cbn  

বার্তা পরিবেশক:

কক্সবাজারের সন্ত্রাস কবলিত জনপদ মহেশখালীর কালারমার ছড়ার এলাকায় হোছন ড্রাইভারের নেতৃত্বে একটি শক্তিশালি সন্ত্রাসী গ্রুপ সক্রিয় হয়ে উঠেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ গ্রুপের অন্ততঃ ১৫-১৬ সদস্যের হাতে রয়েছে অবৈধে আগ্নেয়াস্ত্র। গ্রুপটি বর্তমানে এলাকায় প্রকাশ্যের অস্ত্রের মহড়া ও ত্রাস চালিয়ে যাচ্ছে বলে একাধিক সূত্রের অভিযোগ।

এসব বিষয়ে জেলা প্রশাসক বরাবর ২৮ জানুয়ারি মঙ্গলবার এলাকাবাসি এই হোছন ড্রাইভারের বিরুদ্ধে একটি অভিযোগ জমা দিয়েছেন।

দ্রুত এ বাহিনীর সন্ত্রাসীদের গ্রেফতার ও অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

অভিযোগ মতে, মতে,এ সন্ত্রাসী গ্রুপটিকে এ মুহুর্তে দমানো না গেলে যেকোনো মুহূর্তে এলাকায় শান্তি বিনষ্ট হওয়ার মতো ঘটনা ঘটতে পারে।

পরিবহন ব্যবসার আড়ালে এ চক্রটি দীর্ঘদিন থেকে ইয়াবা ব্যবসার সাথেও জড়িত রয়েছে বলেও সূত্রে প্রকাশ।

এ অবৈধ ব্যবসার উপর ভর করে অল্প সময়ে এ হোছন ড্রাইভার চক্রটি রাতারাতি বিশাল অর্থ সম্পদের মালিকও বনে গেছে।

সূত্রের দাবি,নিবিড় তদন্ত করলেই চক্রটির অবৈধ ব্যবসা ও সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের চাঞ্চল্যকর তথ্য বেরিয়ে আসবে।

এছাড়াও প্রধান সড়কের সোনারপাড়া অংশে চুরি-ছিনতাই এর সাথেও যুক্ত রয়েছে এ সন্ত্রাসী চক্রের সদস্যরা।

অভিযোগ রয়েছে, কোনো অপরিচিত লোক এলাকায় পেলেই তাদের কাছ থেকে অনায়াসেই মোবাইল ও টাকা ছিনিয়ে নেয় তারা।

এলাকায় পেশাদার দখলবাজ হিসেবেও এ সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে। অন্যের জমি দখলে নিতে ভাড়াটে সন্ত্রাসী হিসেবেও ব্যবহার হয় এ সন্ত্রাস দলটি।

সন্ত্রাসী কর্মকান্ড, দখলবাজি, ছিনতাইয়ের পাশাপাশি এই বাহিনী প্রধান হোসেন ড্রাইভার কক্সবাজার এলএ অফিসে থেকে অধিগ্রহণের টাকা উত্তোলণের নাম করে স্থানীয় ক্ষতিগ্রস্থ একব্যক্তির কাছ থেকে ৮০ হাজার টাকা নিয়েছে।

তবে এলএ অফিস থেকে ক্ষতিপূরণের মাত্র ৩ লাখ ৯৯ হাজার টাকার মধ্যে ৮০ হাজার টাকা দালালী নিয়েছে। এছাড়াও ওই ব্যক্তির কাছ থেকে নগদ ৫০ হাজার টাকা পরে দিবে বলে হাওলাদ নিয়ে এখনো ফেরত দিচ্ছে না।উল্টো নানা ধরনের হুমকি ধামকি দিচ্ছে বলে অভিযোগ।

এই বিষয়ে জেলা প্রশাসক বরাবর ২৮ জানুয়ারি মঙ্গলবার এলাকাবাসি পক্ষে চিহিৃত দালাল হোছন ড্রাইভারের বিরুদ্ধে একটি অভিযোগ জমা দিয়েছেন।

এদিকে, প্রশাসনের দায়িত্বশীল সূত্র থেকে জানাগেছে, মহেশখালী মাদক ও সন্ত্রাসের জনপদ হিসেবে খ্যাতি পেলেও মাদক ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে প্রশাসন জিরো টলারেন্সে রয়েছে।

চক্রটির ব্যাপারে তদন্ত করে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •