প্রেস বিজ্ঞপ্তি:
১৪ ডিসেম্বর পৃথিবীর ইতিহাসের এক কালো অধ্যায়। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে বাঙালি বুদ্ধিজীবী নিধন বাংলাদেশের ইতিহাসে নৃশংসতম ও বর্বরোচিত হত্যাযজ্ঞ। জাতি যখন বিজয়ের খুব কাছে সেই সময় পাকিস্তানি বাহিনীর সহযোগীতায় রাজাকার, আলবদর, আলশামস বাহিনী দেশের শ্রেষ্ঠ সন্তানদের ধরে ধরে হত্যা করে। বাঙালি শিক্ষাবিদ, সাংবাদিক, সাহিত্যিক, চিকিৎসক, বিজ্ঞানী, আইনজীবী, শিল্পী, দার্শনিক রাজনৈতিক চিন্তাবিদগণ এই সুপরিকল্পিত হত্যাযজ্ঞের শিকার হন।
দিবসটির স্মরণে কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি যথাযেগ্য মর্যাদায়,সম্মান ও শ্রদ্ধার সাথে পালন করলো শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস-২০১৯।
বিশ্ববিদ্যালয় হলরুমে বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার অধ্যাপক আবদুল হামিদের সভাপেিত্বে এবং ইংরেজী বিভাগের শিক্ষক তামান্না নওরিন আজম ও সহকারী রেজিস্ট্রার কুতুব উদ্দিন এর সঞ্চালনায় জাতীয় সঙ্গীত, পবিত্র কোরান ও গীতা পাঠ এর মধ্যেদিয়ে শুরু হওয়া উক্ত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, কক্সবাজার জেলা আওয়ামী লীগ এর সহ-সভাপতি রেজাউল করিম। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, জেলা জজ কোর্টের পিপি এড. ফরিদুল আলম, বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিন ড. জাকির হোসেন,রেজিস্ট্রার খন্দকার এহসান হাবিব ও জেলা কৃষক লীগের সহ-সভাপতি আনিসুল হক চৌধুরী।
আলোচন সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন, আলোচনা সভা আয়োজন কমিটির আহবায়ক ও বিশ্ববিদ্যালয়ের লাইব্রেরী সায়েন্স ও ইনফরমেশন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান নাজিম উদ্দিন সিদ্দিকী।
আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, মুক্তিযুদ্ধের শেষ প্রহরের এইদিনে হানাদার বাহিনীর হাতে নৃশংসভাবে খুন হয়েছিল দেশের অগ্রণী কিছু মানুষ। স্বাধীনতা সংগ্রামের চুড়ান্ত বিজয়ের শেষ মূহুর্তে পাকিস্তানের বর্বর সেনাবাহিনী ও তাদের দোসরেরা পরিকল্পিতভাবেই এই বুদ্ধিজীবীদের নিধনজ্ঞ চালিয়েছিল। তারা বাংলাদেশকে মেধাশূণ্য করতে চেয়েছিল। কিন্তু জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীনতার মধ্য দিয়ে বিশ্বের মানচিত্রে যুক্ত হওয়া বাংলাদেশ আজ সারাবিশ্বের কাছে উন্নয়নের বিস্ময়। বাংলাদেশ আজ এগিয়ে যাচ্ছে দূবার্র গতিতে। বক্তারা আরও বলেন, শহীদ বুদ্ধিজীবীরা আমাদের পথ পর্দশক।
আলোচনা সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষানিয়ন্ত্রক এএসএম সাইফুর রহমান সহ বিশ্ববিদ্যালয়ে সকল বিভাগের বিভাগীয় প্রধান, শিক্ষক ও শিক্ষাথর্ীরা উপস্থিত ছিলেন।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •