ডেস্ক নিউজ:
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে কৃষকের বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে কথা বলতে চান কুষ্টিয়া থেকে আওয়ামী লীগের সম্মেলনে যোগ দিতে আসা ১০২ বছর বয়সী ইসাহাক আলী। একই সঙ্গে কুষ্টিয়া সদর উপজেলার আব্দালপুর ইউনিয়নের তার গ্রামের কিছু উন্নয়ন ও সমস্যার কথাও বলতে চান প্রধানমন্ত্রীকে। বলতে চান জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সঙ্গে ধানমন্ডি ৩২ নম্বর এবং যশোরে দেখা করা স্মৃতিচারণমূলক কিছু কথা।

শুক্রবার রাত পৌনে ৯টায় মুঠোফোনে জাগো নিউজের সঙ্গে আলাপকালে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করার এমন ইচ্ছের কথা জানান কুষ্টিয়া সদর থানা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি ইসাহাক আলী।

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ২১তম সম্মেলনে যোগ দিতে প্রবীণ এ রাজনীতিবিদ তিনদিন আগেই ঢাকায় এসেছেন। উঠেছেন রাজধানীর শেওড়াপাড়ায় মেয়ের বাড়িতে। শুক্রবার সকালে নাতিকে নিয়ে হাজির হন সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আওয়ামী লীগের সম্মেলনে। সারাদিন সম্মেলনে থেকে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য শুনেই রাত ৯টায় বাসায় পৌঁছান।

বয়সের ভারে কাঁপা কাঁপা কণ্ঠে ইসাহাক আলী বলেন, আওয়ামী লীগের প্রায় সবগুলো সম্মেলনেই অংশগ্রহণ করেছি। কিন্তু কখনও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে কথা বলা বা দেখা করার সুযোগ হয়নি। শুধু দূর থেকে উনাকে দেখি। কাছে গিয়ে কথা বলার ইচ্ছে বহুদিনের।

তিনি বলেন, ধানমন্ডির বাসায় বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে বেশ কয়েকবার দেখা করেছি। ওই সময় প্রধানমন্ত্রী বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তেন। এরপর যশোরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, ফজলুল হক ও সোহরাওয়ার্দীর সঙ্গে দেখা হয়েছে। কথা হয়েছে। অনেক স্মৃতি রয়েছে তাদের সঙ্গে।

ইসাহাক আলী বলেন, সর্বশেষ যশোরে দেখা হওয়ার পরপরই যোগ দেই তেভাগা ও ভাষা আন্দোলনে। এরপর মুক্তিযুদ্ধে।

দীর্ঘ এ রাজনৈতিক জীবনে এলাকায় অসংখ্য স্কুল, কলেজ ও মাদরাসার উন্নয়নে কাজ করেছেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে দেখা হওয়ার পরপরই সিদ্ধান্ত নেই আওয়ামী লীগে যোগ দেয়ার। তখন থেকে আজ পর্যন্ত আছি আওয়ামী লীগ পরিবারের সঙ্গে। যতদিন শরীর চলবে ততদিন থাকব। আমার রক্তে আওয়ামী লীগ বলেই এ প্রতিবেদককে বলেন সারাদিন অনেক কষ্ট হয়েছে পরে কথা হবে।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •