সংবাদদাতাঃ

পর্যটন শহর কক্সবাজারে ইসলামী ও আধুনিক শিক্ষার অনন্য ঠিকানা ইছলাহুল উম্মাহ মডেল মাদরাসা। যেখানে আন্তর্জাতিক মানের কারিকুলামে পড়ানো হয়।
অত্যাধুনিক পদ্ধতিতে বিশুদ্ধ উচ্চারণের মাধ্যমে হিফয করার একটি মানসম্মত প্রতিষ্ঠান এটি।
এখানে নূরানী, হিফয, নাজেরা, তামসী, মুসাবাকাহ বিভাগে আবাসিক, অনাবাসিক ও ডে-কেয়ারে পড়ানো হয়।
কক্সবাজার কেন্দ্রিয় ঈদগাহ ময়দান সংলগ্ন মুক্তার ম্যানশনে (ম্যাজিস্ট্রেট কলোনি) সুশৃংখল ও মনোরম পরিবেশে ক্যাম্পাসটির অবস্থান।
যাত্রা বেশি দিন না হলেও খুব অল্প সময়ে শিক্ষাদীক্ষা ও অন্যান্য কারিকুলামে সুনাম কুড়াতে সক্ষম হয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। এখানে রয়েছে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার পাশাপাশি উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা কার্যক্রম।
ইতোমধ্যে উল্লেখযোগ্য অর্জন সমূহের মধ্যে রয়েছে -মাত্র ১০ মাস ৭ দিনে একজন ছাত্রের পবিত্র ৩০ পারা কুরআনের হিফয সম্পন্ন, ২০১৮ সালে জেলা প্রশাসন আয়োজিত উন্নয়ন মেলায় হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতায় দুই গ্রুপে দুই জন ছাত্রের প্রথম স্থান অর্জন এবং একই বছর কক্সবাজার হুফফাজুল কুরআন ফাউন্ডেশনের প্রতিযোগিতায় দ্বিতীয় স্থান অর্জন।
এখানে আন্তর্জাতিক মানের অভিজ্ঞ হাফেজ ও ক্বারীদের মাধ্যমে শিক্ষাদান করা হয়।
হিফযের পাশাপাশি বাংলা, ইংরেজি, গণিত ও আরবি শিক্ষায় বিশেষ গুরুত্ব দেয়া হয়। রয়েছে হিফযের প্রস্তুতিমূলক শর্ট কোর্সে নাজেরা ও ইসলামিক কিন্ডারগার্টেন বিভাগ।
ইছলাহুল উম্মাহ মডেল মাদরাসায় শিক্ষকদের তত্ত্বাবধানে নিয়মিত বিনোদন ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রম পরিচালিত হয়। স্কুল ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য পবিত্র কোরআন শুদ্ধভাবে পড়ানোর বিশেষ ব্যবস্থা রয়েছে। পুরো ক্যাম্পাস ও ক্লাস রুম সিসি ক্যামেরা দ্বারা নিয়ন্ত্রিত। কোটা ভিত্তিক ভর্তি পদ্ধতি ও গ্রেডিং সিস্টেমে ফলাফল প্রকাশ করা হয়। রয়েছে নিয়মিত মাসিক হুসনে সওত প্রতিযোগিতা ও ফ্রি প্রাথমিক চিকিৎসাসেবা। তাজবীদ ভিত্তিক বিশুদ্ধ ও মার্জিত উচ্চারণে বিশেষ গুরুত্ব দেয়া হয়।
মাদরাসার প্রতিষ্ঠাতা প্রিন্সিপ্যাল হিসেবে দায়িত্বে রয়েছেন হাফেজ ক্বারী মাওলানা আলমগীর হোছাইন। তিনি সার্বক্ষণিক সবকিছু তদারকি করেন। শুধু শিক্ষক নন, একজন দক্ষ প্রশাসক হিসেবেও ইতিমধ্যে তিনি অভিভাবকদের কাছে পরিচিত হয়েছেন।
প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে হাফেজ ক্বারী মাওলানা আলমগীর হোছাইন বলেন, সন্তানকে শুধু শিক্ষিত করলে হবে না, সুশিক্ষায় শিক্ষিত করতে পারলেই মা-বাবা সার্থকতা। তাই আমরা কুরআনের শিক্ষার পাশাপাশি জাগতিক শিক্ষা দিয়ে একজন শিক্ষার্থীকে সুযোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার সর্বোচ্চ চেষ্টা করে যাচ্ছি। আশা করছি আমরা সফল হবো।
তিনি বলেন, ইতিমধ্যে মাদরাসার একাডেমিক ফলাফল ও বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক ফলাফলে তাই প্রমাণ বহন করে। দ্বীনি শিক্ষার মিশন নিয়ে আমরা অনেক দূর এগিয়ে যেতে চাই। এই যাত্রায় সবার সহযোগিতা ও পরামর্শ কামনা করছি।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •