সিবিএন ডেস্ক:
ভারতের নতুন অর্থ বছরের বাজেটে শুধু প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নিরাপত্তার জন্যই প্রায় ৬০০ কোটি রুপি বরাদ্দ রাখা হয়েছে। গত বাজেটে এই খাতে বরাদ্দ ছিলো ৫৪০ কোটি রুপি। মূলত মোদিকে নিরাপত্তা দেওয়া স্পেশাল প্রটেকশন গ্রুপ (এসপিজি) এর পেছনে ব্যয় হয়ে এই বিপুল পরিমাণ অর্থ।

ভারতের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীকে হত্যার পর ১৯৮৫ সালে এই এসপিজি গঠন করা হয়। প্রধানমন্ত্রীদের নিরাপত্তা দেয়াই ছিলো এই বাহিনীর মূল দায়িত্ব। ১৯৯১-তে রাজীব গান্ধীকে হত্যা করার পর পুরো পরিবারকেই এসপিজি প্রোটেকশন দেয়া হয়।

তবে বর্তমানে একমাত্র প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিই এসপিজি-র নিরাপত্তা পান। তিন হাজার সদস্যের এই বাহিনী তার নিরাপত্তায় মোতায়েন থাকেন।

একাধিক প্রোটোকল ভাঙার অভিযোগে গত বছরের নভেম্বরে সোনিয়া গান্ধী, প্রিয়াঙ্কা গান্ধী ও রাহুল গান্ধীর এসপিজি নিরাপত্তা তুলে নেওয়া হয়। এর আগে গত অগস্টে তুলে নেয়া হয়ে ছিলো প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং-এর এসপিজি নিরাপত্তা। আরও দুই প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী এইচডি দেবেগৌড়া ও ভিপি সিং-কেও এই নিরাপত্তা দেয়া হয় না।

১৯৯৯-তে অটল বিহারী বাজপাই সরকার এসপিজি নিরাপত্তার বিষয়টি রিভিউ করে। তখন সাবেক প্রধানমন্ত্রী পিভি নরসিংহ রাও, দেবে গৌড়া ও আইকে গুজরালের নিরাপত্তা তুলে নেওয়া হয়েছিলো। এরপর ২০০৩ সালে বাজপাই সরকার একটি নতুন আইন তৈরি করে, যাতে ১০ বছর অন্তর এই নিরাপত্তার মেয়াদ পুনর্বিবেচনা করার নতুন নিয়ম করা হয়। বিপদের মাত্রার উপর বিবেচনা করে সময় কমানো বা বাড়ানো হতে পারে বলেও জানানো হয়েছিলো। বাজপাইকে মৃত্যু আগ পর্যন্ত এই নিরাপত্তা দেওয়া হয়েছিলো।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •