বিএজেড জাহাঙ্গীর আলমঃ
আসলে শিক্ষা দুই ধরণের। প্রথমত পড়তে পড়তে, দ্বিতীয়ত দেখতে দেখতে। শুধু পড়ার মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে জগৎ দেখার আনন্দে- “দৃষ্টি সীমা ছড়িয়ে দিয়ে দিগন্তে, বেরিয়ে পড়ি জগৎ দেখার আনন্দে।” স্লোগানকে সামনে কক্সবাজার সিটি কলেজের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের একঝাঁক তরুণ উদীয়মান পদার্থবিজ্ঞানীদের নিয়ে চির তরুণ পদার্থবিদ, পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক জেবুননেছা’র নেতৃত্বে গত ৩১/০১/২০ তারিখ সকালে ৮.০০টার সময় বেরিয়ে পড়ে দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম রাডার – রাডার স্টেশন, কক্সবাজার – বাংলাদেশ বেতার, কক্সবাজার – কুদুম গুহা, হোয়াইকং – পাটুয়ারটেক বীচ এবং ইনানী বীচের উদ্দেশ্যে।
ট্যূরের পুরোটা সময় নাচে-গাণে মত্ত থেকে পদার্থবিদরা জানান দিল,তারা শুধু পড়া-লেখায় ব্যস্ত থাকে না, চিত্ত- বিনোদনেও তারা কম পারদর্শী নয়।
ভবিষ্যৎ পদার্থবিদরা, অত্যন্ত মনযোগের সহিত রাডার এবং বেতার কেন্দ্রের বিভিন্ন এ্যাপারেটস দেখে এবং এগুলোর ক্রিয়ানীতি সম্পর্কে জানার চেষ্টা করে। রাডার এবং বেতার সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গও অানন্দের সহিত শিক্ষার্থীদেরকে বেতার ও রাডারের গঠন ও কার্যনীতি বুঝিয়ে দেন। পরে তারা পদার্থবিজ্ঞানের বিভিন্ন সূত্রের সাহায্য প্রকৃতিক সৌন্দর্য্যের অাধার কুদুম গুহার আজানা রহস্য উদঘাটনে হোয়াইংকং এর উদ্দশ্যে রাওয়ানা দেন এবং প্রতিধ্বনি প্রয়োগের মাধ্যমে কুদুম গুহার দৈর্ঘ্য পরিমাপ শেষে কলেজের উদ্দেশ্যে রাওয়ানা দেন।
ট্যূরে সার্বিক সহযোগিতা করার জন্য ভবিষ্যৎ পদার্থবিদরা রাডার এবং বেতার কতৃপক্ষের প্রতি এবং কুদুম গুহায় সাথে থেকে সহযোগিতা করার জন্য জয়নাত উল্লাহ, আবদুল্লাহর প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন।
এত সুন্দর একটি ট্যূর সম্পন্ন করতে সার্বিক সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়ে তাদের জ্ঞান ভান্ডারকে সমৃদ্ধ করতে সহায়তা করায় কক্সবাজার সিটি কলেজের অধ্যক্ষ ও উপাধ্যক্ষের প্রতি বিশেষ ধন্যবাদ জানায়।
ট্যূরে সার্বক্ষণিক সহযোগিতা ও নাচে গানে মাতিয়ে রাখার জন্য শিক্ষার্থীরা বিশেষভাবে কৃতজ্ঞ পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক জাহাঙ্গীর আলম, মু. আজম উদ্দীন কুতুবী, মাসুদ হোসাইন, অঞ্জন কুমার দে, ঐন্দ্রীলা দত্ত, গণিত বিভাগের প্রভাষক আবদুল্লাহ আল মামুন, রওশান নেওয়াজ এবং পরিসংখ্যান বিভাগের প্রভাষক আব্দুল আজিজের প্রতি।
সারাদিনের ট্যূর শেষে রাত ৮.০০ টার সময় তারা কলেজে প্রাঙ্গনে পৌছে।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •