আজ ১৩ জানুয়ারী রাতে কক্সবাজার নিউজ ডটকম (সিবিএনে) প্রকাশিত ‘ঈদগাঁওয়ের বান্ডির বিরুদ্ধে চাঁদা দাবির অভিযোগ’ শীর্ষক সংবাদটি আমার দৃষ্টি গোচর হয়েছে। ভিত্তিহীন ও মনগড়া অভিযোগ এনে মাননীয় পুলিশ সুপার মহোদয়কে বিভ্রান্তিতে ফেলতে শাক দিয়ে মাছ ঢাকার অপচেষ্টা চালাচ্ছে যুবদল ক্যাডার হাফিজুর রহমান বাবলু নামের এক যুবক। যা হাস্যকর বটে, নিজেকে বাজার সভাপতি দাবী করে বিভিন্ন জনের কাছ থেকে চাঁদা দাবীর অভিযোগ রয়েছে । তাছাড়া বাঁশঘাটা টু গোমাতলী সড়কের চলাচলরত টমটম (ইজি বাইক) চালকদের কাছ থেকে দৈনিক চাঁদা দাবী করে আসছে বাবলু। আমি স্থানীয় ওয়ার্ড মেম্বার হিসেবে এই চাঁদাবাজ হাফিজুর রহমান বাবলুকে সতর্ক করলে আমার উপর ক্ষিপ্ত হয়ে ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের চেষ্টা করছে। তাছাড়া গতকাল চাঁদা না দেওয়ায় টমটম মালিক আবছারকে প্রকাশ্য দিবালোকে পিটিয়ে জখম করে এই বাবলুর নেতৃত্বে তার সাঙ্গপাঙ্গরা৷সংগঠিত ঐ ঘটনায় বাবলুকে প্রধান তার ভাই লাভলু এবং হাফিজ নামের অপর এক যুবককে বিবাদী করে ঈদগাঁও তদন্ত কেন্দ্রে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ভিকটিম আবছার। অথচ এই সড়কটি বাঁশঘাটা বাজার সমিতির নেতাকর্মীরা সমবায় সমিতি থেকে নিবন্ধন আনে।যার নং ২৪৭৫।
এসব ঘটনা আড়াল করতে নিজেকে সাধু সেজে মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করে সমাজে আমার মান সম্মান ক্ষুন্ন করার মিশনে নেমেছে। আমার জনপ্রিয়তা এবং সামাজিক অবস্থান পাকাপোক্ত দেখে সে নিজেই বেসামাল হয়ে পড়ছে। সে নাকি আগামীতে ওয়ার্ড মেম্বার নির্বাচন করবে, তাই আগে থেকে আমাকে এবং আমার জনপ্রিয়তাকে মেনে নিতে পারছে না বিধায় নতুন করে ষড়যন্ত্রে মেতে উঠেছে।

মুল কথা হচ্ছে, যে সড়কের টমটম ( ইজি বাইক) লাইনের কথা উল্লেখ করা হয়েছে মুলত ৮ মাস যাবৎ এই হাফিজুর রহমান বাবলু বিভিন্ন কায়দায় মালিক শ্রমিকের কাছ থেকে দৈনিক ২০  করে চাঁদাবাজি করে আসছিল। কেউ চাঁদা দিতে অপারগ প্রকাশ করলে তাকে মারধরসহ হরেক রকমের নির্যাতন চালানো হত। স্থানীয় ওয়ার্ড মেম্বার হিসেবে ভুক্তভোগীরা আমাকে বিচার দিলে উভয় পক্ষের সাথে বসে একটি সমাধান দেওয়া হয়। তাছাড়া এই হাফিজুর রহমান বাবলুকে আর কোন ধরনের শ্রমিক নির্যাতন না করার জন্য বারণ করা হয় । এতেই ক্ষুব্ধ হয়ে আমার নামে মিথ্যা অভিযোগ এনে গনমাধ্যমে সংবাদ পরিবেশন করেছে। এর পিছনে আমার রাজনৈতিক দলের কিছু অসাধু ব্যক্তি এই অভিযোগ এবং সংবাদ প্রকাশের পিছনে ইন্দন দিয়ে যাচ্ছে। তাছাড়া সংবাদে আমার পরিবার নিয়ে যা উপস্থাপন করা হয়েছে তা হাস্যকর। আমার বড় ভাই ছাড়া অন্য কোন সদস্য বিএনপিতে জড়িত নেই। আমি দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে সরাসরি জড়িত আছি, যা জেলার সমস্ত নেতা কর্মী সবাই অবগত। সংবাদের আমার নেতৃত্ব যে মাদকের ব্যবসার কথা উল্লেখ করা হয়েছে তা হাস্যকর ছাড়া কিছু নয়, তার ভাই এবং তাদের স্বজনদের মাদক ব্যবসায় বাঁধা দেওয়ায় উল্টো আমাকে মাদক ব্যবসায়ী বলছে। যা স্থানীয় লোকজন দেখে হাসি পাচ্ছে। । মুলত মুক্তিযোদ্ধার সন্তান দাবী এবং এটাকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে ফায়দা হাসিলের চেষ্টা চালাচ্ছে বহু অপকর্মের হোতা হাফিজুর রহমান বাবলু। সে নিজেকে মুক্তিযোদ্ধার সন্তান পরিচয় দিলেও তার বাবার কোন দলিল পত্র নেই। এছাড়া তার বড় ভাই হালিমুর লাভলু একজন ইউনিয়ন যুবদলের সাধারণ সম্পাদক, কিছুদিন আগে ইয়াবা বিক্রি কালে হাতে নাতে ঈদগাহ পুলিশ আটক করে জেলে পাঠিয়েছিল৷ জেল থেকে বের হয়ে ফের ইয়াবা ব্যবসা জমজমাট করে রাখছে তার বড় ভাই লাভলু। হাফিজুর রহমান বাবলু নিজেকে আওয়ামীলীগ নেতা দাবী করলেও অতীতে সে বিএনপির রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলেন। তার প্রমান সরূপ বিএনপির বড় বড় নেতাদের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময়, সাক্ষাৎ, নির্বাচনে গনসংযোগের ছবি সবার হাতে হাতে রয়েছে। এই রকম মিথ্যা বানোয়াট ভিত্তিহীন অভিযোগ ও সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

প্রতিবাদকারী
আবু বক্কর ছিদ্দিক বান্ডি
এমইউপি
ইসলামাবাদ ইউনিয়ন ৭নং ওয়ার্ড।
সদর কক্সবাজার।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •