ছবি সংগৃহীত

[কেজি স্কুলের নৈরাজ্য-৩]

মুহাম্মদ আবু সিদ্দিক ওসমানী :

সরকারী পাঠ্যক্রমের (ন্যাশনাল কারিকুলাম) বাইরে কোন অতিরিক্ত বই না পড়াতে কক্সবাজারের সমস্ত কেজি স্কুলকে কঠোর নির্দেশনা সম্বলিত পত্র দেওয়া হবে। যাতে কেজি স্কুল গুলো তাদের ইচ্ছে মাফিক ন্যাশনাল কারিকুলাম বর্হিভুত অপ্রয়োজনীয় ও অননুমোদিত কোন বই ছাত্র ছাত্রীদের কিনতে বাধ্য করাতে ও ক্লাসে পড়াতে না পারে। কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) মোহাম্মদ আল আমিন পারভেজ সিবিএন-কে এ তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি জানান, জেলা প্রশাসনের পত্র দেওয়ার পরও জেলার কোন কেজি স্কুল ন্যাশনাল কারিকুলাম বর্হিভুত অপ্রয়োজনীয় ও অননুমোদিত কোন বই ছাত্র ছাত্রীদের কিনতে বাধ্য করালে ও ক্লাসে পড়ালে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বই ও শিক্ষা উপকরণ নিয়ে কেউ বাণিজ্য করলে তাদেরকে জেলা প্রশাসন কঠোর হস্তে দমন করবে। জেলার কেজি স্কুল গুলোকে যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদিত বই নিয়ে ক্লাসে ছাত্র ছাত্রীদের পাঠদান করাতে, ১৯৬২ সালের বেসরকারি প্রাইমারি স্কুল এ্যাক্ট, মহামান্য হাইকোর্টের নির্দেশনা মেনে চলা সহ শৃংখলা ও সরকারি সকল বিধি বিধান মেনে চলতে বাধ্য করা হবে। কক্সবাজার জেলা প্রশাসন জেলার যে কোন পর্যায়ের শিক্ষা ব্যবস্থায় কোন ধরনের নৈরাজ্য ও বিশৃঙ্খলা কোন অবস্থাতেই বরদাস্ত করবেনা। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) মোহাম্মদ আল আমিন পারভেজ সিবিএন-কে বলেন, ইতিমধ্যে জেলা প্রশাসন অভিযোগ পাওয়া ২ টি লাইব্রেরির মালিককে ডেকে এনে প্রাথমিকভাবে তাদের কঠোরভাবে সতর্ক করে দিয়েছে। কক্সবাজার জেলা কিন্ডারগার্ডেন স্কুল এসোসিয়েশনের নেতৃবৃন্দকে ডেকে এনে ছাত্র ছাত্রীদের বাধ্য করে অননুমোদিত ও অপ্রয়োজনীয় বই না কিনাতে এবং ক্লাসে পড়াতে বারন করে দেওয়া হয়েছে। এর পর কেজি স্কুল গুলোর কাছে এ বিষয়ে অফিসিয়ালি পত্র প্রেরণ জন্য জেলা প্রশাসন সিদ্ধান্ত গ্রহন করেছে।

এদিকে, কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (এডিএম) মোহা. শাজাহান আলি সিবিএন-কে বলেছেন, ন্যাশনাল কারিকুলাম বর্হিভুত অপ্রয়োজনীয় ও অননুমোদিত কোন বই ছাত্র ছাত্রীদের কিনতে বাধ্য করাতে ও ক্লাসে যাতে পড়াতে না পারে, সেজন্য জেলা প্রশাসন সচেতনতার কাজ করছে। তিনি জানান, শিক্ষা বান্ধব জেলা প্রশাসক মহোদয় এ বিষয়ে পাওয়া সমস্ত অভিযোগ খতিয়ে দেখছেন। শিক্ষাকে বাণিজ্য মুক্ত করতে জেলা প্রশাসন সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করে যাবে ইনশাআল্লাহ।