cbn  

ডেস্ক নিউজ:
কক্সবাজারের খরুলিয়া দরগাহ এলাকার চিহ্নিত ইয়াবা কারবারি দিদারুল আলম (৪০) ওরফে ডাকাত দিদারকে গ্রেপ্তার করেছে সদর থানা পুলিশ।

সোমবার (৩০ ডিসেম্বর) একটি দেশীয় তৈরি বন্দুক, এক রাউন্ড তাজা কার্তুজ ও ৩০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ কলাতলী বাইপাস এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। এসময় মো. আমান উল্লাহ (৩২) নামে তার এক সহযোগি পালিয়ে যায়। দিদারের বিরুদ্ধে ডাকাতি, চাঁদাবাজি ও হত্যার চেষ্টাসহ পাঁচটি মামলা রয়েছে।

সোমবার বিকালে মাদক ও অস্ত্র আইনে পৃথক দুটি মামলা দায়ের করে দিদারকে আদালতে প্রেরণ করেন পুলিশ। কক্সবাজার সদর থানার এসআই প্রদীপ চন্দ্র দে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। দিদার কক্সবাজার ঝিলংজা ইউনিয়নের দরগাহ পাড়াস্থ পূর্ব মুক্তারকুল এলাকর মৃত দানু মিয়ার ছেলে।

এসআই প্রদীপ চন্দ্র দে বলেন, ‘সোমবার রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে কলাতলী বাইপাস সড়কের পাশ থেকে দিদার নামে একব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে। ওই সময় তার এক সহযোগি পালিয়ে যায়। পরে দিদারের দেহ তল্লাশি চালিয়ে একটি দেশিয় তৈরি বন্দুক, এক রাউন্ড তাজা কার্তুজ ও পলিথিনে মোড়ানো ৩০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়েছে। সোমবার বিকালে সংশ্লিষ্ট ধারায় পৃথক দুটি মামলা দায়ের করে আদালতে প্রেরণ করা হয় দিদারকে। ’

এলাকাবাসী জানিয়েছে, গত দুই বছর ধরে ইয়াবা ডন হিসেবে আলোচনায় এসেছে দিদার। ইয়াবা ট্যাবলেটের ছোঁয়া পেয়েই আলিশান জীবন যাপন তার। নিজের এসব অপকর্ম আড়াল করতে ইয়াবার টাকায় বনে যান ‘আওয়ামী মটর চালক লীগ’ নামে একটি সংগঠনের জেলা সভাপতিও। নিজ এলাকা খরুলিয়া ছাড়াও টেকনাফ কক্সবাজার ঢাকা’য় তার বিচরণ ছিল ব্যাপক। প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিতে নিজেকে অনেক সময় পরিবহণের মালিকও পরিচয় দেন তিনি। কক্সবাজারের কয়েকজন শীর্ষ মাদক কারবারির মধ্যে দিদারুল আলম অন্যতম বলেও আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে তথ্য ছিল। ইয়াবার টাকায় দিদার এখন ৩টি ট্রাক (ডাম্পার) এর মালিক। রয়েছে দু’টি নোহা গাড়ি, দু’টি কার, কয়েকটি সিএনজি টেক্সী ও নামে বেনামে মোটর সাইকেল। তার ছেলেও নিয়মিত আলিশান মোটর সাইকেল হাকান। রয়েছে বিভিন্ন এলাকায় জমিও। এমনটি কক্সবাজার টেকনাফ লাইনে নামে বেনামে রয়েছে পরিবহনও। গত দেড় বছরে তার এসব পরিবহন দৃশ্যমান বলেও অবগত রয়েছে স্থানীয়রা। তবে এসব পরিবহণের মালিক হওয়ার জন্য তার কোন দৃশ্যমান আয় ছিল না বলে জানান এলাকাবাসীরা।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •