উখিয়া সংবাদদাতাঃ
উখয়ার কুতুপালংয়ের একটি রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পুলিশের সোর্স পরিচয়ে চাঁদা দাবি ও আফিফা (২২) নামের গর্ভবতীকে ব্যাপক মারধরের অভিযোগ পাওয়া গেছে। মারধর করা হয়েছে স্বামী আমির রহমানকেও।
বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে আটটার দিকে টিভি টাওয়ারের পশ্চিম পাশে ক্যাম্প ৭ ব্লক এ-১ জাফর আলম মাঝির এলাকায় এই ঘটনাটি ঘটেছে।
আহতদের স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসা সেবা দেয়া হয়েছে। ঘটনায় জড়িত কেউ আটক হয়নি। এই ঘটনায় দুই রোহিঙ্গা গ্রুপের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে।
ভিকটিম আফিফা জানিয়েছে, ইউসুফ আলী নামের এক ব্যক্তি নিজেকে পুলিশের লোক পরিচয় দিয়ে তার স্বামীর খোঁজ নিতে আসে। খবর পেয়ে স্বামী আমির রহমান তাড়াতাড়ি বাড়িতে উপস্থিত হয়। এরপর তার বিরুদ্ধে অভিযোগ আছে জানিয়ে ৩৫ হাজার টাকা দাবী করে পুলিশ পরিচয় দেয়া ইউসুফ আলী।
আমির রহমান পুলিশ সংক্রান্ত সঠিক পরিচয় পত্র ও অভিযোগের কপি দেখাতে বললে ব্যাপক মারধর শুরু করে।
স্বামীকে মারধর করতে দেখে গর্ভবতী স্ত্রী আফিফা বাধা দিতে গেলে তাকেও মারধর করা হয়। পরে স্থানীয়রা এগিয়ে গেলে পালিয়ে যায় পুলিশ পরিষদের ওই ব্যক্তি।
অনুসন্ধান করে জানা গেছে, পুলিশের পরিচয় দেওয়া ইউসুফ আলীর পুরো নাম ইউসুফ আলী প্রকাশ কাঁন কাটা ইউসুফ একজন চিহ্নিত ডাকাত। তার পিতা বদিউর রহমান। সর তুমব্রুু জিরু লাইনের পাশের বাসিন্দা। তার সঙ্গে জাহাঙ্গীর নামের এক ব্যক্তিসহ আরো কয়েকজন ছিল।
ইউসুফ ডাকাত ৩ বছর আগে থেকে মায়ানমারের সাথে অবৈধ ব্যবসায় জড়িত। পুলিশের সোর্স পরিস্থিতি বিভিন্ন অপকর্মও করে থাকে।
আমির রহমান আরো জানায়, মিয়ানমারের সীমান্তবর্তী বাড়ি হওয়ায় রোহিঙ্গাদের সাথে তার অবৈধ ব্যবসা জমজমাট। মাদক ও মানবপাচারের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে।
অভিযুক্ত ইউসুফ বিভিন্ন ক্যাম্পে গিয়ে পুলিশ পরিচয় দিয়ে চাঁদা আদায় করে বলে জানান রোহিঙ্গা এহসানুল হক।
এসব অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা দাবী করেছে রোহিঙ্গাসহ ভুক্তভোগীরা।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •