন শ্রমিকদের ন্যায্য
দাবী এবং বিপদ আপদে পাশে ছিল, এখনো রয়েছে তাই স্থানীয় একটি কুচক্রী মহল তার বিরুদ্ধে একের পর এক মামলা হামলা শুরু করে। যা অধ্যবদী বিদ্যামান রয়েছে। আবারও নতুন ভাবে কোন ষড়যন্ত্র মুলক মিথ্যা মামলা না দিতে পুলিশ প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •