আবদুল মালেক,রামু :
ঐতিহাসিক ১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবস রামুতে যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হয়েছে।দিবসটিকে যথাযথ মর্যাদায় পালনের নিমিত্তে রামু উপজেলা প্রশাসন ব্যাপক কর্মসূচী পালন করে।দিবসটির প্রথম প্রহরে রামু কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে রামু উপজেলা প্রশাসন,রামু উপজেলা পরিষদ,রামু থানা,রামু উপজেলা আওয়ামী লীগ,যুবলীগ,স্বেচ্ছাসেবক লীগ,কৃষক লীগ,ছাত্রলীগ, বিএনপি,যুবদল,ছাত্রদল,বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সরকারি বিভিন্ন অফিস,সামাজিক ও রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান মহান মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের স্মরণে পুষ্প স্তবক ও শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পন করেন।
সকাল আট ঘটিকার সময় রামু হাই স্কুল স্টেডিয়ামে মহান বিজয় দিবসের কুচকাওয়াজ ও ডিসপ্লে অনুষ্ঠানের অায়োজন করা হয় রামু উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ হতে। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কক্সবাজার সদর ও রামু অাসনের মাননীয় সংসদ সদস্য আলহাজ্ব সাইমুম সরওয়ার কমল,বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রামু উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সোহেল সরওয়ার কাজল, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা প্রলয় চাকমা,মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান আপসানা জেসমিন পপি,ভাইস চেয়ারম্যান সালাহ উদ্দিন,রামু উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি চাই থোয়াই হলা চৌধুরী,রামু থানার অফিসার ইনচার্জ অাবুল খায়েরসহ বিভিন্ন সামাজিক, রাজনৈতিক, প্রশাসনিক, সাংবাদিক ও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক শিক্ষিকাবৃন্দ।রামু উপজেলা জামে মসজিদের খতিব মাওলানা নুরুল হাকিমের পবিত্র কুরঅান তেলাওয়াত ও রামু কালী বাড়ি মন্দিরের ব্রাহ্মণ সজল চৌধুরীর গীতা পাঠের মধ্য দিয়ে শুরু হওয়া অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন রামু উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা প্রণয় চাকমা।তিনি বলেন,এসডিজি বাস্তবায়নে সবাইকে হাতে হাত মিলিয়ে কাজ করতে হবে।মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে যে স্বাধীনতা অর্জিত হয়েছে তার জন্য সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে সাইমুম সরওয়ার কমল এমপি বলেন,দীর্ঘ দুই হাজার বছর বাঙালি জাতি পরাধীনতার শৃঙ্খলে বন্দী ছিল।সেই পরাধীনতার শৃঙখল হতে মুক্তির জন্য বাঙালী জাতি সংগ্রাম করেছেন।জাতির পিতার ডাকে সাড়া দিয়ে সেদিন যারা যুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়েছে তারা জাতির সূর্য সন্তান।তারা সেদিন দেশ মাতৃকার জন্য প্রাণ উৎসর্গ করেছেন তাদের স্বপ্ন তখনই বাস্তবায়িত হবে যদি বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা বিনির্মাণ করা যায়। হতে মুক্তির জন্য বাঙালী জাতি সংগ্রাম করেছেন।জাতির পিতার ডাকে সাড়া দিয়ে সেদিন যারা যুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়েছে তারা জাতির সূর্য সন্তান।তারা সেদিন দেশ মাতৃকার জন্য প্রাণ উৎসর্গ করেছেন তাদের স্বপ্ন তখনই বাস্তবায়িত হবে যদি বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা বিনির্মাণ করা যায়। হতে মুক্তির জন্য বাঙালী জাতি সংগ্রাম করেছেন।জাতির পিতার ডাকে সাড়া দিয়ে সেদিন যারা যুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়েছে তারা জাতির সূর্য সন্তান।তারা সেদিন দেশ মাতৃকার জন্য প্রাণ উৎসর্গ করেছেন তাদের স্বপ্ন তখনই বাস্তবায়িত হবে যদি বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা বিনির্মাণ করা যায়। হতে মুক্তির জন্য বাঙালী জাতি সংগ্রাম করেছেন।জাতির পিতার ডাকে সাড়া দিয়ে সেদিন যারা যুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়েছে তারা জাতির সূর্য সন্তান।তারা সেদিন দেশ মাতৃকার জন্য প্রাণ উৎসর্গ করেছেন তাদের স্বপ্ন তখনই বাস্তবায়িত হবে যদি বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা বিনির্মাণ করা যায়।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে সোহেল সরওয়ার কাজল বলেন,জননেত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করার জন্য সবাইকে ভেদাভেদ ভুলে কাঁধে কাঁধ রেখে একযোগে কাজ করতে হবে।২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে সমৃদ্ধশালী দেশে রূপান্তরেরর জন্য কাজ করে যেতে হবে। জন্য কাজ করে যেতে হবে। জন্য কাজ করে যেতে হবে।রর জন্য কাজ করে যেতে হবে। জন্য কাজ করে যেতে হবে। জন্য কাজ করে যেতে হবে।
এর আগে অতিথিবৃন্দ বেলুন ও শান্তির প্রতীক বেলুন উড়িয়ে বিজয় দিবসের অনানুষ্ঠানিক শুভ উদ্বোধন করেন।পরে বিভিন্ন বাহিনী, স্কুল কলেজ,মাদরাসার শিক্ষার্থীদের পরিবেশনায় কিচকাওয়াজ ও মনোমুগ্ধকর ডিসপ্লে পরিবেশিত হয়।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •