প্রেস বিজ্ঞপ্তি :

বাংলাদেশ দুতাবাস ও কোস্ট গার্ডের সহায়তায় নিরাপদে বাড়ি ফিরেছে মায়ানমার সমুদ্রসীমানায় হারিয়ে যাওয়া ১৭ বাংলাদেশী ।

গত ২৯ নভেম্বর ২০১৯ চট্টগ্রামের কর্ণফূলি নদীর চাক্তাই এলাকা থেকে এফবি গোলতাজ-৪ নামের একটি ফিশিং ট্রলার ১৭ জেলেসহ গভীর সাগরে মাছ ধরার উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। যাত্রার দুই দিন পর সাগরে ট্রলারটির ইঞ্জিন বিকল হয়ে যায়। গত ০৪ ডিসেম্বর ২০১৯ তারিখ বিকালে ভাসতে ভাসতে ট্রলারটি মিয়ানমারের জলসীমায় রাখাাইন রাজ্যের রাথিডং সাগর উপকূলে মায়ো দ্বীপের কাছাকাছি চলে গেলে মিয়ানমারের নৌবাহিনী জাহাজ ‘ইন-লে’ ট্রলারটিকে সনাক্ত করে সিটওয়ে বন্দরে নিয়ে যায়। মিয়ানমারের নৌবাহিনী ট্রলারটির ক্রুদের জাতীয়তা যাচাই শেষে রাখাইন প্রদেশের সীমান্ত সুরক্ষা ও নিরাপত্তা মন্ত্রী বাংলাদেশ দূতাবাসের কাছে হস্তান্তর করে। বাংলাদেশ দূতাবাস মালিক পক্ষ এবং বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের সাথে যোগাযোগ করে দ্রুততার সাথে হস্তান্তর প্রক্রিয়ার অনুরোধ জানানো হয়। পরবর্তীতে গত ০৬ ডিসেম্বর ২০১৯ রাতে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড জাহাজ ‘তাজউদ্দীন’ সেন্ট মার্টিন্স দ্বীপের ৬ মাইল পূর্বে বাংলাদেশ মিয়ানমারের আন্তজার্তিক সমুদ্র সীমানার জিরো লাইনের কাছে অবস্থান নেয় এবং ১৭ জন জেলেসহ ট্রলারটিকে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের কাছে হস্তান্তর করে। ট্রলারের জেলেরা হলেন- মোঃ ফারুক (৪৫), মোঃ বাবুল (৫৫), মোঃ সেলিম (৫৭), মোঃ আবু সৈয়দ (৩৭), মোঃ কালাম (৫৭), মোঃ জসিম (৪০), মোঃ বুলেট (৪৪), মোঃ মোতাহার (৪৫), মোঃ কামাল (৫০), মোঃ জসিম (৫১), মোঃ নাসিম (৪৭), মোঃ জহির (৩০), মোঃ শাহ আলম (৬১), মোং নুর ইসলাম (৪৮), মোঃ বেলাল (২৭), মোঃ আল আমিন (২২), মোঃ জাহাঙ্গির (৪১)। এদের সবাই চট্টগ্রাম, ভোলা, মুন্সিগঞ্জ এবং চাদঁপুরের বাসিন্দা। পরবর্তীতে বিসিজি স্টেশান সেন্টমার্টিন্স এর মাধ্যমে বোটের মালিকের উপস্থিতিতে সেন্টমার্টিন্স পুলিশের নিকট হস্তান্তর করা হয়।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •