মোঃ নাজিম উদ্দিন, দক্ষিণ চট্টগ্রাম প্রতিনিধি:
ভূমি মন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ এমপি বলেছেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্ন ছিলো দুঃখী মানুষের মুখে হাসি
ফোটানো। তার স্বপ্ন ছিলো সোনার বাংলা গড়ে তোলার। ৭৫ এর ১৫ আগস্টের কালো রাত্রিতে আমাদের এ মহান নেতাকে স্ব-পরিবারে হত্যা করে স্বাধীনতা বিরোধীরা। শুধু বেঁচে ছিলেন আমার মহান নেত্রী শেখ হাসিনা ও তাঁর বোন শেখ রেহেনা। আল্লাহ পাক তাদের হয়াত দিয়েছিলেন বলে তারা বেঁঁচে ছিলেন। আমি নিজেকে প্রশ্ন করি আল্লাহ আমার নেত্রীকে বাচিয়ে রেখেছিলেন শুধু বাঙালি জাতির জন্য। দুঃখী মানুষের মুখে হাসি ফোটানোর জন্য। বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নকে বাস্তবায়ন করার জন্য। আজকে আমার নেত্রী শেখ হাসিনা তার নেতৃত্বে
বাংলাদেশকে যে জায়গায় নিয়ে গেছে, বিশ্ব আজ তাঁর দিকে তাকিয়ে আছে। আমি মনে করি বাঙালিদের মধ্যে দেশকে এই জায়গায় নিয়ে যাওয়া কারো পক্ষে সম্ভব হতো না।
মন্ত্রী বলেন, এই আওয়ামী লীগকে ধ্বংস করার জন্য স্বাধীনতার পর থেকেও সবসময় স্বাধীনতা বিরোধী একটি চক্র তৎপর ছিল। শেখ হাসিনাকে সেই বিএনপি চক্র ২১শে আগস্টে গ্রেনেড হামলা করে হত্যা করতে চেয়েছিল। তিনি বার বার মৃত্যুর হাত থেকে বেঁচে ছিলেন। রাখে আল্লাহ মারে কে। আল্লাহ যার যতদিন হায়াত রেখেছেন তিনি ততদিন বাচবেন। (২৫ জানুয়ারি) শনিবার দুপুর ১২টায় সাতকানিয়ার মরফলা আর. এম. এন উচ্চ বিদ্যায়লের ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে সূবর্ণ জয়ন্তী ও প্রাক্তন শিক্ষার্থী পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির
বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ডাঃ এ এস এম মোস্তাক আহমদের সভাপতিত্বে ও আরাফাত সুভর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন সুবর্ণ জয়ন্তী উদযাপন পরিষদের আহ্বায়ক আলহাজ্ব মোঃ লিয়াকত আলী।
সুবর্ণ জয়ন্তী অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন, চট্টগ্রাম-১৫ আসনের সংসদ সদস্য প্রফেসর ড. আবু রেজা মুহাম্মদ নেজামুদ্দিন
এমপি। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মফিজুর রহমান, দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি আলহাজ্ব এমএ সাঈদ, সাতকানিয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এম এ মোতালেব, চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি আবু সুফিয়ান ও সাতকানিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ মোবারক হোসেন। অনুষ্ঠানে শুরুতে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত, গীতা পাঠ ও জাতীয় সংগীত পরিবেশন হয়। এরপর সকাল ৯টায় শোভাযাত্রার মধ্যদিয়ে অনুষ্ঠান শুরু হয়। শোভাযাত্রাটি নলুয়ার মরফলা গ্রামের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এসে শেষ হয়। পরে স্মরণিকা উম্মোচন, ও চিত্রাংকন প্রতিযোগিতার মাধ্যমে সূবর্ণ জয়ন্তী ও প্রাক্তন শিক্ষার্থী পুনর্মিলনী উৎসব শুরু হয়। অনুষ্ঠানের তৃতীয় পর্বে রয়েছে স্মৃতিচারণ, মুক্তিযোদ্ধা ও গুণীজন সংবর্ধনা, আলোচনা সভা ও মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •