মুহাম্মদ আবু সিদ্দিক ওসমানী :

কক্সবাজার-সেন্টমার্টিন রুটের পর্যটকবাহী বিলাসবহুল স্বপ্নের জাহাজ কর্ণফুলী এক্সপ্রেস ক্রুজ উদ্বোধন করা হয়েছে। প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত থেকে জাহাজটি উদ্বোধন করেন নৌ পরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী এমপি। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন, নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মোঃ আবদুস সামাদ।
কক্সবাজার থেকে সেন্টমার্টিন রুটের জাহাজ সার্ভিসটি পরিচালনা করবে কর্ণফুলী শিপ বিল্ডার্স লিমিটেড এবং কক্সবাজারে পরিচালনা ও সার্বিক সহযোগিতায় থাকছে ফারহান এক্সপ্রেস ট্যুরিজম।
৩০ জানুয়ারী বিকাল ২টা ৪০ মিনিটের সময় নৌ পরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী এমপি ফিতা কেটে ও বেলুন উড়িয়ে এটির উদ্বোধন ঘোষণা করেন।

ফারহান এক্সপ্রেস ট্যুরিজমের এমডি হোসাইনুল ইসলাম বাহাদুর সিবিএন-কে বলেন, শুক্রবার সকালেই পর্যটক নিয়ে সেন্টমার্টিনের উদ্দেশ্যে
কক্সবাজার শহরের বিআইডব্লিওটিএ ঘাট থেকে ছেড়ে যাবে স্বপ্নের জাহাজ এমভি কর্ণফুলী এক্সপ্রেস।

উদ্বোধনের পর বিমানবন্দর সড়কের বিআইডব্লিওটিএ ঘাট থেকে নৌ পরিবহণ প্রতিমন্ত্রীসহ অতিথিদের নিয়ে এমভি কর্ণফুলী এক্সপ্রেস নামক ৫৮২ জন যাত্রী পরিবহনে সক্ষম সমুদ্রগামী জাহাজটি সাগরের উদ্দেশ্যে যাত্রার মাধ্যমে উদ্বোধনের শুভ সুচনা করা হয়। সমুদ্র সৈকতের ডায়াবেটিক পয়েন্ট থেকে জাহাজটি উদ্বোধনী যাত্রা শেষে আবার কক্সবাজার শহরের উত্তর নুনিয়াছটায় বিআইডব্লিওটিএ ঘাটে ফিরে আসে। জাহাজটি ডায়াবেটিক পয়েন্টের কাছাকাছি চরে এসে একটু আটকে যেতে চাইলেও, তেমন কোন বড় ধরনের সমস্যা হয়নি বলে জানান জাহাজটির কক্সবাজারের পরিচালক হোসাইনুল ইসলাম বাহাদুর। ট্রায়াল ভ্রমন ও জাহাজটির টেকনিশিয়ানদের উদ্বৃতি দিয়ে হোসাইনুল ইসলাম বাহাদুর সিবিএন-কে আরো বলেন, ইনশাআল্লাহ শুক্রবার ৩১ জানুয়ারি গভীর সমুদ্র হয়ে প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিন যেতে কোন সমস্যা হবেনা। কক্সবাজার থেকে ছাড়ার ৫ ঘন্টা থেকে সাড়ে ৫ ঘন্টার মধ্যেই সেন্টমার্টিন ঘাটে জাহাজটি পৌঁছে যাবে ইনশাআল্লাহ।

উদ্বোধনকালে প্রতিমন্ত্রী বলেন, কক্সবাজার টু সেন্টমার্টিন নৌরুটে সরাসরি জাহাজ চালুর মাধ্যমে পর্যটন শিল্পে সম্ভাবনার নতুন পথ খুলে গেল।

কর্ণফুলী শিপ বিল্ডার্স লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইঞ্জিনিয়ার এম.এ রশিদ বলেন, কক্সবাজার বিআইডব্লিওটিএ ঘাট থেকে কর্ণফুলী এক্সপ্রেস নামক ৫৮২ জন যাত্রী পরিবহনের সক্ষম সমুদ্রগামী জাহাজটি পর্যটন শিল্পে নতুন সংযোজন। এ সংযোজন নৌ পথে ভ্রমণ পিপাসু পর্যটকদের প্রচুর আনন্দদানে সহায়ক হবে।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •